শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন

দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭১১৫৭৬৬০৩
সংবাদ শিরোনামঃ
দুটি আর্ন্তজাতিক স্বীকৃতি পেলেন প্রথম সারির করোনা যুদ্ধা জহিরুল হক বিল্লাল আর্ন্তজাতিক স্বীকৃতি পেলেন এড. মো: আয়ুবুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকসহ আটজন গ্রেপ্তার কর্মকর্তার অবহেলায় গৃহহীনরা পায়নি প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর!  বর্ষাকালে ত্বকের সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ গুরুদাসপুরে পীরপাল মাজার শরীফের অর্থআত্মসাত ও গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ সাবেক খাদেমের বিরুদ্ধে নাসিরনগরে ” বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি” পালিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসামীর ছুরিকাঘাতে দারোগা নিহত কেবল মাইকেই স্বাস্থ্যবিধির প্রচারণা, বাস্তবে উল্টো চিত্র! ভ্রুণ হত্যাকারী প্লাবনের গ্রেপ্তার দাবীতে নাসিরনগরে মানববন্ধন
পরিবর্তনের গল্প(৯)

পরিবর্তনের গল্প(৯)

আমি সব সময় দুআ করতাম আমার যেন মাকে না জানিয়ে পালায় বিয়ে করা না লাগে। মা যেন আমার বিয়েতে উপস্থিত থাকে। খুশি মনে মুসলিম ছেলের সাথে আমার বিয়ে দেন। এতোদিন দুআ করতাম আর এখন বিশ্বাস করা শুরু করলাম যে আল্লাহ চাইলে তাই হবে! আবার সালাত পড়া শুরু করলাম। মাথায় কাপর দিতে তখনও সমস্যা হতো তবুও চেষ্টা করতে লাগলাম। অযথা অনলাইনে আড্ডা দেয়া কমিয়ে দিতে দিতে বন্ধই করে দিলাম। আগেই বলেছি নিজেকে এতোই ব্যস্ত করে ফেলেছিলাম যে নিজের জন্যই সময় ছিলনা আমার্। তবুও ইসলাম নিয়ে পড়া শুরু করলাম আবার্। ধীর গতিতে যদিও তা আগাতে লাগলো তবে এবার আর পথভ্রষ্ট হতে হয়নি।কারণ এবার আমার কথা বলার ও শোনার জন্য একজন আছেন। যখনই কষ্ট লাগতো সেজদায় আল্লাহকে সব বলতাম। খুব আপনদের সাথে যেভাবে মানুষ কথা বলে আল্লাহর সাথে সেভাবেই কথা বলতাম (এখনও বলি)। মন হালকা হয়ে যেত। কোনো কষ্টকেই আর কষ্ট মনে হতোনা। আলহামদুলিল্লাহ!! আবার আমি নিজেকে ফিরে পেলাম! ২০১২ সাল,কিছুদিন পরেই রামাদান মাস শুরু হবে। নিয়ত করে রেখেছি এবার যতো বাঁধাই আসুক সব রোজা রাখতে চেষ্টা করবো,কুরআন তেলাওয়াত করতে পারতাম না তখনও তাই ঠিক করেছি বাংলা অনুবাদ টাই পুরাটা পড়ে শেষ করবো। তারাবির সালাত পড়বো,কি কি দুআ করবো,কি কি আমল করবো অনেক কিছুই প্ল্যান করে রেখেছিলাম। এমনকি সা’বান মাসেও কয়েকটা রোজা রেখেছি। পুরাপুরি প্রস্তুত আমি রমাদানের জন্য।

রমাদান মাসের আগের দিন হটাত করেই প্রচন্ড জ্বর উঠে। ১০৩ এর নীচে জ্বর নামেই না। সারারাত জ্বরে ছটফট করলাম। তিনটার দিকে যাও একটু ঘুমালাম,এই রাতে সবার “চোর এসেছে, চোর এসেছে” ডাকাডাকিতে ঘুম ভাংলো। উঠে দেখি চার তালার জানালা দিয়ে চোর আমার প্রিয় মোবাইলটা নিয়ে গেছে! মন খারাপ হয়ে গেলো। পরের দিনও জ্বর কমেনা। ডাক্তারের কাছে গেলাম,টেস্ট করে ধরা পরলো আমার জন্ডিস হয়েছে। ডাক্তার আরও টেস্ট দিলেন,ধরা পড়লো হেপাটাইটিস A ভাইরাস। জন্ডিস হয়েছে,রোজা তো রাখতেই পারবোনা,এতো প্ল্যান এতো প্রস্তুতি কিছুই আর কাজে লাগাতে পারছিনা। মন ভেঙ্গে গেলো। দিন রাত কাঁদতাম। সুস্থ্য হবার নামও নাই এদিকে রমাদান মাস শেষ হয়ে যাচ্ছে! হেপাটাইটিস A এর চিকিতসা হলো মানসিক ও শারীরিক বিশ্রাম। শারীরিক বিশ্রাম ঠিকই ছিলো কিন্তু মানসিক অবস্থা খুব খারাপ ছিলো। কোথায় সুন্নাত সহো সালাত পড়বো,তারাবি পড়বো,সেখানে ফরজ সালাত গুলাই কোনো রকমে ইশারায় পড়তে হচ্ছে। কিছু খেতে পারতাম না। মা বাবা চিকিতসার কোনো ত্রুটি রাখেননি। তাও রমাদানের শেষের দিকে এতোই দুর্বল হয়ে পরেছিলাম যে সেলাইন দেয়া লেগেছে ৩টা। ডাক্তারও বার বার বলতো যে কি নিয়ে এতো দুশ্চিন্তা করেন যে অবস্থা দিন দিন এভাবে খারাপ হচ্ছে? সবাইকে বলতাম সামলে 4th year ফাইনাল পরীক্ষা,পড়তে পারছিনা তাই টেনশন হচ্ছে।

 

রমাদান মাস শেষ হয়ে গেলো,কিছুই প্ল্যান মতো করতে পারিনি। পরের রমাদানে বেঁচে থাকবো কিনা তাও জানিনা। মোবাইলটাও ছিলোনা যে নেট থেকে ইসলামিক লেকচার পড়বো বা শুনবো। পুরা রমাদান হসপিটাল আর আমার রুমের মধ্যে থেকেই কেটে গেলো। আল্লাহর ইচ্ছা ভেবে মেনে নিলাম। প্রায় দুই মাস কষ্ট করে এরপর সুস্থ্য হলাম। একা সারাদিন থাকাতে চিন্তা করার অনেক সুজোগ পাই। অতীতে কি ভুল করেছি, হেদায়ের পাওয়ার পরেও কি ভুল করেছি সব স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলাম। নিজের মাঝে কি কি পরিবর্ত্ন আনতে হবে ঠিক করলাম। সেই রমাদান মাস আমার জন্য অনেক বড় শিক্ষা ছিলো। যখন সুজোগ পেয়েছিলাম সালাত পড়িনি,পর্দা করিনি,গুনাহে লিপ্ত ছিলাম। আর যখন এতো প্ল্যান করলাম আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য কিছুই করতে পারলাম না। বুঝতে পারছিলাম হেদায়েত পাওয়ার পরেও আর আমার এভাবে পথভ্রষ্ট হওয়া চলবেনা। আল্লাহর এতো বড় রহমত কে আমি এভাবে for granted নিয়ে নিলে হবেনা। আমার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা হয়ে গেলেও এখনও যে গুনাহ করে যাচ্ছি তার শাস্তি তো কম হবেনা। কবরের আজাব,জাহান্নামের আগুন থেকে আমাকে কে রক্ষা করবে তখন! অনেক ভুল করেছি আর না। একটা একটা করে ভুল সংশোধন করার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেলাম। ভুলের জন্য তওবা করে নিলাম। সময় খুব ভালো কাটছিলো। সারাদিন টিউশনি করতাম। স্টুডেন্টদের সাথে থাকতে নিজেকেও বাচ্চা মনে হতো,যেন আমিও আবার ছোট হয়ে গেছি। এছাড়া সময় পেলেই হয় আমার ভার্সিটি ফ্রেন্ড শ্বাশতীর বাসায় চলে যেতাম নাহলে সিহিন্তার বাসায় যেতাম। এই দুইজনের সাথে থাকলে হাজার মন খারাপ হলেও তা ভালো হয়ে যেতো। আর আমার দুই পুতুল আনাস,উমার তো আছেই। ওদের সাথে থাকলে দিন কিভাবে চলে যেত বুঝতেও পারতাম না। অনার্স ফাইনাল পরীক্ষা শেষ।

 

uoda তে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এ মাস্টার্স এ ভর্তি হলাম। মজা লাগতো খুব পড়তে। মাঝে একটা স্কুলেও পড়াই কিছুদিন। সময় কেটে যাচ্ছিলো ভালোই আলহামদুলিল্লাহ। ডিপ্রেশন আর ছিলোনা।ইসলাম প্র্যাক্টিস করার প্রতিও দিন দিন আরো বেশি সচেতন হচ্ছিলাম।তবে মাঝে মাঝে নিজেকে একটু একা একা লাগতো। সব মেয়ের মতো আমিও একদিন নিজের সংসার হবার স্বপ্ন দেখতাম। মাস্টার্স করছি, বয়সও তো কম হয়নি তখন! ২০১২ এর শেষের দিকে,নভেম্বর বা ডিসেম্বর মাসে একদিন ঠিক করলাম যে আর না,জীবনে যা ভুল করার করেছি। এখন থেকে সব বাদ,সম্পূর্ণ আল্লাহর পথে চলবো। যেই ভাবা সেই কাজ। প্রথমেই fb থেকে খুব পরিচিত আর হাতে গুনা কয়েকজন ইসলামিক ভাইয়াদের বাদ দিয়ে বাকি সব male id ডিলেট করে দিলাম। আগে fb ব্যবহার করতাম চ্যাট করতে কিন্তু এবার ইসলাম জানার কাজে লাগালাম। প্র্যাক্টেসিং বোনদের খুঁজে খুঁজে এ্যাড করা শুরু করলাম। Authentic কয়েকটি ইসলামিক fb পেইজের নাম জোগার করলাম সিহিন্তার থেকে। সেসব পেইজের পোস্ট রেগুলার পড়তাম। সিহিন্তার থেকে বই এনেও পড়তাম। বাসায় সিহিন্তার ইসলামিক বই গুলো সব খুঁজে বের করলাম। আরো বেশি জ্ঞান অর্জনের দিকে মনোযোগ দিলাম। নিজেকে অনেকটাই বদলে ফেললাম। আর তখনই আমার জীবনের আরেকটি বড় ঘটনার সূচনা হলো! আমার ফেন্ড লিস্টে একজন ছিলেন, যাকে ইসলামিক পোস্টের জন্য এ্যাড করেছিলাম আরো আগে। তবে কথা হতোনা তার সাথে। সেই ছেলে আমার স্ট্যাটাস পড়ে যখন জানতে পারলো আমি রিভার্টেড মুসলিম, সে আমাকে ম্যাসেজে একজন বয়ষ্ক মহিলার id দিলো এ্যাড করার জন্য। এবং বললো যে আমার ইসলাম পালনে সমস্যা হলে ওই মহিলার সাথে আলাপ করতে। এ্যাড করলাম উনাকে। উনার নাম ফয়জুন নাহার। খুব ভালো লাগতো উনার সাথে কথা বলতে। উনার কাছ থেকেই জানতে পারলাম উনি সৌদি আরবে থাকেন। যদিও তিনি ইউসুফের আপন মা না তবে ইউসুফ তাকে আপন মার মতোই দেখেন। তিনিও ইউসুফকে তার ছেলের মতো দেখেন। তিনি আমার থেকে আমার বাসার অবস্থা,আমার অবস্থা ইত্যাদি জেনে নিলেন ও বললেন যে তিনি আমার জন্য ছেলে দেখবেন। প্রায়ই উনার সাথে চ্যাটে কথা হতে লাগলো। আমিও আপন ভেবে উনার সাথে আমার সকল সমস্যা নিয়ে আলাপ করতাম। একদিন উনি আমার জন্য একটি বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসলেন….

 

ফয়জুন নাহার আন্টির সাথে আমার সম্পর্ক খুব ভালো ছিলো। অনেক কথাই তার সাথে শেয়ার করতাম। তো একদিন উনি আমার জন্য বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসলেন। উনি ছেলের বর্ণনা দিতে লাগলেন। কী রকম ইসলামিক মাইন্ডের,পরিবার কেমন ইত্যাদি। কিন্তু যতবার প্রশ্ন করতাম ছেলে কী করে, নাম কি, উনি কথা এড়িয়ে যেতেন। তখনই আমি সন্দেহ করি উনি ইউসুফ হোসেনের কথাই বলছে। কারণ উনি কী করেন আমি জানি। আমি উনার কথা শুনছিলাম আর হাসছিলাম মনে মনে। ইউসুফ হোসেন কেন আমাকে উনাকে এ্যাড করার জন্য ম্যাসেজ দিয়েছিলেন তা পরিষ্কার হয়ে গেলো। সেদিন উনার pc তে সমস্যা থাকায় বেশি কথা হয়নি। পরেরদিন উনি জানান যে তিনি ইউসুফের কথাই বলছিলেন। আমি আমার বিয়ের পাত্র খোঁজার দ্বায়িত্ব অপু ভাইয়াকে দিয়েছিলাম। সুতরাং আমি উনাকে বললাম ইউসুফকে বলতে উনি যেনো অপু ভাইয়ার সাথে কথা বলেন। ভাইয়ার পছন্দ হলে এরপর আমি কথা বলবো। ইউসুফ জানতোনা শরীফ আবু হায়াত আমার দুলাভাই,জানার পর তো উনি মহা খুশি। ভাইয়ার ফোন নাম্বার দিয়েছিলাম আমি ফয়জুন নাহার আন্টির কাছে। ইউসুফ ভাইয়ার সাথে কথা বলে দেখা করলেন। ভাইয়া উনাকে খুব পছন্দ করলেন। কথায় কথায় বের হয়ে গেলো উনার ছোট বেলার বন্ধু আমার চাচাতো বোনের হাসবেন্ড। ভাইয়া আমাদের সামনাসামনি দেখা করতে বললেন। এক সপ্তাহ পর ভাইয়ার বাসায় দেখা করবো ঠিক হলো। এই এক সপ্তাহে আমি ফয়জুন নাহার আন্টির কাছ থেকে উনার সম্পর্কে মোটামুটি যা জানার জেনে নিলাম। উনার মা আর বোনও আমার ছবি ও বায়োডাটা দেখে পছন্দ করলেন।

এক সপ্তাহ পর শুক্রবার জুম্মার সালাতের পর উনি আসলেন আপুর বাসায়। সাথে আমার চাচাতো বোন ও তার হাসবেন্ডও আসলো। আমার জন্য একটা বই “আদর্শ নারী” ও চকলেট নিয়ে এসেছিলেন। যখন সামনে গেলাম কথা বলতে, উনি আমাকে প্রথম প্রশ্ন করেছিলো যে আমার দৃষ্টিতে বিয়ে মানে কী! আমার মাথা তখন পুরাই ব্ল্যাঙ্ক। কোনো উত্তর না দিয়ে চুপ করে ছিলাম। আমি অনেক বেশি ইমোশনাল তা উনি আন্টির থেকে জানতে পেরেছিলেন। এরপর আমাকে ইমোশন নিয়ে কিছু লেকচার দিলেন। আমি মাথা নাড়ানো ছাড়া আর কিছুই বলিনি। এমনকি উনাকে একটা প্রশ্নও করিনি। আমার যা জানার ছিলো তা তো আগেই আন্টির থেকে জেনে নিয়েছিলাম,তাছাড় া কেনো জানি মুখে কোনো প্রশ্নও আসছিলোনা। যাই হোক আমি প্রশ্ন না করাতে উনি মনে কষ্ট পেলেন। উনার ধারণা হলো যে আমার উনাকে পছন্দ হয়নি। মন খারাপ হয়ে গেছিলো উনার। দুপুরে সিহিন্তার বাসায় খেয়ে উনারা চলে গেলেন। বিকালে অপু ভাইয়া আমাদের দুজনকেই কল করে জানতে চাইলেন আমাদের কী মত। আমরা জানালাম যে আমরা রাজি আছি। এপর্যন্ত সব ঠিক মতোই এগিয়েছে। এখন আসল পরীক্ষা শুরু। তা হলো আমার মাকে রাজি করানো! মাকে জানানোর দায়িত্য অপু ভাইয়া আর সিহিন্তা নিলো। টেনশনে আমার খাওয়া দাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে গেলো। মুসলিম হবার পর থেকে যে পরীক্ষা দেয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলাম সেই পরীক্ষার দিন এখন সামনেই। দুআ করতে লাগলাম মা বাবা যেন রাজি হয়ে যায় আর আমার বিয়েতে যেন হাসি মুখে উপস্থিত থাকেন। ইউসুফ আর আমি রাজি,ওর পরিবার রাজি,এখন আমার বাসায় জানানোর পালা। অপু ভাইয়া একদিন উনার বাসায় মা আর বাবাকে যেতে বললেন। মা বাবা যাওয়ার পর সন্ধ্যায় সিহিন্তা আর ভাইয়া উনাদের জানালেন ইউসুফের কথা। মা তো শুনেই না করে দিলো। মুসলাম ছেলের সাথে উনি কিছুতেই আমার বিয়ে দিবেন না। রাগ করেই সিহিন্তার বাসা থেকে চলে আসলো। এদিকে আমি মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। মা বাবা যে রাজি হবেনা তা তো ভালো মতোই জানতাম। এখন বাসায় এসে আমাকে ইসলাম গ্রহনের কথা জিজ্ঞেস করলে কি বলবো,কি করবো এসব ভাবছিলাম। আর দুআ করছিলাম বার বার আল্লাহ যেন সব সহজ করে দেন। আমি চাই মা বাবা বিয়েতে রাজি হয়ে খুশি মনে উপস্থিত থাকুক। তাদের না জানিয়ে বিয়ে করতে চাইনি কখনোই।

চলবে……….

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Design: About IT
x Close

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

Shares
CrestaProject