বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন

দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭১১৫৭৬৬০৩
সংবাদ শিরোনামঃ
আনুশকার মায়ের পা জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে যা বলেছিলো দিহান নামাজে আমরা যা বলি, তার অর্থ জানলে নামাজে অন্য চিন্তা মাথায় আসবেনা!! মোটরসাইকেলের ধাক্কায় অর্থনীতিবিদ শামসুল আলম গুরুতর আহত ছাড়তে হয়েছে লবণচাষ, এখন চায়ের দোকানি মুনাফ দুই কিলোমিটারের মধ্যে স্কুল নির্মাণের প্রস্তাব বাতিলের দাবি মবিলের বোতলে ১০ হাজার ইয়াবা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীর স্ত্রী মারা গেছেন শীতলক্ষ্যা নদী খননের নামে সিবিএ নেতা জাহাঙ্গীরের সেল্টারে মাটি বিক্রির অভিযোগ, হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা সাংবাদিক নির্যাতন : দুই পুলিশের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দিহান-আনুশকার ম্যাসেঞ্জারে চ্যাট ফাঁ’স- ‘চা;ঞ্চল্যকর’ তথ্য পেল পু’লিশ
আখাউড়ায় উদ্ধারের তিন মাস পর স্বাধীনতাকালের মর্টারশেল নিস্ক্রিয়

আখাউড়ায় উদ্ধারের তিন মাস পর স্বাধীনতাকালের মর্টারশেল নিস্ক্রিয়

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালের মর্টারশেল। উদ্ধার হয় গত মার্চ মাসে। উদ্ধারেরও তিন মাস পর করা হলো নিস্ক্রিয়। বৃহস্পতিবার (১১জুন) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের সাতপাড়া হেলিপ্যাড এলাকায় সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যরা মর্টারশেলটিকে নিষ্ক্রিয় করাকাল বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকার মাটি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ মার্চ আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী আব্দুল্লাহপুর গ্রামের মো. রিপন হোসেনের বাড়িতে অনুমান ৩০ কেজি ওজনের মর্টারশেলটি উদ্ধার হয়। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা  মর্টারশেলটি উদ্ধার করা হয়। গত তিন মাস ধরেই স্থানীয় একজন গ্রাম পুলিশের পাহারায় ওই মর্টারশেলটি নিরাপদ স্থানে রাখা হয়। বৃহস্পতিবার কুমিল্লা সেনানিবাসের মেজর ফাহমিদা সিদ্দিকীর নেতৃত্ব ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল এসে ওই শেলটি ধব্বংস করে। এসময় আখাউড়া থানার ওসি রসুল আহমদ নিজামীসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুমান ৩০ কেজি ওজনের মর্টারশেলটি নিস্ক্রিয় করাকালে বিস্ফোরণের বিকট শব্দে আখাউড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের সাতপাড়া হেলিপ্যাড মাঠসহ কেঁপে ওঠে পুরো এলাকার মাটি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধকালে পূর্বাঞ্চলের প্রবেশদ্বার নামে খ্যাত আখাউড়ায় মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্র বাহিনীর সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাদের বারংবার অনেক সম্মুখযুদ্ধ হয়েছিল। নিষ্ক্রিয় করা মর্টারটি যুদ্ধের সময় ওই এলাকায় ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্বাধীনতার পর থেকে এই ধরণের অসংখ্য পরিত্যক্ত মর্টার শেল ধ্বংস করা হয়েছে।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Design: About IT
x Close

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

Shares
CrestaProject