রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ১১:৪৫ অপরাহ্ন

দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭১১৫৭৬৬০৩
সংবাদ শিরোনামঃ
ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্তি ও ভাস্কর্য  নাছিরপুর ঈদগাহের প্রতিরক্ষা দেয়ালের নির্মাণের কাজ পরিদর্শন করেন – রাফি উদ্দিন  নারী উদ্যোক্তাদের কল্যাণে আজীবন করে যাব …রুপা আহমেদ, প্রধান অ্যাডমিন, নারী উদ্যোক্তা বাংলাদেশ   ম্যারাডোনার মরদেহ তিনদিন থাকবে প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে নাসিরনগরে মোবাইল কোটে ৬৮০০ টাকা অর্থদন্ড আদায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাদ থেকে পড়ে দুই নির্মাণ শ্রমিক হতাহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান মিয়ার ইন্তেকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ শুরু দেশের মানুষ পুলিশের খারাপ আচরণ প্রত্যাশা করেনা : ডিআইজি চট্টগ্রাম রেঞ্জ চট্টগ্রামে স্বাস্থ্য সহকারীর বদলীর প্রতিবাদে নাসিরনগরে মানববন্ধন 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসামীর ছুরিকাঘাতে দারোগা নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসামীর ছুরিকাঘাতে দারোগা নিহত

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
পুলিশের সহকারি দারোগা (এএসআই) আমির হোসেন। কর্মরত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায়। সহকর্মী পুলিশ সদস্যদের নিয়ে যান মাদক মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভূক্ত আসামী ধরতে। আসামীর ছুরিকাঘাতে জীবন গেলো এএসআই আমির হোসেনের। এসময় আহত হয়েছেন অপর একজন এএসআই।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের চান্দপুর বাজারে ঘটে বর্বরোচিত এই ঘটনা। নিহত এএসআই আমির হোসেন ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী থানার মোনতাজ আলীর পুত্র। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় কর্মরত ছিলেন।
জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে সদর থানার এএসআই আমির হোসেন (৩৫) এবং এএসআই মনি শঙ্কর চাকমা (৩৪) মাদক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আসামী সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের চান্দপুর বগাহাটি গ্রামের মুসা মিয়ার পুত্র মামুনকে ধরতে যায়। পাঘাচং এলাকার চান্দপুর মাছ বাজারে মাদক মামলার আসামী মামুনকে খোঁজ করতে থাকেন তারা। এসময় মামুন ধারালো অস্ত্র দিয়ে এএসআই আমির হোসেনের বুকে আঘাত করে পালিয়ে যায়। ধস্তাধস্তিকালে আহত হন এএসআই মনি শঙ্কর চাকমা। ঘটনার পর স্থানীয় এলাকাবাসী এগিয়ে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় ছুরিকাহত এএসআই আমির হোসেনকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার আনিসুর রহমানসহ জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা সদর হাসপাতালে ছুটে যান।
জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এ.বি.এম. মুসা চৌধুরী জানান, ‘বুকের বামপাশে ফুসফুসে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তার মৃত্যু হয়েছে।’ পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘মাদক মামলার আসামীর খোঁজ নেবার সময় তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে সে মারা যায়। এ ঘটনায় অপর একজন এএসআই আহত হয়েছেন।’

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Design: About IT
x Close

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

Shares
CrestaProject