শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন

দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭১১৫৭৬৬০৩
সংবাদ শিরোনামঃ
দুটি আর্ন্তজাতিক স্বীকৃতি পেলেন প্রথম সারির করোনা যুদ্ধা জহিরুল হক বিল্লাল আর্ন্তজাতিক স্বীকৃতি পেলেন এড. মো: আয়ুবুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকসহ আটজন গ্রেপ্তার কর্মকর্তার অবহেলায় গৃহহীনরা পায়নি প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর!  বর্ষাকালে ত্বকের সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ গুরুদাসপুরে পীরপাল মাজার শরীফের অর্থআত্মসাত ও গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ সাবেক খাদেমের বিরুদ্ধে নাসিরনগরে ” বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি” পালিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসামীর ছুরিকাঘাতে দারোগা নিহত কেবল মাইকেই স্বাস্থ্যবিধির প্রচারণা, বাস্তবে উল্টো চিত্র! ভ্রুণ হত্যাকারী প্লাবনের গ্রেপ্তার দাবীতে নাসিরনগরে মানববন্ধন
শিশুর জন্য কারনিটিন

শিশুর জন্য কারনিটিন

ফ্যাট বা চর্বি একটি শক্তি উৎপাদনকারী খাদ্য উপাদান। এই ফ্যাট বা চর্বি কতগুলো ফ্যাটি এসিডের সমন্বয়ে গঠিত। ফ্যাট এসিডগুলো লিভার (যকৃত) এবং শরীরের অন্যান্য কোষ বা কলার মাইটোকন্ড্রিয়ায় ভেঙে মূলত শক্তি উৎপাদন করে। কিন্তু লং চেইন ফ্যাটি এসিড মাইটোকন্ড্রিয়ায় অনুপ্রবেশের জন্য কারনিটিন (বিটা হাইড্রক্সি-গামা-ট্রাই মিথাইন অ্যামোনিয়াম বিউটারেট) নামক একটি জৈব পদার্থ অত্যাবশ্যক। কারনিটিন শরীরে বিশেষ করে মাংসে প্রচুর পরিমাণ বিদ্যমান। মাইক্রোজোম ও মাইটোকন্ডিয়ার বহিঃপর্দায় লং চেইন ফ্যাট এসিড অ্যাসাইল কো-এ-তে সক্রিয় হয়। এই লং চেইন অ্যাসাইল কো-এ কারনিটিন ছাড়া মাইটোকন্ড্রিয়ায় প্রবেশ করতে পারে না। কারনিটিন অ্যাসাইন ট্রান্সফারেজ-১ নামক জারকরস কারনিটিনের অনুপ্রবেশ প্রক্রিয়াতে সাহায্য করে। ফলে এটা অ্যাসাইল কারনিটিন হিসেবে মাইক্রোকন্ড্রিয়ায় প্রবেশ করে বিটা অক্সিডেশনে যায়। ফ্যাটি এসিড ভাঙা বা জারন ক্রিয়ার জন্য যে কারনিটিন প্রয়োজন তা সাধারণত খাবার থেকে আসে। কিন্তু কোনো কৃত্রিম খাদ্যে তথ্য ফ্যাটি এসিড সংবলিত খাদ্যে প্রয়োজনীয় পরিমাণ কারনিটিন একই সঙ্গে না থাকলে সেই ফ্যাটি এসিড (ফ্যাট বা চর্বি) শরীরে তেমন কাজে আসে না। শিশুর জন্য মায়ের দুধের বিকল্প নেই। তবুও যেসব শিশু কোনো না কোনো কারণে মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত এবং পরে কৃত্রিম দুধ বা কৌটায় শিশুখাদ্য পান করে, তাদের (এক বছর বয়সের ওপর) সেই কৌটার দুধ বা শিশুখাদ্যে কারনিটিন সরবরাহ করা একান্তভাবে প্রয়োজন। বাজারে প্রচলিত কৌটার শিশুখাদ্যে পেডিয়াসিউর ছাড়া সাধারণত কারনিটিন থাকে না। কারনিটিনের অভাবে হৃৎপিন্ডের মাংসের অক্ষমতা, মাংসপেশির দুর্বলতা, অলস অলসভাব, খিঁচুনি, কর্মক্ষমতা হ্রাস, শিশুদের ধীরে দেহ বৃদ্ধি এবং বিলম্ব মানসিক বিকাশ ঘটে। যেসব কারণে কারনিটিনের অভাব ঘটার সম্ভাবনা থাকে, সেগুলো হচ্ছে- ফ্যাটি এসিড জারন ক্রিয়ার এটি, মাইটোকন্ড্রিয়াল মাইওপ্যাথি, ডায়ালাইসিস, পূর্ণতা প্রাপ্তির আগেই জন্ম নেয়া শিশু, কারনিটিন ছাড়া টিপিএন (এনএভিপি) প্রদান ইত্যাদি। সুতরাং এসব বিবেচনায় আনলে শরীরে কারনিটিনের প্রয়োজনীয়তা যে কত ব্যাপক তা সহজেই অনুমেয়।

য় সুস্বাস্থ্য ডেস্ক

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Design: About IT
x Close

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

Shares
CrestaProject