সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: ০১৭১১৫৭৬৬০৩
সর্বশেষ সংবাদ
  • সকাল ১১:২৩ | ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং , ৩রা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৭ই জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী

প্রতিকার চাওয়ার কোনো জায়গা নেই

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, রাষ্ট্র এমন এক রূপ ধারণ করেছে যেখানে অন্যায়ের প্রতিকার চাওয়ার কোনো জায়গা নেই। আইনের প্রয়োগের বদলে ক্ষমতাসীনদের বেআইনী বলপ্রয়োগের প্রতাপে জনজীবনে অরাজকতার গভীর অন্ধকার নেমে এসেছে। আওয়ামী লীগ যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন দেশের ফাঁড়া কাটবে না। অপশাসনের কলুষ থেকে মানুষের মুক্তি হবে না।

আজ সোমবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামাদ দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, মো: মুনির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, জনগণ ৩০ ডিসেম্বর ভোট দিতে পারেনি। কিন্তু ২৯ ডিসেম্বর রাতে ভোটারবিহীন ব্যালট বাক্স পূর্ণ হয়েছে। সুতরাং নির্বাচনোত্তর সরকার নিজেকে যে নামেই অভিহিত করুক, সেটি অবৈধ সরকার। এই সরকার রাতের আঁধারের ভোটের সরকার। অথচ আওয়ামী লীগ বলছে-তাদের প্রার্থীরা নাকি লাখ লাখ ভোটে বিজয়ী হয়েছে। প্রকৃত ভোটাররা এই কথায় নিজেদের অধিকার হারিয়ে বিস্ময়ে হতবাক হয়েছে। রাষ্ট্র এমন এক ভয়াবহ একদলীয় রূপ ধারণ করেছে যেখানে অন্যায়ের প্রতিকার চাওয়ার কোনো জায়গা নেই। এত বড় মহাভোট ডাকাতি ও মহাভোট জালিয়াতির নির্বাচন গোটা জাতির সামনে সংঘটিত হলো, অথচ নির্বাচন কমিশন জানালো যে, ‘নির্বাচনে কোনো অনিয়ম হয়নি’।

তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশানারসহ অন্যান্য কমিশনারদের মনে কোনো অনুশোচনা নেই। তাহলে অধিকারহারা ভোটাররা প্রতিকার কার কাছ থেকে চাইবে? সরকার ও তাদের একনিষ্ঠ অনুগ্রহভাজন নির্বাচন কমিশন ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে যে ভূমিকা রেখেছে তাতে গোটা জাতি হতাশায় নিমজ্জিত হয়েছে।

রিজভী বলেন, মানুষ আশা-ভরসা-উৎসাহ ও এগিয়ে যাওয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। অন্ধকার শ্বাসরোধী পরিবেশে মানুষকে নির্বাক করে দেশ এখন একদলীয় দুঃশাসন প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত পর্বে এসে উপনীত হয়েছে। এখানে এখন টু শব্দ করা যাবে না। গণমাধ্যমকে অন্ধকার ছায়া থেকে প্রতিনিয়ত নজরদারী করা হচ্ছে।

রিজভী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এখন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে ব্যস্ত হয়ে পড়াতে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতিশীল হয়েছে। সমাজ জীবনে শান্তি-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে।

বিএনপির শীর্ষ এই নেতা আরো বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি যেন কেউ দেখার নেই, শোনার নেই। প্রতিদিনই বাড়ছে খুন, গুম, ধর্ষণ, গণধর্ষণ, অপহরণ, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো লোমহর্ষক ও ন্যাক্কারজনক ঘটনা। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় এই যে, নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতার ঘটনা মাত্রাতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। শিশুরা অপহৃত হচ্ছে, কয়েকদিন পর তাদের লাশ পাওয়া যাচ্ছে রাস্তা-ডোবা-নালায়।

তিনি অভিযোগ করেন, যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধানের কাজে নিয়োজিত, বর্তমানে তারাই মানুষের জন্য ভীতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গতকালও সারাদেশে খুন, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িত থাকার দায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আটক করা হয়।

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে তিনি বলেন, এখনো বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে টালবাহানা চলছে। ভোট ডাকাতির মহা কেলেঙ্কারী আড়াল করতেই বেগম জিয়াকে এখনো মুক্তি দেয়া হচ্ছে না। আমরা অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি চাই। পাশাপাশি নির্বাচনকে একতরফা করার জন্য অন্যায়ভাবে আটক বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দেরও মুক্তি চাই।

এসময় তিনি দলের ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ^াস, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, লায়ন আসলাম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুল হক মিলন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মীর সরফত আলী সপু, আনিসুজ্জামান খান বাবু, সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, শহিদুল ইসলাম বাবুল, মাহবুবুল হক নান্নু, ডা. শাহাদৎ হোসেন, রফিক সিকদার, মামুনুর রশিদ মামুন, নিপুন রায় চৌধুরী, শেখ মোহাম্মাদ শামীম ও শেরপুর জেলা বিএনপির সেক্রেটারি হযরত আলী, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সেক্রেটারি মোঃ আবুল হাশেম বকর, ধানের শীষের প্রার্থী মিয়া নূর উদ্দিন অপু, মনোয়ার হোসেন, সহ দেশব্যাপী হাজার হাজার বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন রিজভী।

Play
Play
previous arrow
next arrow
Slider

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে একটি বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। এই ধারার কারণে বহু সাংবাদিককে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অনেক মামলা হয়েছে। অনেককে কারাগারেও যেতে...

চন্দনাইশ প্রতিনিধি : সদ্য সমাপ্ত ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চন্দনাইশ উপজেলা থেকে টানা তৃতীয়বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবদুল জব্বার চৌধুরী তৃতীয় মেয়াদের জন্য শপথ গ্রহণ শেষে চট্টগ্রাম থেকে চন্দনাইশে ফিরে...

previous arrow
next arrow
ArrowArrow
Slider

  ফারা মাহমুদা চৌধুরী (শিল্পী) মানবদরদী ও মানবহিতৈষি ব্যক্তিত্ব হিসেবে অতিথিদের হাত থেকে সম্মাননা পদক গ্রহণ করছেন।   ইমদাদুল হক তৈয়বঃ ‘মানুষ মানুষের জন্য’ এই নৈতিকতাবোধ থেকেই বুকে নীতি আদর্শ...

Archives

Jan0 Posts
Feb0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Nov0 Posts
L0go

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি