সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: ০১৭১১৫৭৬৬০৩
  • দুপুর ১২:১১ | ২৯শে মার্চ, ২০২০ ইং , ১৫ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ৫ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

সৃজন মিউজিকহারমোনিকা শিল্পী সোহমের বিশ্বরেকর্ড

 

শাহজাহান আকন্দ শুভ :

সোহম্ মুখোপাধ্যায় ওপার বাংলার একজন জনপ্রিয় হারমোনিকা শিল্পী। যিনি মুখের পাশাপাশি নাক দিয়েও হারমোনিকা বাজান। সাংস্কৃতিক পরিবারে জন্ম সোহম হারমোনিয়াম , অ্যকোর্ডিয়ান, কী-বোর্ড.. মেলোডিকা, গিটার, ঢোল, আন্দলহরী ও বাঁশি বাজাতেও পারদর্শী। শ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে হারমোনিকা, মেলোডিকা বাজাতে বাজাতেই একসময় সোহম্ মুখোপাধ্যায়ের পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে। এখন তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একজন দক্ষ হারমোনিকা শিল্পী। এ পর্যন্ত ৮টি আন্তর্জাতিক পূরুস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
সৃজনমিউজিকবিডি ডটকমের সঙ্গে আলাপচারিতায় সোহম্ মুখোপাধ্যায় তার হারমোনিকা শিল্পী হয়ে ওঠার গল্প বলেছেন।

আপনি হারমোনিকা শিল্পী হলেন কেন :

সোহম্ মুখোপাধ্যায় : বাল্যকাল থেকেই সাংস্কৃতিক বাতাবরণে বেড়ে ওঠা। বাবা সতীনাথ মুখোপাধ্যায় আবৃত্তিকার।মা পূর্ণিমা মুখোপাধ্যায় সঙ্গীতচর্চা করতেন।বাবার কাছে আবৃত্তি আর মায়ের কাছে গান শিখতে শিখতে হঠাৎ মনে হয়েছিল সুরের ব্যপ্তি দেশ কাল সীমানার ঊর্দ্ধে। কোথাও কোনো বাধা নেই। তারপর থেকেই যন্ত্রসঙ্গীতের প্রতি আকর্ষণ। হারমোনিকা এক এমন যন্ত্র যা অতি সহজেই সব জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়। যন্ত্র হতে নির্গত সুরের মিষ্টতা প্রথম থেকেই মগ্ন করে রাখত আমাকে। তাছাড়া হারমোনিকা ভীষণভাবে একাকীত্ব দূর করে। তাই শৈশবে হারমোনিকার প্রেমে পড়ার পর থেকে আর তাকে ভুলতে পারিনি।

কবে থেকে শুরু করেছেন :

সোহম্ মুখোপাধ্যায় : ১০ বছর বয়সে হাতেখড়ি।প্রসঙ্গত বলি, আমি প্রায় বে‌শ কিছু যন্ত্রসঙ্গীত বাজাতে জানি.. ( হারমোনিয়ম , অ্যকোর্ডিয়ান, কী-বোর্ড.. মেলোডিকা, গিটার, ঢোল, আন্দলহরী, বাঁশি ইত্যাদি)।

আপনার গুরু কে ..

সোহম্ মুখোপাধ্যায় : হারমোনিকায় আমার হাতেখড়ি হয় শ্রী সন্দীপন বাবুর কাছে। তারপর প্রথাগতভাবে আরো শিক্ষালাভ করি গুরু সুজয় নন্দের কাছে।এছাড়াও অনবরত শিখে চলেছি। সেদিক থেকে বলতে ল্যরি অ্যডলার, অ্যান্ড্রু ,হার্পোলির ভিডিও.. ব্রূনো মার্শ থেকে নবীনতম হারমোনিকা বাদক সবার আমি ছাত্র।

কী কী পুরুস্কার পেয়েছেন এ পর্যন্ত : 

সোহম্ মুখোপাধ্যায় : আমার একটি বিরল ক্ষমতা, তা হলো আমি শ্বাস প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে হারমোনিকা/মাউথ অরগ্যানকে ঘন্টার পর ঘণ্টা অক্লেশে বাজাতে পারি।এই বিরল শ্বাস নিয়ন্ত্রণ ও সম্পূর্ণ অন্য মাত্রায় সঙ্গীতে বিশেষ পারদর্শিতার জন্য আমি এ পর্যন্ত আটটি বিশ্বরেকর্ডে ভূষিত হয়েছি। যা আজ পর্যন্ত কারও নেই। এমনকী সম্প্রতি গত ২২ ফেব্রুয়ারি , মেলোডিকা নামে একটি যন্ত্র নাক দিয়ে বাজানোর জন্য অতি সম্প্রতি আমার আরো একটা বিশ্বরেকর্ড হয়েছে। নাক দিয়ে হারমোনিকা /মাউথ অরগ্যান বাজানোর মতো প্রক্রিয়া সর্বো প্রথম আবিষ্কার করার জন্য ইউ আর এফ রেকর্ড ফোরাম আমাকে “ফাদার অফ নোসমোনিকা (নোস হারমোনিকা) এই সম্মানে ভূষিত করেছে। সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশের অন্যতম সেরা পুরষ্কার.. “ভারত শিরোমণি আন্তর্জাতিক পুরস্কার “পেয়েছি।এছাড়াও বেশ কিছু গুণি মানুষের প্রশংসা।এগুলো আমার কাছে পুরষ্কার।যেমন MTV এর একটা অনুষ্ঠানে Benny dayal এর আমার সুর শুনে বিহ্বল হয়ে যাওয়া, মাননীয় শ্রী প্রতুল মুখোপাধ্যায়.. যিনি “আমি বাংলায় গান গাই ..আমি বাংলার গান গাই ” এই গানটি লিখে এবং সুর দিয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে আছেন।সেই জীবন্ত কিংবদন্তির কাছ থেকে আশীর্বাদ আমার চলার পথে পাথেয়। খুব ভালো লাগে তিনি যখন আমার মাউথ অরগ্যানে গানটি শুনতে চান।এসব আমার কাছে পুরষ্কারের থেকে কম কিছু নয়। পরম পাওয়া।

হারমোনিকা নিয়ে আপনার স্বপ্ন কী :

সোহম্ মুখোপাধ্যায় : স্বপ্ন অনেক.. সফল হলে জানাব.. স্বপ্নগুলোকে বাস্তব পটভূমিতে যদি আনতে পারি… তখন অবশ্যই আবার মুখোমুখি বসার জন্য অপেক্ষমান হবো।

সোহম্ মুখোপাধ্যায়

সোহম্ মুখোপাধ্যায়

হারমনিকা বাজাতে গিয়ে আপনি কারও অনুসরণ করেন কিনা : 

সোহম্ মুখোপাধ্যায় : না.. যেহেতু ঘরানা/ প্রক্রিয়াটা আমার সৃষ্টি.. তাই কখনো অনুসরণ করিনি। আমার গান ,সুর আমার নিজস্ব স্বকীয়তা ধরে রেখে এগিয়ে চলেছে। তবে সেটা মূল সুরকে অমর্যাদা দান করে কখনই নয়।
সোহম্ মুখোপাধ্যায় সৃজনমিউজিকবিডিকে জানান, বাংলাদেশি শ্রোতা-দর্শকের জন্য তার প্রবল ইচ্ছা অনুষ্ঠান করার। সুযোগ পেলে বাংলাদেশে গিয়েও পারফর্ম করবেন বলে জানান সোহম্ মুখোপাধ্যায়।

Play
Play
previous arrow
next arrow
Slider

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে একটি বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। এই ধারার কারণে বহু সাংবাদিককে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অনেক মামলা হয়েছে। অনেককে কারাগারেও যেতে...

    ১৭ই মার্চ, ১৯২০ সালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শেখ লুৎফুর রহমান এবং সায়রা বেগমের ঘরে জন্ম নেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। গোপালগঞ্জ...

previous arrow
next arrow
ArrowArrow
Slider

  …..ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী নেসারুল হক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বরাট জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন   জীবনের ক্ষুধা, তৃষ্ণা ছাড়াও, মানুষ এক কাল্পনিক জগতের চাহিদায় যেন সদা ব্যাকুল। কল্পনা যখন বাস্তবে শিল্পসম্মতভাবে প্রকাশ পায় তখন...

Archives

Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
Jan0 Posts
Feb0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Nov0 Posts
L0go

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি