শুক্রবার, ০৩ Jul ২০২০, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন

দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭১১৫৭৬৬০৩
সংবাদ শিরোনামঃ
ভ্রুণ হত্যাকারী প্লাবনের গ্রেপ্তার দাবীতে নাসিরনগরে মানববন্ধন লক্ষ্মীপুর জেলা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন সভাপতি মিজানুর রহমান অসুস্থ, দোয়াপ্রার্থী পাপ ছাড়েনা বাপকেও! পুলিশের পোশাকের আড়ালে এসআই রকিবের ইয়াবার রমরমা ব্যবসা অবশেষে ১৮ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার জহিরুল হক বিল্লাল ‘করোনাযোদ্ধা’র আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেট প্রাপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পিসিআর ল্যাব স্থাপন আকাবির চিন্তার ধারক ছিলেন মুফতী কেফায়েতুল্লাহ বিন নূর আখাউড়ায় উদ্ধারের তিন মাস পর স্বাধীনতাকালের মর্টারশেল নিস্ক্রিয় জাতীয়  গ্রিড লাইনে ত্রুটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ সাত জেলা বিদ্যুৎহীন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাওলানা কেফায়েত উল্লাহ্’র ইন্তেকাল অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা আবু সাঈদ ডায়াবেটিসের রোগী
আখাউড়ায় উদ্ধারের তিন মাস পর স্বাধীনতাকালের মর্টারশেল নিস্ক্রিয়

আখাউড়ায় উদ্ধারের তিন মাস পর স্বাধীনতাকালের মর্টারশেল নিস্ক্রিয়

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালের মর্টারশেল। উদ্ধার হয় গত মার্চ মাসে। উদ্ধারেরও তিন মাস পর করা হলো নিস্ক্রিয়। বৃহস্পতিবার (১১জুন) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের সাতপাড়া হেলিপ্যাড এলাকায় সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যরা মর্টারশেলটিকে নিষ্ক্রিয় করাকাল বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকার মাটি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ মার্চ আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী আব্দুল্লাহপুর গ্রামের মো. রিপন হোসেনের বাড়িতে অনুমান ৩০ কেজি ওজনের মর্টারশেলটি উদ্ধার হয়। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা  মর্টারশেলটি উদ্ধার করা হয়। গত তিন মাস ধরেই স্থানীয় একজন গ্রাম পুলিশের পাহারায় ওই মর্টারশেলটি নিরাপদ স্থানে রাখা হয়। বৃহস্পতিবার কুমিল্লা সেনানিবাসের মেজর ফাহমিদা সিদ্দিকীর নেতৃত্ব ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল এসে ওই শেলটি ধব্বংস করে। এসময় আখাউড়া থানার ওসি রসুল আহমদ নিজামীসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুমান ৩০ কেজি ওজনের মর্টারশেলটি নিস্ক্রিয় করাকালে বিস্ফোরণের বিকট শব্দে আখাউড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের সাতপাড়া হেলিপ্যাড মাঠসহ কেঁপে ওঠে পুরো এলাকার মাটি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধকালে পূর্বাঞ্চলের প্রবেশদ্বার নামে খ্যাত আখাউড়ায় মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্র বাহিনীর সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাদের বারংবার অনেক সম্মুখযুদ্ধ হয়েছিল। নিষ্ক্রিয় করা মর্টারটি যুদ্ধের সময় ওই এলাকায় ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্বাধীনতার পর থেকে এই ধরণের অসংখ্য পরিত্যক্ত মর্টার শেল ধ্বংস করা হয়েছে।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Design: About IT
x Close

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

Shares
CrestaProject