সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: ০১৭১১৫৭৬৬০৩
সর্বশেষ সংবাদ
  • সকাল ১১:১৯ | ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং , ৩রা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৭ই জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী

Monthly Archive :সেপ্টেম্বর ২০১৮

বিশ্ব ইজতেমায় লাখো মুসল্লির জুমার নামাজ আদায়

দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে। আজ শুক্রবার কয়েক লাখ মুসল্লি এক জামাতে শরিক হয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন।
জুমার নামাজে অংশ নিতে ইজতেমায় যোগদানকারী মুসল্লি ছাড়াও রাজধানী ঢাকা, গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকার লাখো লাখো মুসল্লি ইজতেমাস্থলে হাজির হন। ভোর থেকেই মুসল্লিদের ঢল নামে ইজতেমা ময়দান অভিমুখে। এছাড়াও আশপাশের জেলা থেকে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি এ বৃহৎ জুমার নামাজে শরিক হন। জুমার নামাজে অংশ নিতে আগে থেকেই অনেকে টঙ্গী ও আশপাশের এলাকায় আত্মীয়স্বজনের বাসায় অবস্থান নিয়েছেন।
বৃহত্তর এই জুমার নামাজের ইমামতি করেন বাংলাদেশের হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ ফারুক। ইজতেমা মাঠে জায়গা না পেয়ে আশপাশের খোলা জায়গাসহ মুসল্লিরা কামারপাড়া সড়ক ও অলিগলিসহ এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যে যেখানে পেরেছেন হোগলা পাটি, চটের বস্তা, খবরের কাগজ বিছিয়ে নামাজ আদায় করেন। এর আগে র‌্যাব-পুলিশের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শুক্রবার বাদ ফজর ভারতের মাওলানা ওবায়দুল খোরশেদের আম বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। তিনি উর্দূতে আম বয়ান করেন তার বয়ান বাংলায় তরজমা করেন বাংলাদেশের মাওলানা জাকির হোসেন।
তিন দিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপে ঢাকাসহ দেশের ১৬ জেলার মুসল্লিরা অংশ নিচ্ছেন। মুসল্লিরা জেলাওয়ারি নিজ নিজ খিত্তায় অবস্থান নিয়েছেন। আগামী ১৫ জানুয়ারি প্রথম ধাপের আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

মাজারগুলো ইসলাম প্রচারের কেন্দ্র হতে পারে

মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ: সম্প্রতি আমার সিলেট ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকেই আমার মনে হয়েছে এ মাজারগুলো দাওয়াতের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু সক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ কম তা নয়। তবে, চ্যালেঞ্জগুলো উত্তোরণ করা সম্ভব। হ্যাঁ, আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি। কিন্তু যুক্তির বিচার সবার জন্য উন্মুক্ত।

সমসাময়িক পরিস্থিতিতে একথা বলা যেতে পারে যে বাংলাদেশ তথা বিশ্বের সকল মাজারগুলো ইসলামী দাওয়াতের, প্রচার প্রসারের ফলপ্রসু কেন্দ্র হতে পারে। কিন্ত তা হবে বিশেষ কিছু শর্ত সাপেক্ষে। মাজার সম্পর্কে প্রচলিত তর্ক-বিতর্কই বরং ইসলাম ও প্রকৃত মুসলিমদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে উঠেছে প্রতিনিয়ত।

আমার পি.এইচ.ডি থিসিস লেখার সময় একটি ফিল্ডওয়ার্ক ছিল। সেখানে ৫৫৬ জনের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরণের প্রশ্নের উত্তর সংগ্রহ করেছিলাম। সেখানে মানুষের মাজারে যাওয়ার পরিমাণ, উদ্দেশ্যও ছিল। সেখানে আমরা দেখেছিলাম বাংলাদেশের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ কোন না কোন কারণে পিরের কাছে এবং মাজারে যান। সেখানে তাদের উদ্দেশ্যের ভিন্নতা অবশ্যই আছে কখনও তা শরয়ী দৃষ্টিতে নিন্দনীয়, কখনও তা গ্রহণীয়। তাই শুধু শুধু কোন কিছুর মধ্যে খারাপ কিছু না খুজে বরং তাতেও কল্যাণের বিষয়গুলোকে খুজে বের করে তা কাজে লাগাতে পারলেও বরং সফলতা আশা করা যায়।

আসল কথায় আসি। সিলেট শহরের প্রায় প্রতিটি মাজারেই আমি গিয়েছিলাম। হযরত শাহাজালাল (র.), হযরত শাহ পরাণ (র.), হযরত বুরহান উদ্দীন (র.), হযরত  সৈয়দ চাষনী পীর (র.), হাজী গাজী শাহ মিরাজী (র.) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। হযরত শাহ জালাল (র.) ও হযরত শাহ পরাণ (র.) এর মাজারেই বেশি ভিড় লক্ষ্য করলাম। তবে, আশ্চার্য হয়েছিলাম হযরত সৈয়দ চাষণী পীর (র.) এর নামকরণ নিয়ে। তিনি হযরত শাহ জালাল (র.)-এর সফর সঙ্গী ছিলেন যিনি চুষে মাটি পরীক্ষা করতেন এবং সিলেটের মাটির সাথে তাদের আনিত মাটির সাথে মিল খুজে পান বলেই হযরত শাহ জালাল (র.) সখানে আস্তানা নির্ধারণ করেন এবং দ্বীন প্রচারের জন্য আত্মনিয়োগ করেন।

ইসলাম প্রচার ও প্রসারে হযরত শাহ জালাল (র.) এর অবদান শিক্ষিত মহল মোটামুটি অবহিত। তার অবদানকে অস্বীকার করে বাংলাদেশ তথা পূর্ববাংলায় ইসলামের ইতিহাস লেখা সম্ভব নয়। সত্যিকার অর্থে ইসলামকে প্রচারের নিমিত্ত্বে তিনি সব ধরনের উপায় অবলম্বন করেছেন। যুদ্ধ করেছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ইসলাম ও মুসলিমদেরকে নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করেছে তাদের বিরুদ্ধে, মসজিদ, মাদ্রাসা স্থাপন করেছেন। শীর্ষদেরকেও নির্দেশ দিয়েছেন অশিক্ষিত এই জনগোষ্টিকে ইসলামের শিক্ষা দেয়ার জন্য। তারাও তাঁর নির্দেশমত ছড়িয়ে ছিটিয়ে গেছেন বিভিন্ন প্রান্তরে। কত মানুষই তাদের দাওয়াতকে কবুল করে আল্লাহর ইচ্ছায় ঈমানের স্বাদ নিয়েছেন। অথচ সেই তাদেরকে নিয়েই শিরক্, কুফর, বিদা’আত বিস্তার ঘটছে এটা খুবই দুঃখজনক। কিন্তু দূঃখ প্রকাশ করে তা থেকে বাঁচার উপায় বের করা যাবে না বরং পরিস্থিতিরি উত্তোরণের উপায় বের করা জরুরি। যেহেতু অসংখ্য মানুষ এসব মাজার কেন্দ্রিক ঘুরাফেরা করে কিংবা সেখানে যায় তাদের মধ্যে প্রকৃত ইসলামের দাওয়াত পৌছানো খুবই সহজ হবে যদি নিন্মোক্ত কার্যগুলো সম্পাদন করা যায়:

ক্স       দেখুন কবরের কাছে যেয়ে তাদের মাগফিরাত কামনা করা দোষের নয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজে জান্নাতুল বাকীতে আল্লাহর নির্দেশে গভীর রাতে কবরবাসীদের জন্য দু’আ করতেন। আর তাই এসব জায়গায় সঠিক আক্বিদার ও জ্ঞানী-প-িত লোকদের যাতায়াত বেশি করা দরকার। যাতে করে সেখানে মোমবাতি জ্বালানো আর শিরনী খাওয়ার লোকের সংখ্যায় কমে যায়। তাতে করে আসল উদ্দেশ্য কবর জিয়ারত ও কবরবাসীদের জন্য মাগফেরাত কামনা করার লোকের সংখ্যা বেড়ে যায়। তাদের দেখাদেখি নিশ্চয়ই মোমবাতি জ্বালানো, মাজারে সিজদা ও চুমু খাওয়া, মানত করার লোকের অভ্যাসে পরিবর্তন আসবে। কারণ, যখন তারা দখবে অধিকাংশ লোকেরা এটা করে না তখন তারাও নিজেদেরকে নিবৃত্ত রাখতে সচেষ্ট হবে, ইনশাআল্লাহ। উদাহরণ স্বরুপ বলা যায়, পঞ্চাশ জন লোক যদি হযরত শাহ জালালের মাজারের চার পাশে না দাড়িয়ে শুধুমাত্র পূর্ব পাশে দাড়িয়ে কেবলা মুখি হয়ে আল্লাহর কাছে তাঁর মাগফেরাতের জন্য দু’আ করে আর সেখানে আগত অন্যান্যরা যখন দেখবে যে মাজারের অন্যান্য পাশে জায়গা থাকা সত্ত্বেও কেন এই লোকগুলো একপাশে দাড়াবে তখন নিশ্চয় এ নিয়ে জানতে চাইবে। এ সুযোগেই তাদের মাঝে ইসলামের শিক্ষাটা তুলে ধরা যাবে।

ক্স       হযরত শাহ জালাল (র.) সহ অন্যান্য পীর-মাশায়েখদের সত্যিকার উদ্দেশ্য, কর্মপদ্ধতি, কার্যবিবরণীসমূহ তার অনুসারীদের মাঝে তুলে ধরার ব্যবস্থা করা। আমি দেখেছি দু’আর সময় পর্যায়ক্রমে যখন হযরত শাহ জালাল (র.), শাহ পরাণের (র.) নাম উচ্চরণ করা হয় তখন ভক্তগণ আবেগে কেঁদে ফেলেন। দূঃখজনক হলেও সত্য রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নাম উল্লেখের পরে তাদের মাঝে এতটা আবেগ লক্ষ্য করা যায় না। অথচ, তারা কিন্তু সেই রাসূলুল্লাহ (সা.) ও আল্লাহকে ভালবাসে বলেও হযরত শাহ জালাল (র.), শাহ পরান (র.) এর জন্য আবেগে আপ্লুত হয়। সুতরাং তাদের শিক্ষাগুলো যদি সত্যিকার অর্থে এসব ভক্তগণের কাছে তুলে ধরা যায় তখন তারা সহজেই তা গ্রহণ করতে চাইবে।

ক্স       অজ্ঞতার দূরিকরণে জ্ঞানের আলো ছড়ানোর কোন বিকল্প নেই। এসব মাজারে আগত লোকদের অধিকাংশ স্বল্প শিক্ষিত বা অশিক্ষিত। বিশেষ করে ইসলমী জ্ঞানের ক্ষেত্রে। তাছাড়া ছিন্নমূল, ফকির-মিসকিনতো আছেই। অথচ এদের সংখ্যা মোটেও অবহেলা করার মত নয়। এসব মাজারের পরিচালকরাও সত্যিকার অর্থে সুফিজম, আধ্যাতিকতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নন। অনেক কষ্ট করে আমি শাহ জালাল (র.)-এর মাজারের মুতাওয়াল্লির সাথে সাক্ষাত করেছিলাম। জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিত অল্পবয়সী এ ব্যক্তিটি বংশ পরস্পরায় মহৎ এ দায়িত্বটি পেয়েছেন। জিজ্ঞাসা করলাম শাহ জালাল (র.) এর শিক্ষা, আদর্শ, দাওয়াতের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, কার্যাবিধি ও পদ্ধতি, তাঁর স্বপ্নকে ভবিষ্যত ভক্তদের কাছে তুলে ধরার কোন ব্যবস্থা আপনাদের আছে কিনা বা নিবেন কিনা। উত্তরে তিনি যা বললেন তা খুবই দূঃখজনক। তিনি বললেন, আমাদের এরকম কোন ইচ্ছা নেই। মাজার হলো পাগল, অনাথদের জায়গা। তাদের দুবেলা খেতে দিতে পারাই আমাদের একমাত্র কাজ। আর এটাই হলো সত্যিকার অর্থে সুফিজম। বিষয়টা হাস্যকর নয় কি?

পরিশেষে একটা কথা বলব, কোন জিনিসকে বা বিষয়কে খারাপ বললেই তা থেকে মানুষ বিরত থাকবে না। কথায় কথায় শিরক্, বিদ’আত, কুফুরি বললেই মানুষ সেগুলো থেকে ফিরে আসবে না বরং তার বিকল্প দিতে হবে তাদের। আর সেগুলো হবে অত্যন্ত হিকমতপূর্ণ। অন্য আরো একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে, রাতারাতি সবকিছুই সমাধান করা সম্ভব নয়। ধারাবাহিকতা রক্ষা করে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছুতে হলে অপেক্ষা করতে হবে। সংস্কারের রূপ হবে তাই স্বচ্ছ ও পরিকল্পনামাফিক।

লেখকবিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগবেষক  প্রাবন্ধিক।

মাথা ব্যথা ও তার প্রতিকার

প্রফেসর আলতাফ হোসেন সরকার:
মাথা ব্যথা আমাদের সমাজের অন্যতম একটি অসুস্থতা। প্রায় শতকরা ১৮ ভাগ লোক মাথা ব্যথায় ভুগে থাকেন। অনেক সময় বলা হয়, মাথা যার আছে ব্যথা তার হবে। কিন্তু এই ব্যথা থেকে আমরা সবাই সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে মুক্ত হতে চাই। আর সেজন্যই আজকের এই ছোট্ট লেখা। সুপ্রিয় পাঠক, আজকে আবারও আমি লিখতে বসেছি কিভাবে আপনি আপনার মাথা ব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন।

মিস নিশাত, বয়স ২১ বছর। থাকেন ঢাকা শহরের মান্ডাতে। গত তিন বছর যাবৎ মাথা ব্যথায় ভুগছেন। মাথার উপরিভাগে ব্যথা হয়। মাথা হালকা হালকা মনে হয় আবার ভারী ভারীও মনে হয়, বমি বমি লাগে, চোখে ব্যথা হয়। মাংস পেশি দূর্বল। ঘাড়ের বাম দিকের মাংশ পেশীতে চাপ দিলে ব্যথা পায়। বাম দিকে সালাম ফিরালে মাথা সম্পূর্ণ ঘুড়াতে পারে না। মাথার পিছন দিকে সুপিরিওর এবং ইনপিরিওর অক্সিপিটো-নিউকিয়াল লাইনের মাঝে চাপ দিলে ব্যথা পায়। অর্থাৎ মাথার পিছন দিকে যে হালকা উঁচু অংশ আছে, সেখানে চাপ দিলে ব্যথা হয়। মাথা ব্যথা এমন একটি রোগ যা কোন কোন রোগের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। মিস নিশাত অনেক পরীক্ষা ও চিকিৎসা করেছেন কিন্তু ব্যথার যন্ত্রণা এখনও বয়ে বেড়াচ্ছেন। মাথার এক্স-রে, সিটিস্ক্যান ও এমআরআই করেছেন এবং রিপোর্ট-এ বলা হয়েছে, কোন  অসুবিধা নেই। অসুবিধা না থাকারই কথা। কারণ অসুস্থতা থাকে ঘাড়ে কষ্ট পায় মাথায়।

মাথা ব্যথার কারণ অনেক। আমরা যে সমস্ত মাথা ব্যথায় ভুগে থাকি তার মধ্যে- সার্ভিকো জেনিক হেডেক, ইনফ্লামেশন হেডেক, ট্রাকশন হেডেক, ভাস্কুলার হেডেক এবং টেনশন হেডেক। সাধরণত মাথা ব্যথায় ভুগেন ১৮% লোক। এই ১৮%এর মধ্যে ১৪% লোক সার্ভিকো জেনিক হেডেক-এ ভুগেন। আমি যে মাথা ব্যথার চিকিৎসা করি এবং যে মাথা ব্যথার সম্পর্কে এখানে লিখছি- সে মাথা ব্যথার নাম সার্ভিকো জেনিক হেডেক। অর্থাৎ ব্যথা হয় মাথায় কিন্তু ব্যথার উৎপত্তি ঘাড় থেকে। ঘাড়ের উপরিভাগে অর্থাৎ সি-১-২-৩ লেভেলে কষ্ট থাকে কিন্তু আমরা কষ্ট পাই মাথায়। ঘাড়ের এই অংশে যে সমস্ত স্ট্রাকচারে কষ্ট হলে মাথা ব্যথা হয় তা হলো- মাসেল, লিগামেন্ট, জয়েন্ট, ডুরামেটার, ডিস্ক এবং ভার্টিব্রাল আর্টারি। এছাড়াও অন্যান্য কারণেও মাথা ব্যথা হতে পারে। সার্ভিকো জেনিক হেডেক যে কোন বয়সে হতে পারে তবে সাধারণত ২০-৬০ বছরের লোক এই মাথা ব্যথায় বেশি ভোগেন।

মিস নিশাতের জন্য ফিজিওথেরপি চিকিৎসার অন্যতম মোডালিটি- লো লেভেল লেজার থেরাপিসহ প্রয়োজনীয় মোডালিটিস ব্যবহার করতে হবে। ঘাড়ের সফট টিস্যু মোবালাইজেশন মাথা ব্যথা কমাতে খুবই সাহায্যে করে। তারপর তার মাসেল কন্ট্রোল ও মাসেলের এন্ডিওরেন্স এক্সারসাইজ করতে হবে। ঘাড়ের রিপিটেড রিট্রাকশন করতে হবে। এছাড়াও স্ট্রেসিং, স্ট্রেন্দেনিং ও ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়াতে হবে। অবশ্যই মনে রাখতে হবে ঘাড়ের সকল মুভমেন্টগুলো যেন সঠিক হয়। সর্বোপরি মিস নিশাতের পোশ্চার করেকশন করতে হবে। মিস নিশাতকে উক্ত চিকিৎসা করলে তার মাথা ব্যথা চলে যাবে।

প্রিয় পাঠক, আমি মনে করি ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা সাভিকো জেনিক মাথা ব্যথার রোগীদের জন্য অবশ্যই প্রথম পছন্দ হওয়া উচিৎ। আমার এই ছোট লেখার মাধ্যেমে ধারণা দিতে চেষ্টা করেছি যে, আপনার যদি সার্ভিকো জেনিক হেডেক বা মাথা ব্যথা হয় তাহলে আপনি কি ধরনের চিকিৎসা করবেন। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, আমার চিকিৎসা অন্যান্যদের চেয়ে সর্বাধুনিক এবং উন্নতর। আপনার সার্ভিকো জেনিক হেডেক বা মাথা ব্যথার জন্য আপনার ঘাড়ের উপরি ভাগের যতœ নিন, ঘাড়ের মবিলিটি সঠিক রাখুন এবং মাংস শক্তিশালী রাখুন। মাথা ব্যথার কষ্ট দূরীভুত করে সুস্থ জীবন-যাপন করুন।

ব্যাকপেইন বিশেষজ্ঞ

লেজার ফিজিওথেরাপি সেন্টার

পান্থপথ, ঢাকা।

০১৭৬৫ ৬৬ ৮৮ ৪৬,    ০১৭৮৫ ৯৯ ৯৯ ৭৭

http://www.facebook.com/ProfAltafSarker

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে একমুঠ কাঠবাদাম

চিকিৎসা-বিজ্ঞানে ‘ভালো কোলেস্টেরল’কে বলা হয়- ‘হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন বাএইচডিএল কোলেস্টেরল’। আর ‘খারাপ কোলেস্টেরল’কে বলা হয় ‘লো ডেনসিটিলাইপোপ্রোটিন বা এলডিএল কোলেস্টের’।

ধমনীসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গা থেকে কোলেস্টেরল সংগ্রহ করে শরীর থেকে বের করে দিতেসাহায্য করে কাঠবাদাম। আর এই কাজটা করে ’এলডিএল কোলেস্টেরল’য়ের কার্যক্ষমতাবাড়িয়ে।

পেনসালভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি’র অধ্যাপক পেনি ক্রিস-ইথারটন বলেন, “এইচডিএলযখন রক্তপ্রবাহে ছাড়া পায় তখন খুবই ছোট আকারে থাকে। তারপর যকৃতে গিয়ে জমা হয়েভেঙে পড়ার আগে কোষ ও ত্বক থেকে কোলেস্টেরল সংগ্রহ করতে করতে বড় হতে থাকে,এবং এর আকার হয় গোলাকার।”

কী পরিমাণ কোলেস্টেরল সংগ্রহ করতে পারে সেটার উপর ভিত্তি করে এইচডিএলকোলেস্টেরল পাঁচটি ‘সাবপপুলেশন’য়ে ভাগ করা হয়। যেগুলোর আকার অনুসারে ছোটথেকে বড় হিসেবে সাজানো। সব থেকে ছোট পরিমাপ ‘প্রি-বেটা-ওয়ান’ এবং সব থেকে বড়হচ্ছে ‘এ-ওয়ান’।

‘নিউট্রিশন’ জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণাপত্রে জানানো হয়, পর্যবেক্ষণের জন্য জন্য ছয়সপ্তাহ ধরে দুটি গবেষণা চালানো হয়। একদল মানুষকে প্রতিদিন ৪৩ গ্রাম অর্থাৎ প্রায় একমুঠকাঠবাদাম খেতে দেওয়া হয়। আরেক দলকে দেওয়া হয় কলা দিয়ে তৈরি মাফিন।

ফলাফলে দেখা গেছে, কাঠবাদাম খাওয়ার ফলে ‘এ-ওয়ান এইচডিএল’ বেড়েছে ১৯ শতাংশ।পাশাপাশি এইচডিএল’য়ের কার্যকারিতা বাড়িয়েছে ৬.৪ শতাংশ। অর্থাৎ সার্বিকভাবেহৃদসংক্রান্ত রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমিয়েছে।

গবেষকরা আরও বলেন, “হৃদসংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি পুরোপুরি নির্মূল করতে না পরলেও, নাস্তাহিসেবে কাঠবাদাম হতে পারে সঠিক পছন্দ। কারণ এই বাদাম ভালো চর্বি, ভিটামিন ই এবংআঁশের ভালো উৎস।”

ক্রিস-ইথারটন আরও বলেন, “কাঠবাদাম কোনো প্রতিষেধক নয়। তবে পরিমাণ মতো গ্রহণ,বিশেষ করে অল্প পুষ্টিকর খাবারের পরিবর্তে খাওয়ার জন্য এই বাদামকে স্বাস্থ্যকর খাবার বলাহয়।”

শাহজালালে আমদানি নিষিদ্ধ ২০০ কার্টন সিগারেট জব্দ

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আমদানি নিষিদ্ধ ২০০ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। তৈয়বুর রহমান ও ফিরদাউস আহমেদ নামে আরব আমিরাত থেকে আসা দুই যাত্রীর কাছ থেকে মঙ্গলবার সকালে এসব সিগারেট জব্দ করেন শুল্ক গোয়েন্দারা।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক মইনুল খান পরিবর্তন মানবজীবন 24ডটকমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, আটক দুই যাত্রী মঙ্গলবার ভোরে এয়ার এরাবিয়ার একটি ফ্লাইটে শারজাহ থেকে ঢাকায় আসেন। বিমানবন্দরের ছয় নম্বর বেল্টের সামনে দুই যাত্রীর আচরণ সন্দেহজনক হলে তাদের লাগেজ তল্লাশি করা হয়। লাগেজ তল্লাশি করে ২০০ কার্টন সিগারেট জব্দ করা হয়। জব্দ সিগারেটের মধ্যে ৩৫০০০ লন্ডনের বেনসন ব্র্যান্ডের এবং লন্ডনের অন্যান্য ৫৫৫ ব্যান্ডের ৫০০০ শলাকা। পণ্যের শুল্ক করসহ আটক পণ্যের মূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা।

ড. মইনুল খান আরো জানান, আমদানি নীতি আদেশ অনুযায়ী সিগারেটের প্যাকেটে বাংলায় ধূমপানবিরোধী সতর্কীকরণ লেখা ছাড়া বিদেশি সিগারেট আমদানি করা যায় না। বিদেশি সিগারেটের ওপর ৪৫০ ভাগ শুল্ক দিতে হয়। এই শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার জন্য এসব সিগারেট আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জব্দ সিগারেটের বিষয়ে শুল্ক আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ধর্ষণ মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান রিমান্ডে

 

বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হামিদুল ইসলাম নাগবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিল্টন সিদ্দিকীকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক আনয়ারুল ইসলাম জানান, গত রোববার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আসামি মিল্টনকে আদালতে হাজির করেন। বুধবার শুনানি শেষে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।

এক গৃহবধূকে ধর্ষণ মামলায় গত শনিবার সন্ধ্যায় মিল্টন সিদ্দিকী গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত ১৪ মার্চ ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে মিল্টনসহ দুইজনকে আসামি করে এ মামলা করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, এলেঙ্গা রিসোর্টে নিয়ে গত ১৪ মার্চ মিল্টন ওই গৃহবধূকে ধর্ষণের পর মহাসড়কের পাশে ফেলে পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে ওই গৃহবধূর পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেদিন রাতেই মামলা করেন ওই গৃহবধূ। পরে মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

প্রথমবারের মতো নারীদের নিয়ে হ্যাকাথন

বাংলাদেশে প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ন্যাশনাল হ্যাকাথন ফর উইমেন-২০১৭’। আগামী ১০-১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে যৌথভাবে এই হ্যাকাথন আয়োজন করছে আইসিটি মন্ত্রণালয় ও ‘উইমেন ইন ডিজিটাল বাংলাদেশ’।

বর্তমানে বাংলাদেশের আইসিটি খাতে নারীদের অবদান উল্লেখযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও দেশের সকল প্রান্তের নারীদের একই সাথে আইসিটির অঙ্গনে যুক্ত করার জন্য এখন পর্যন্ত কোন আয়োজন করা হয়ে ওঠেনি।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৭০০ নারী ইতোমধ্যেই অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করে ফেলেছেন। ৩৬ ঘণ্টা ব্যাপী এই আয়োজনে নারীরা ভিন্ন ভিন্ন ৯ টি ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানকে বাস্তবায়নের প্রতিযোগিতায় মেতে উঠবেন। ৯ টি খাতের বিজয়ীদের জন্য মোট ২৭ টি পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বাঙালী নারীর সৃজনশীলতাকে প্রোগ্রামিং ও উদ্ভাবনের কাজে লাগানোর এই উৎসবের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশে আরো একটি নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আয়োজক প্রতিষ্ঠান।
আয়োজনকে সামনে রেখে একটি অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা তাদের প্রোফাইল পিকচারের সঙ্গে হ্যাকাথনের লোগো যোগ করতে পারবেন।  http://app.breakbite.com/wh/ এই লিংকে ব্যবহারকারীরা প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করতে পারবেন।

ইন্টারনেটে ব্যালেন্স কাটা সবচেয়ে বড় জোচ্চুরি

জিয়া হাসান:

‘বাংলাদেশের টেলিকম অপারেটরদের বড় একটা জোচ্চুরির জায়গা হলো ইন্টারনেট ব্যালেন্স শেষ হওয়ার পর অটো রিনিউ না করে অস্বাভাবিক রেটে মোবাইলের ব্যালেন্স থেকে ক্রেডিট কেটে নেয়া। এই জোচ্চুরির ফাঁদে পড়ে বিগত এক বছরে গ্রামীণফোনকে আমি কত টাকা অতিরিক্ত দিয়েছি, আল্লাহই জানে। এই ফাঁদ থেকে বের হতে রবির একটা সিম নিয়েছি, সেখানেও খুব সুক্ষ্ম কিছু ছলনা রয়েছে, যেগুলোও সমস্যাপূর্ণ মনে হচ্ছে।’

মূল সমস্যা হলো, টেলিকম অপারেটররা ইন্টেরনেট ব্যালেন্স শেষ হওয়ার পর লাইনটিকে বন্ধ না করে অস্বাভাবিক মূল্যে ব্যালেন্স (প্যাকেজ বহির্ভূত) থেকে মেগাবাইট প্রতি রেটে টাকা কাটতে থাকে, যেটি অনেক সময়ে খেয়াল করা যায় না।

মনে করেন, আপনি ফোন থেকে ওয়াই ফাই হট স্পট চালাচ্ছেন। ইন্টারনেটের ব্যালেন্স শেষ হয়ে যাওয়ার পরে মোবাইলের ম্যাসেজে যে নটিফিকেশন আসে সেটি অনেক সময় দেখা হয় না বা কিছু ডাউনলোড দিয়ে দূরে চলে গেছেন। কিন্তু এসে দেখলেন ডাউনলোড হতে গিয়ে ইন্টারনেট ব্যালান্স শেষ হওয়ার পরও আপনার ক্রেডিট থেকে ২ হাজার টাকা কেটে নিয়েছে।

আমি অত্যন্ত ভুলোমনা মানুষ এবং একটা টেকনিক্যাল কারণে পোস্ট পেইডের বিল আমার কাছে আসে না। ফলে এই ব্যালেন্স শেষ হয়ে যাওয়ার পর, গ্রামীণ আমার পোস্ট পেইড প্যাকেজ থেকে গত দুই বছরে বিশাল অঙ্কের টাকা কেটে নিয়েছে। আমি বুঝতেই পারিনি। কারণ বিলের কাগজটি আমার হাতে আসতো না।

কয়েক মাস আগে এটি নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার পরে, সেই স্ট্যাটাসটি অনেক শেয়ার হয়। তারপর গ্রামীণের কাস্টমার সার্ভিস থেকে আমার সাথে যোগাযোগ করা হয়। তারা জানায় যে তারা এই পলিসিটা রিভিউ করছে। এবং তার কিছু দিন পরে তারা জানায়,আগামীতে তারা আনলিমিটেড কাটবে না, একটি নির্দিষ্ট টাকা পর্যন্ত কাটবে। কিন্ত আমার ধারনা এটি ঠিকমত কার্যকর হয়নি। কারণ তারপরেও গ্রামীণফোন ইন্টারনেটে সামান্য ভুল করলেও এমবির জন্য অনেক টাকা কেটে নিচ্ছে।

আমি এই সময়ে, গ্রামীণ ছেড়ে শুধু মাত্র ইন্টারনেটের জন্যে রবি সিম ব্যবহার করি। রবির খুব ভালো একটা প্যাকেজ আছে, ৩০ টাকায় ৫০০ এমবি একদিন। এটি অনেক ভেতরে, সহজে মানুষ দেখে না। ব্যয়বহুল প্যাকেজগুলো সামনে আসে শুধু।

এটি ঠিক তারা ৮০% এবং শেষ হওয়ার পর নোটিফিকেশন পাঠায় কিন্তু, অনেক সময়ে আমি সেলফোন দিয়ে হটস্পট নেট করে পিসিতে ইন্টেরনেট ব্যবহার করি। ফলে ম্যাসেজ সব সময়ে দেখা যায় না।আমার কথা হলো, ইন্টারনেট শেষ, কানেকশান কেটে দিবে।  অনুমতি ছাড়া ক্রেডিট কাটবে কেন ?

যদি অনুমতি ছাড়া ক্রেডিট কাটার অপশনে কাস্টমারের ডিমান্ড চায় তবে সেটার অপশানটাতো দিতে হবে। যার যেটা লাগে, সে সেই অপশন ব্যবহার করবে।

অটো রিনিউ করবে কিনা, এমন একটা অপশন আছে, কিন্ত এটা রবি, গ্রামীণ কোনটাতেই কাজ করে না। অতিরিক্ত হারে এমবি রেটে কাটতে থাকে। এই অটো রিনিউ দেয়ার কী মানে? এই অপশনটা দুই নেটওয়ার্কেই প্রতারণার কাজে ব্যবহার হচ্ছে। এতো মহব্বতের দরকার নাই। ব্ল্যালেন্স শেষ লাইন কেটে দাও। লাগলে আবার নিবো।

এই বিষয়ে ভোক্তা অভিযোগ কেন্দ্রে কেউ অভিযোগ করতে পারেন, আমার সময় থাকলে আমি করতাম কিন্ত সেই সুযোগ নেই।

কোনোআইনজীবী  রিটের কথাও ভাবতে পারেন। জাস্ট লুজ একটা নিয়ম করে, ভোক্তাদেরকে কোন অপশন না দিয়ে প্যাচে ফেলে কোটি কোটি টাকা মেরে নেয়া হচ্ছে। এবং ভোক্তারা প্রতারণার শিকার হচ্ছে। এটা বন্ধ হওয়া দরকার।– লেখক: ব্লগার এন্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাক্টিভিস্ট

অনুষ্ঠিত হলো পার্বত্য লোকজ মেলা

বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর মনোমুগ্ধকর নাচে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ষষ্ঠ ‘কিউট-চ্যানেল আই পার্বত্য লোকজ মেলা’। গতকাল ৭ জানুয়ারি বিকেল নৈসর্গিক বৈচিত্র্যের বান্দরবানে মেলার উদ্বোধন পর্বে উপস্থিত ছিলেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, পরিচালক ও বার্তাপ্রধান শাইখ সিরাজ, পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা।
আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য লক্ষ্মীপদ দাস, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুল আবছার প্রমুখ। বান্দরবান জেলা পরিষদের সহযোগিতায় বান্দরবনে এটি তৃতীয় আয়োজন। মেলার সমন্বয়ক আবদুর রহমান।
আয়োজকরা জানান-  ভিন্ন ভিন্ন মানুষের ঐতিহ্যের ও সংস্কৃতি নিয়ে সবাই মিলে-মিশে থাকা এটি শুধু বাংলাদেশে দেখা যায়। এই সম্পর্ক আর কোনো দেশে পাওয়া বিরল। তাই চ্যানেল আই কখনো পাবর্ত্য নৃ-গোষ্ঠীরদের ভুলে যায় না। প্রতিবছর তাদের ভালোবেসে তাদের মনে রেখে সারাদিনব্যাপী তাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে মিলে যায়। বাংলাদেশের নৃ-গোষ্ঠীদের আনন্দ ও তাদের সংস্কৃতি তুলে ধরে বিশ্বের কাছে।
মেলায় অংশ নিয়েছে পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর চাকমা, মারমা, ত্রিপুরাসহ ১৬টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। মেলায় ছিলো হাতে তৈরি তাঁত বস্ত্র, অলংকার, বাঁশ-বেতসহ হস্তশিল্পের ৪০টি দোকান।
মেলা সরাসরি সম্প্রচার করে চ্যানেল আই।এবােরর প্রিয়দর্শিনী নির্বাচিত হয়েছেন মারমা চিং মৌ। পরে প্রিয়দর্শিনী চিত্রনায়ক ফেরদৌসের সাথে একটি নাচে অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফারজানা ব্রাউনিয়া।

ঈদের টেলিফিল্মে মিলন ও নিপূণ

বিনোদন রিপোর্ট: এস এ হক অলিকের রচনায় ও নির্দেশনায় ‘প্রেমের ঘুনপোকা’ নামের টেলিফিল্মে জুটি হয়ে অভিনয় করেছেন আনিসুর রহমান মিলন ও চিত্রনায়িকা নিপুণ। সম্প্রতি টেলিফিল্মটির শূটিং শেষ হয়েছে। গল্পের বিষয়বস্তু প্রসঙ্গে এস এ হক অলিক বলেন, ‘দু’জনের প্রেমের সম্পর্কের মধ্যে তৃতীয় কোন পক্ষ হস্তক্ষেপ করলে যে যন্ত্রণা তৈরী হয় সেটা ভালো নয়। তাই প্রেমের মধ্যে ঘুনপোকা তৈরীর আগেই যেন সেই ঘুনপোকা তৈরী হতে না পারে সেদিকে দৃষ্টি রাখা উচিত।’ আনিসুর রহমান মিলন বলেন, ‘অলিকের নির্দেশনায় এর আগেও আমি আর নিপূণ অভিনয় করেছি। নিপূণের সঙ্গে অন্য পরিচালকের নির্দেশনাতেও কাজ করেছি। যে কারণে তার সঙ্গে কাজের বোঝাপড়াটা চমৎকার। নিপূণ চরিত্রের গভীরে প্রবেশ করে অভিনয় করতে পারেন। এটা একজন শিল্পীর জন্য খুব জরুরী।’ নিপূণ বলেন, ‘মিলন ভাই আমার খুব ভালো একজন সহশিল্পী। তারসঙ্গে কাজ করাটা সবসময়ই আমার কাছে আনন্দের। তিনি উঁচু মাপের একজন অভিনেতা। অলিক ভাইয়ের নির্দেশনায় নতুন এ টেলিফিল্মটির গল্প চমৎকার। তাছাড়া অলিক ভাই সবসময়ই ভালো গল্প নিয়ে নির্মাণ করেন। নির্মাতা হিসেবে বেশ বিচক্ষণ একজন নির্মাতা।’ উল্লেখ্য, গত ঈদে মিলন ও নিপূণ সকাল আহমেদ’র নির্দেশনায় ‘অভিনেত্রী’ নাটকে অভিনয় করেছিলেন। এদিকে নিপূণ এরইমধ্যে শেষ করেছেন উত্তম আকাশের নির্দেশনায় ‘ধূসর কুয়শা’ চলচ্চিত্রের কাজ। আসছে ঈদে আনিসুর রহমান মিলনকে দেখা যাবে চয়নিকা চৌধুরী, সকাল আহমেদ, সুমন আনোয়ার, গোলাম সোহরাব দোদুল, হিমেল আশরাফ, সেতু আরিফ’সহ আরো বেশ ক’জন নির্মাতার নাটকে।

Play
Play
previous arrow
next arrow
Slider

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে একটি বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। এই ধারার কারণে বহু সাংবাদিককে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অনেক মামলা হয়েছে। অনেককে কারাগারেও যেতে...

চন্দনাইশ প্রতিনিধি : সদ্য সমাপ্ত ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চন্দনাইশ উপজেলা থেকে টানা তৃতীয়বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবদুল জব্বার চৌধুরী তৃতীয় মেয়াদের জন্য শপথ গ্রহণ শেষে চট্টগ্রাম থেকে চন্দনাইশে ফিরে...

previous arrow
next arrow
ArrowArrow
Slider

  ফারা মাহমুদা চৌধুরী (শিল্পী) মানবদরদী ও মানবহিতৈষি ব্যক্তিত্ব হিসেবে অতিথিদের হাত থেকে সম্মাননা পদক গ্রহণ করছেন।   ইমদাদুল হক তৈয়বঃ ‘মানুষ মানুষের জন্য’ এই নৈতিকতাবোধ থেকেই বুকে নীতি আদর্শ...

Archives

Jan0 Posts
Feb0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Nov0 Posts
L0go

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি