রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ১০:০১ অপরাহ্ন

দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭১১৫৭৬৬০৩
সংবাদ শিরোনামঃ
ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্তি ও ভাস্কর্য  নাছিরপুর ঈদগাহের প্রতিরক্ষা দেয়ালের নির্মাণের কাজ পরিদর্শন করেন – রাফি উদ্দিন  নারী উদ্যোক্তাদের কল্যাণে আজীবন করে যাব …রুপা আহমেদ, প্রধান অ্যাডমিন, নারী উদ্যোক্তা বাংলাদেশ   ম্যারাডোনার মরদেহ তিনদিন থাকবে প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে নাসিরনগরে মোবাইল কোটে ৬৮০০ টাকা অর্থদন্ড আদায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাদ থেকে পড়ে দুই নির্মাণ শ্রমিক হতাহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান মিয়ার ইন্তেকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ শুরু দেশের মানুষ পুলিশের খারাপ আচরণ প্রত্যাশা করেনা : ডিআইজি চট্টগ্রাম রেঞ্জ চট্টগ্রামে স্বাস্থ্য সহকারীর বদলীর প্রতিবাদে নাসিরনগরে মানববন্ধন 
ব্লেডের মাঝখানের নকশা কেন থাকে এবং কেন এখনও অপরিবর্তিত জানেন?

ব্লেডের মাঝখানের নকশা কেন থাকে এবং কেন এখনও অপরিবর্তিত জানেন?

ব্লেডের মাঝখানের নকশা- ব্লেড, প্রায় প্রতিদিনের জন্যই সবারই বেশ প্রয়োজনীয় একটি বস্তু। আমারা কোন চিন্তা বা প্রশ্ন ছাড়াই ব্লেড ব্যবহার করে চলেছি কিন্তু ব্লেডের মাঝে যে নকশাটি থাকে সেটা কিসের জন্য এবং কেন এখন পর্যন্ত এখনও পরিবর্তন হয়নি তাকি জানেন।?

নখ কাটা, চুল ছাটা, দাড়ি কামাই ছাড়াও, সেই ছোট বেলা থেকেই আমরা ব্লেড ব্যবহার করে আসছি। কিন্তু কখনো কি এই ব্লেড নিয়ে কিছু চিন্তা করেছেন? আপনি কী জানেন ব্লেডের বিস্ময়কর বস্তু হল ব্লেডের নকশা! যে কোম্পানির ব্লেডই হোক না কেনো, লক্ষ করুন ব্লেডের ঠিক মধ্যেখানে যে নকশা, সেটা সবার ক্ষেত্রে একই রকম।

কেনো একই নকশা সকলেই তাদের তৈরি ব্লেডে ব্যবহার করে, তার কারণ সত্যিই বিস্ময়কর। এই কাহিনির সূত্রপাতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে ব্লেডের জন্ম বৃত্তান্ত। আজ থেকে এক শতাব্দীরও ঢের বেশি সময় আগের কথা। বিংশ শতাব্দীর সবে শুরু হয়েছে। ১৯০১ সালে জিলেট কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা কিং ক্যাম্প ব্লেডের নকশা তৈরি করেন।

পরে ১৯০৪ সালে তৈরি হয় ব্লেড। ততদিনে সেই নকশার পেটেন্টও পেয়ে গিয়েছেন তিনি। আশ্চর্যজনকভাবে, সেই আদি নকশা আর আজকের দিনে ব্যবহৃত নকশার মধ্যে কোনো ফারাক নেই।

সেই সময়ে রেজারের সঙ্গে ব্লেডকে সংযুক্ত করার সময়ে নাটবল্টু ব্যবহার করা হতো। সেই কারণেই ব্লেডের মধ্যে ওই নকশা তৈরি করা হতো। সেই নকশা অনুযায়ীই নাটবল্টুর সাহায্যে রেজারে আটকানো হতো ব্লেড। তখন থেকে সেই নকশাই চলে আসছে।

এখন প্রশ্ন আসতে পারে, অন্য কোম্পানিগুলো যখন ব্লেড বানানো শুরু করল, তারাই বা কেন জিলেটের নকশাটাই অনুকরণ করতে শুরু করল? আসলে সেই সময়ে রেজার নির্মাণ করত একমাত্র জিলেটই। ফলে সেই রেজারের সঙ্গে মিলিয়ে ব্লেডের নকশা বানাতে গেলে ওই নকশাই তৈরি করতে হতো।

এইভাবে সমস্ত কোম্পানিগুলো সেই একই নকশা বানাতে লাগল ব্লেডের। সেই নকশাই আজও চলেছে। শতাব্দী পেরিয়ে গেছে। আমূল বদলেছে পৃথিবী। কিন্তু সেই পুরনো পৃথিবীর চিহ্ন আজও বয়ে চলেছে ব্লেডের নকশা। এ কাহিনি সত্যিই বিস্ময়কর।

বাসর রাতে সে খুব কান্না করছিল এর পর…

বিয়ের পর যখন আমি বাসর ঘরে গেলাম। তখন আমার বউ এর মুখ থেকে শুনতে পাই সে ধর্ষিতা! কথাটা শুনে যে,কোনো ছেলের-ই কিছু সময় এর জন্য পৃথিবী টা উলটে যাবে। কিন্তু আমি একটুও অবাক হইনি।

সাধারণত বাসর রাতে সবাই তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের গল্প করে। কিন্তু আমার বউ তার ধর্ষণ হবার গল্প করেছে। আমি চাইলে তাকে ওখানেই ফিরিয়ে দিতে পারতাম। কিন্তু,সেটা করিনি কারণ,তাহলে মেয়েটা সকল পূরুষ জাতিকে জানোয়ার ভাবতো।

আমি বিচলিত হই তখন-ই। যখন জানতে পারি একটা মানুষ রুপি জানোয়ার শুধু মাত্র তার পূরুষত্বের চাহিদা মেটানোর জন্য একটা মেয়ের সত্বিত হরন করেছে। আমি সেই রাতেই ভেবে নিয়েছিলাম আমার জন্য যদি একটা মানুষ তার শেষ হয়ে যাওয়া জীবন টা নতুন করে সাজাতে পারে তাহলে দোষ কি। তাই সব হাসি মুখে বরন করে নিই।

বিয়ের সপ্তাহ খানেক পরে ওর বমি, বমি ভাব, মাথা-ব্যাথ এইসব যখন শুরু হয় তখন লও খুব ভয় পেয়ে গেছিলো। আর,কেও কিছু বুঝে ফেলার আগেই, আমি আমার লজ্জা সরমের মাথা খেয়ে এটা রটিয়ে দিই যে, আমি বিয়ের আগের ওর সাথে শারীরিক ভাবে মেলা মেশা করি। এর জন্য আমি পরিবার থেকে ত্যাগ হয়েছি।

কিন্তু, ওকে ত্যাগ করতে পারিনি। প্রতিরাত-ই ও খুব কান্না করতো যে, আমি যদি কোনো একদিন ওর পাশে না থাকি তাহলে, ওর কি হবে। then তারপর আমি ওর চোখের পানি মুছে দিয়ে বুকে জড়িয়ে বলতাম আমি আছিতো পাগলি। আর, সব সময় এভাবেই তোমার পাশে থাকবো। তখন একটু ভরসা পেতো।

একদিন ও আমাকে বলেছিলো যে, ও আমাকে ঠকানোর পরো কেনো আমি ওর সাথে বন্ধুর মতো আচরণ করি। জবাবে আমি বলেছিলাম, কেও ওকে বিশ্বাস করিয়ে ঠকিয়েছিলো সেটা ছিলো ওর নিয়তি। আর আমি সে নিয়তি কে মুছে দিতে চেয়েছি। ও সন্তান টা নষ্ট করতে চেয়েছিলো। কিন্তু but আমি না করি।

কারণ, সব কিছুই তো আমি মেনে নিয়েছি ঘর ছাড়াও হয়েছি। তাহলে,একটা নিষ্পাপ বাচ্চা কি দোষ করেছে যে, পৃথিবীর আলো দেখার আগেই তাকে বিদাই নিতে হবে।

তাই আর বাচ্চা টা নষ্ট করতে দেইনি। বিয়ের ৭ মাস পর ওর প্রসব ব্যাথা উঠে। ও এবং আমি দুজনেই জানতাম যে ওই বাচ্চা টা আমার না। তার পরো আমি সেই সময় দূরে সরে যাইনি। পাশে থেকেছি।

একজন মা ওই সময় তার সন্তান কে বাচানোর জন্য নিজের সাথে জিবন মরণ লড়াই করে। কিন্তু,নিয়তি ওকে আবারো ঠকালো। বাচ্চা জন্মনিলো ঠিকি কিন্তু মৃত! একটা মৃত সন্তান জন্ম হবার কিজে বেদনা, সেটা কেবল একজন মা-ই জানে। এর পর দেখতে দেখতে কেটে গেলো ৫ বছর।

আজো ও আর মা হতে পারেনি। সেই দিনি মাত্রিত্বের স্বাধ হারিয়েছে ও। আমি ওকে জিবনে ঠাই দেবার পর থেকে অনেক,বিপদের মুখো মুখি হয়েছি।অনেক বাধা এসেছে।অনেক কিছু ছেড়েছি।

কিন্তু,ওকে ছাড়িনি। ওর বেচে থাকার মূল খুটি টাই আমি।সারাদিন-রাত যখন,কাজ করে মৃত প্রাই সরির নিয়ে বাড়ি ফিরি। তখন,ওর মুখের একটু হাসি আমাকে শুধু শান্তিই দেয়না।

আমি আবার প্রাণ ফিরে পাই। প্রতিটা সময় ও একটা কস্টের ভিতর পড়ে থাকে। রাতে আমার বুকে মাথা রেখে কেঁদে,কেঁদে যখন,আমার জামা ভিজিয়ে ফেলে তখন আমি ওকে সাহস দেই। নতুন একটা স্বপ্ন দেখাই।

হাজারো ব্যাথা বুকে চাপা দিয়ে ওকে একটু হাসি খুশি রাখা টাই আমার নৃত্য দিনের কাজ। এভাবে ওকে ভালো রাখা টা এখন রুটিন হয়ে গেছে। এর মধ্যে মেয়েটা সুইসাইড করতেও গিয়েছিলো।

কিন্তু,পারেনি। আমি ওকে কখনো স্ত্রী মনে করিনি। নিজের দুনিয়া মনে করে সব সময় আগলে রেখছি। ওর সব আবাদার পূরন করেছি। আমি ওর সব ভুল গুলো সুদ্রে দিয়ে ওকে নতুন জীবন দান করেছি।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Design: About IT
x Close

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

Shares
CrestaProject