বুধবার, ০৩ Jun ২০২০, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন

দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭১১৫৭৬৬০৩
সংবাদ শিরোনামঃ
কসবায় সাংবাদিকসহ আটজন করোনায় আক্রান্ত বাস ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ সমাবেশ পরীক্ষার রেজাল্ট সেকাল-একাল ফেনী রামপুর রাস্তার মাথায় বাইপাস সড়ক বন্ধে লক্ষ লক্ষ মানুষ দূর্ভোগের শিকার ৫৭ ধারা বাতিল ও সংবাদযোদ্ধা ছাটাই বন্ধের দাবী অনলাইন প্রেস ইউনিটির ব্যাংকগুলো লুটেরাদের হাতে তুলে দেবেন না -মোমিন মেহেদী পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে সেভ দ্য রোড-এর সমাবেশ অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হতদরিদ্রদের উপহার তালিকায় চেয়ারম্যান পরিবার! নাসিরনগরে নন জি আর ওয়ারেন্ট ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুইজন গ্রেফতার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০ 
এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মান যাচাই প্রয়োজন: শিক্ষামন্ত্রী

এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মান যাচাই প্রয়োজন: শিক্ষামন্ত্রী

“কোনো কোনো প্রভাবশালী মন্ত্রী তার নিজের এলাকায় প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করেছেন, যেগুলো নিয়মবিরুদ্ধ এবং মান যাচাই না করে নিয়মবিরুদ্ধভাবেই সেগুলোকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। কোথাও কোথাও ছাত্র নেই, শিক্ষক নেই- কিছুই নেই। কাজেই আমরা এখন সারা দেশে অতীতে যত এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের মান যাচাই করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।”

রোববার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে প্রস্তাবিত দায়যুক্ত ব্যয় ব্যতীত অন্যান্য ব্যয় সম্পর্কিত মঞ্জুরি দাবির ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

এর আগে বিরোধীদল জাতীয় পার্টি ও বিএনপির ১০ জন সংসদ সদস্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বরাদ্দের বিরুদ্ধে ছাঁটাই প্রস্তাব দেন।

ছাঁটাই প্রস্তাব দেওয়া সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে দীপু মনি বলেন, “যারা ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন তাদের দলগুলো দীর্ঘদিন এদেশে ক্ষমতায় ছিল। আমরা তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার দেখেছি। তখনকার শিক্ষাখাতে বরাদ্দ, শিক্ষার মান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান সম্পর্কেও আমরা অবগত আছি।”

বিএনপির সরকারের আমলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “নতুন এমপিওভুক্তির জন্য তালিকা যখন দেখছি, দেখতে পাচ্ছি কোথাও কোথাও বৈষম্য হচ্ছে। কয়েকটি এলাকায় দেখছি যতগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকার প্রাপ্যতা রয়েছে তার থেকে বেশি সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত। সেই এলাকাগুলো দেখলে এবং কখন এমপিও হয়েছে তা দেখলে দেখা যাবে বিএনপি-জামায়াতের সময়ে এগুলো এমপিওভুক্ত।

নয় বছর বন্ধ থাকার পর নতুন করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমিপওভুক্ত করার কার্যক্রম আবার শুরুর কথা এবারের বাজেটে (২০১৯-২০) উল্লেখ করেছে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। গত ১৩ জুন সংসদে উত্থাপিত বাজেটে তিনি নতুন অর্থবছরে এমপিওভুক্তির জন্য বরাদ্দ রাখার কথা বললেও তার পরিমাণ জানাননি।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিও নতুন আড়াই হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমিপওভুক্ত করার কথা বলেছিলেন। যোগ্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার কথা তিনি আবারও গত ২৫ জুন সংসদে বলেন।

সবশেষ ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করে সরকার। এরপর থেকে এমপিওভুক্তির দাবিতে শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলন করে আসছেন। আন্দোলনের মুখে গত বছরের জুলাইয়ে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গত অগাস্টে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন আহ্বান করলে নয় হাজার ৬১৪টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে। এর মধ্যে দুই হাজার ৭৬২টি প্রতিষ্ঠান এমপিওর যোগ্য বিবেচিত হয়। তবে অর্থের অভাবে সেগুলোকে এমপিও দিতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করতে এক হাজার ২৪৭ কোটি টাকা দরকার বলে এক চিঠিতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

কপি: বিডি নিউজ 24. কম

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

মানব জীবন ২৪.কম, ২০১৪

সম্পাদকঃ ইমদাদুল হক তৈয়ব

ফোনঃ ০১৭১১৫৭৬৬০৩,০১৬৭৮১৪২৯৪২

e-mail: manobjibon24@gmail.com

Design: About IT
x Close

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

Shares
CrestaProject