সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: ০১৭১১৫৭৬৬০৩

Monthly Archive :ফেব্রুয়ারি ২০১৯

শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ

 মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ্ নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া থেকে: লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট  lgsp-3 এর অর্থায়নে নবীনগর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়ন কর্তৃক বাস্তবায়িত ২০১৭ -২০১৮ অর্থবছরের বরাদ্দ ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 192 জন শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বৃহস্পতিবার দুপুরে স্কুল মাঠে বিতরণ করেছে।
 উক্ত অনুষ্ঠানে নবীনগর উপজেলার  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুম, প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মোঃ শাহিন সরকার চেয়ারম্যান শিবপুর ইউপি। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিবপুর ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আলমগীর মোল্লা, অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি চন্দ্র কুমার সরকার, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সামসুল ইসলাম খোরশিদ,  কবির আহমেদ, ডাক্তার মোহাম্মদ শাহজাহান,  ইউপি সদস্য মুক্তা আক্তার, অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারি  শিক্ষকবৃন্দ, অত্র বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ,
 অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন মোঃ খোকন মিয়া ও মাহবুবুল আলম।
উক্ত অনুষ্ঠানটি শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কাজী তাজউদ্দীন আহমদ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠান শেষে  নূরনগর অনলাইন সাংবাদিক ফোরাম  কার্যালয়ে, নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার  মোঃ মাসুম, সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করলেন।

জীবন রক্ষায় গুলি চালাতে বাধ্য হয় বিজিবি

ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুরে ভারতীয় গরু জব্দ করা নিয়ে সংঘর্ষের সময় বিজিবি’র গুলিতে হতাহতের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছে বিজিবি ঠাকুরগাঁও- ৫০ ব্যাটালিয়ন। সংবাদ সম্মেলনে বিজিবির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, জীবন রক্ষায় তারা গুলি চালাতে বাধ্য হয়।

মঙ্গলবার রাতে বিজিবি’র ‘লেজার ক্যান্টিনে’সংবাদ সম্মেলনে গ্রামবাসীর সাথে সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনার বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান ৫০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল তুহিন মো. মাসুদ।

তিনি বলেন, ‘চোরাকারবারীরা’ পরিকল্পনামূলক জব্দকৃত গরু বিজিবির কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এসময় ধারালো দেশিয় অস্ত্র নিয়ে বিজিবির সদস্যদের ওপর ‘চোরাকারবারিরা’ হামলা করলে নিজেদের জীবন রক্ষার্থে গুলি চালাতে বাধ্য হয় বিজিবি। যার কারণে হতাহতের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে বিজিবির পাঁচ সদস্য আহত হয় বলেও জানানো হয়।

ঠাকুরগাঁও-৫০ বিজিবির অধিনায়ক আরও বলেন, উক্ত ঘটনায় ইন্ধনদাতাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে বিচারের ব্যবস্থা করা হবে।

এদিকে মঙ্গলাবার গ্রামবাসী-বিজিবির সংঘর্ষের ঘটনায় হরিপুর উপজেলার বেতনা সীমান্তের বহরমপুর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিজিবি সদস্যেদের বিচার দাবি করেছেন নিহতদের পরিবার ও এলাকাবাসী।

ঘটনা তদন্তে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) নূর কুতুবুল আলমকে প্রধান করেন তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, বহরমপুর গ্রামের এক ব্যক্তি কয়েক মাস আগে তার কেনা একটি গরু নিয়ে মঙ্গলবার যাদুরানীহাটে যাচ্ছিলেন। ওই গরু পাচার করে আনা হয়েছে সন্দেহে বেতনা ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা তা জব্দ করে। গরুটি বিজিবি’র কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়ার সময় এলাকাবাসীর সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ চলাকালে বিজিবি প্রায় অর্ধশত গুলি ছোড়ে।  এ ঘটনায় প্রথমে চারজন নিহত হওয়ার কথা দাবি করলেও পরে তিনজনের নিহতের খবর নিশ্চিত করা হয়। গুলিবিদ্ধ হয় কমপক্ষে ১৫ জন।

বহরমপুর গ্রামের সিরাজুল ও রহমত জানান, বিজিবি কিছুদিন ধরেই এলাকায় অভিযান চালানোর নামে নিরীহ মানুষের গবাদি পশু ধরে নিয়ে ক্যাম্পে নিয়ে যাচ্ছিল। পরে টাকার বিনিময়ে তা ছেড়ে দেয়। বিজিবি সদস্যরা ইচ্ছে করেই গুলি করে মানুষ মেরেছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।

ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল তুহিন মাসুদ বলেন, ওইগুলো ভারতীয় গরু। সংঘবদ্ধ  ‘চোরাকারবারীরা’ কোনো এক সময় এগুলো নিয়ে এসেছিল। তারা বাজারে নিয়ে যাওয়ার সময় সীমান্তের দুই কিলোমিটার ভেতরে আমাদের টহল দল তাদের ধরে ফেলে। গরুগুলি বিওপিতে (ফাঁড়ি) নেয়ার সময় কয়েকশ মানুষ সংঘবদ্ধভাবে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। আমরা প্রথমে ঠেকানোর চেষ্টা করেছি। তাতে আমাদের অস্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় বিজিবি গুলি করতে বাধ্য হয়।

এদিকে জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি তদন্ত  সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দেন।

সহিংসতা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হরিপুর থানার ওসি  মো. আমিরুজ্জামান। – ইউএনবি

আপনারা একমাত্র প্রজাতন্ত্রের এবং সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা কমিশনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেছেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে আপনারা একমাত্র প্রজাতন্ত্রের এবং সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ। কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির কাছে নন।

বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে উপজেলা নির্বাচনের রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ব্রিফিং অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

কেএম নুরুল হুদা বলেন, যারা উপজেলা পরিচালনা করবেন, সাংবিধানিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় নেতৃত্ব নির্বাচিত করার ক্ষেত্রে আপনাদের দক্ষ পরিচালনার ওপর নির্ভর করবে যে- কিভাবে সে নির্বাচন পরিচালিত হবে এবং কিভাবে তারা নির্বাচিত হবেন।

সিইসি বলেন, সমন্বয়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরাতো দূরে থাকবো। জেলা, উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা, রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার, পোলিং অফিসার, সংযুক্ত থাকবেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা এবং অংশগ্রহণ করবেন যারা প্রতিনিধিত্ব করতে চাইবেন, সেই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ভোটার। যাদের ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। আপনারা এসব লোকের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবেন। এরা আপনাদের প্রতি তাকিয়ে আছে- সুষ্ঠু, সুন্দর, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পরিচালনা করবেন এই প্রত্যাশায়।

‘মনে রাখতে হবে আপনাদের দক্ষতার ওপরে, পারদর্শিতার ওপরে, নিরপেক্ষতার ওপরে নির্ভর করে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। আমি আশা করি কখনো কারও প্রতি কোনো রকমের দুর্বলতা আপনাদের থাকবে না। কোনো পক্ষপাতিত্ব থাকবে না। পুরোপুরি নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিতে নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে আপনারা একমাত্র প্রজাতন্ত্রের এবং সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ। কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির কাছে দায়বদ্ধ নন। কারও প্রতি কোনো রকমের দুর্বলতা, অনুরাগ, বিরাগ- কোনো কিছু আপনাদের থাকবে না। কেবল নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার জন্য যতটুকু করার দরকার ততটুকু আপনাদের করতে হবে।’

কেএম নুরুল হুদা বলেন, যদি কোথাও কোনো অনিয়ম হয়, প্রিজাইডিং অফিসারের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত হয়ে যায়, প্রিজাইডিং অফিসার যদি সিদ্ধান্ত দেন যে, তার পক্ষে নির্বাচন পরিচালনা করা সম্ভব নয়, তখন রিটার্নিং অফিসার পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করে দিতে পারবেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা যদি মনে করেন যে নির্বাচন তার নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত, তাহলে তিনি কমিশনে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়ার জন্য সুপারিশ করবেন। কমিশনের কাছে তার যুক্তি যথাযথ মনে হলে সেই উপজেলার নির্বাচনই বন্ধ করে দেওয়ার ক্ষমতা থাকবে।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে চার নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৯ বছর পর মধুর ক্যান্টিনে

দীর্ঘ নয় বছর পর ছাত্র রাজনীতির আঁতুড়ঘর খ্যাত মধুর ক্যান্টিনে বসেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে মধুর ক্যান্টিনে প্রবেশ করেছে তারা। গতকাল বুধবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ২০-২৫ জন নেতাকর্মী মধুর ক্যান্টিনে প্রবেশ করেন। এ সময় ছাত্রলীগের পক্ষ হতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন তাদের স্বাগত জানান। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মধুর ক্যান্টিনের ভেতরে উত্তর-পূর্ব কোণে বসেছেন। তাদের দক্ষিণ পাশে ছাত্রলীগ ও পশ্চিম পাশে বাম সমর্থিত সংগঠনের নেতাকর্মীরা বসেছেন।
মধুর ক্যানটিনে তখন ছিলেন ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী, সহসভাপতি তুহিন কান্তি, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাশেদ শাহরিয়ার ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রগতি বর্মণ তমা। তাদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দুই শীর্ষ নেতা। এরপর কয়েকটি টেবিল একসঙ্গে করে নেতা-কর্মীদের নিয়ে মধুর ক্যানটিনে বসেন তারা। এ সময় তাদের তিন দিক থেকে ঘিরে বিরতিহীনভাবে স্লোগান দিতে থাকেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। বেলা ১১টা ২০ মিনিটে মধুর ক্যানটিনে যান ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান। আর ১২টার দিকে যান কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিব আহসান। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের চার শীর্ষ নেতাকে উদ্দেশ করে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ‘অছাত্রদের আস্তানা, ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘ক্যাম্পাসে রাজনীতি, ছাত্ররাই করবে’, ‘বয়স যাদের পঁয়তাল্লিশ, ক্যাম্পাসে কেন ঘুরিস?’ ইত্যাদি বলে স্লোগান দিতে থাকেন।
ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরাও ‘খালেদা জিয়া, জিয়া খালেদা’ বলে পাল্টা স্লোগান দেন। একপর্যায়ে ছাত্রদলের এক নেতা ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ করে ‘আমাদের ক্যাম্পাস, আমরাই থাকব’ বলে স্লোগান দিতে গেলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান তাঁকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, ‘চুপ করে বসে চা খাও।’ সব ছাত্র সংগঠনের অবস্থানের কারণে দীর্ঘ ৯ বছর পর আবারো চাঙা মধুর ক্যান্টিন। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জানান, ডাকসু নির্বাচনের সর্বশেষ পরিস্থিতি ও তাদের অবস্থান জানাতেই মধুর ক্যানটিনে তারা এসেছে।
এর আগে ৭ ফেব্রুয়ারি প্রায় নয় বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মিছিল করে ছাত্রদল। ওইদিন সকালে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের (ভিসি) কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। ভিসি বরাবর স্মারকলিপি দিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে তারা মিছিল বের করেন। ওইদিনের মিছিলে কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।
সর্বশেষ ২০১৭ সালের অগাস্টে ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে বাম ছাত্র সংগঠনগুলোর ডাকা উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিতে মধুর ক্যান্টিনে আসার পথে ছাত্রলীগের ধাওয়ায় ফিরে যেতে হয়েছিল ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার সমর্থক সংগঠন ছাত্রলীগের দাপটে ছাত্রদল কোনঠাসা হয়ে পড়তে থাকে। ২০১০ সালের ১৮ জানুয়ারি ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল বের করলে ছাত্রলীগের হামলার মুখে পড়ে। পরের বছর একবার মিছিল করার চেষ্টা করলে পুলিশ নেতাকর্মীদের সরিয়ে দেয়।
আগামী ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, এ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার শেষ সময় ২ মার্চ; যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হবে ৩ মার্চ। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ৫ মার্চ।
ডাকসু নির্বাচনের সর্বশেষ পরিস্থিতি ও তাদের অবস্থান জানাতে গতকাল মধুর ক্যানটিনে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছাত্রদল। ডাকসু নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নির্মাণে নির্বাচন তিন মাস পিছিয়ে দেওয়া, হলের পরিবর্তে একাডেমিক ভবনে ভোটকেন্দ্র করাসহ যে সাত দফা দাবিতে তারা উপাচার্যকে স্মারকলিপি দিয়েছিল, সেগুলোই পুনর্ব্যক্ত করে সংগঠনটি। এ ছাড়া ডাকসু নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল বাতিল করে পুনঃ তফসিল দাবি করে ছাত্রদল।
সাংবাদিক সম্মেলন করে ছাত্রদলের সাত দফা দাবি তুলে ধরেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিব আহসান। সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, আজ থেকে তাদের নতুন যাত্রা শুরু হলো। এখন থেকে ক্যাম্পাসে তাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে। আর রাজিব আহসান বলেন, তাদের দাবি মানতে তারা প্রশাসনকে বাধ্য করার চেষ্টা করবেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আন্তরিকতা দেখেই তারা সিদ্ধান্ত নেবেন নির্বাচনে যাবেন কি না।
ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার বলেন, মধুর ক্যানটিন আমাদের আবেগের জায়গা। অনেক দিন পর এখানে এলাম। প্রতিপক্ষের কাছ থেকে কিছুটা সহযোগিতার মনোভাব আমরা পেয়েছি। তবে আমাদের প্রতি যেসব আক্রমণাত্মক বক্তব্য তারা রেখেছেন, সেগুলো না হলে আরও ভালো হতো। এখন থেকে আমরা নিয়মিত ক্যাম্পাসে, মধুর ক্যানটিনে আসব।

হুমকির মুখে গড়াই সেতু

ফরিদপুর ও মাগুরা জেলার সীমানায় নদীর মাঝ থেকে অবাধে বালু চুরির মহোৎসব চলছে। সরকারি বালু মহালের নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে ইজারাদারের লোকেরা গড়াই সেতুর পিলারের অদূরে স্ক্যাবেটর ও ট্রাক লাগিয়ে তুলে নিচ্ছে বিপুল পরিমাণ বালু। এতে হুমকির মুখে পড়েছে গড়াই সেতুসহ সংলগ্ন নদী তীরবর্তী এলাকা ও সড়ক।

সরেজমিনে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের মচলন্দপুর বালুমহাল এবং ডুমাইন ইউনিয়নের ডুমাইন বালুমহাল ঘুরে দেখা যায়, মধুমতি নদীর উজান ও ভাটিতে উভয় পাড় থেকেই দিন-রাত বিরতিহীনভাবে বালু কেটে নেয়া হচ্ছে।

দুই জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় বালু মহালের নির্ধারিত এলাকা ছাড়িয়ে অনেক বাইরে গিয়ে মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়নের রাজধরপুর গ্রমের সীমানায় ঢুকে পড়েছে বালু তোলার মেশিন।

ফলে রাজধরপুরে মধুমতির তীরে অবস্থিত ৪৮ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন টাওয়ার যা মাগুরার সাথে জাতীয় গ্রীডে ফরিদপুরকে সংযুক্ত করেছে যে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন, সেটিও হুমকির মুখে পড়েছে। পাশাপাশি ঢাকা বিভাগের সাথে খুলনা বিভাগের অন্যতম সংযোগস্থল জনগুরুত্বপূর্ণ গড়াই সেতুর কয়েকটি পিলারও রয়েছে হুমকিতে।

অপরদিকে মচলন্দপুর বালুমহাল থেকে অব্যাহতভাবে বালু উত্তোলন করায় নদীর অপর পাড়ের বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের বাড়ি যাওয়ার একমাত্র সড়কটিও ভাঙনের কবলে রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড গত কয়েক বছর সড়কটিতে অস্থায়ী মেরামত কাজ করলেও নদীতে ড্রেজার লাগিয়ে বালু উত্তোলন করায় সেই অস্থায়ী সংস্কার কাজও ও টেকানো যাচ্ছে না।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব বিভাগ সূত্র  জানায়, চলতি অর্থবছরে ডুমাইন বালুমহালের ২ দশমিক ৪৩ একর জায়গা ১১ লাখ টাকায় এবং মচলন্দপুর বালুমহালের ৩১ একর জায়গা ৩১ লাখ টাকায় ইজারা দেয়া হয় মাগুরা জেলার জৈনক আলীয়ার রহমানকে।

এ প্রসঙ্গে ইজারাদার আলীয়ার রহমান বলেন, ডুমাইন বালুমহালে বেশির ভাগই মাটি, সেখানে বালু নেই বললেই চলে। সেজন্য মাগুরা জেলা প্রশাসন থেকে ইজারা নিয়ে রাজধরপুর থেকে বালু তোলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এই বালু তোলায় বিদ্যুতের টাওয়ার বা ব্রীজের পিলার ক্ষতি হচ্ছে না। অপরদিকে মচলন্দপুর বালু মহাল সম্পর্কে এই ইজারাদার বলেন, বালু তোলায় নদীর অপর পাড়ের রাস্তা ক্ষতি হচ্ছে এটা ঠিক, কিন্তু এটা জেনেও ফরিদপুরের প্রশাসন কেন প্রতিবছর এটি ইজারা দিচ্ছে উল্টো প্রশ্ন তোলেন তিনি।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া বলেন, সরকারি বালুমহাল দুটির নির্ধারিত সীমানার বাইরে যত্রতত্র থেকে বলু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।- ইউএনবি

গণতন্ত্র রক্ষায় ট্রাম্প প্রশাসনকে পদক্ষেপ নেবার আহ্বান

বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন কংগ্রেসের ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটি।

দেশটির গণতন্ত্রের ‘নেতিবাচক গতি’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে গত ১১ই ফেব্রুয়ারি ঐ কমিটির সদস্যরা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও -র কাছে এ বিষয়ে একটি চিঠি লিখেছেন।

সেখানে গত বছরের ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগগুলোকে কংগ্রেসের সদস্যরা ‘গণতন্ত্রের জন্য হুমকি’ বলেও অভিহিত করেছেন।

ঐ চিঠিতে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশে গণতন্ত্রের নেতিবাচক গতি নিয়ে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ আছে।”

“ইন্দো-প্রশান্ত অঞ্চলে গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মানবাধিকার নিশ্চিত করা মার্কিন স্বার্থেই জরুরী; এবং বাংলাদেশে নির্বাচনে অনিয়মের যে অভিযোগ আসছে, তা ঐসব স্বার্থের জন্য বিরাট হুমকি।”

চিঠিতে বাংলাদেশে গণতন্ত্র চর্চার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে উল্লেখ করে নির্বাচনের সময় “সংঘর্ষ, গণ গ্রেপ্তার এবং বাক-স্বাধীনতার ওপরে হামলার” ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র হতাশা প্রকাশ করেছে।

নির্বাচনের ফলাফল তুলে ধরে চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, “সরকার দ্বারা নিয়োগকৃত নির্বাচন কমিশন সংসদ নির্বাচনকে বৈধ ঘোষণা করলেও আমরা (মার্কিন কংগ্রেস) বিশ্বাস করি অনিয়মের যেসব অভিযোগ উঠেছে তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।”

সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্টের বরাত দিয়ে ভোট গ্রহণ শুরুর আগেই কিছু জায়গায় ব্যালট বাক্স পূর্ণ দেখতে পাবার ঘটনা, আওয়ামী লীগের ভোটকেন্দ্র দখলসহ বেশ কিছু অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে।

নকিয়ার দুইটি মডেলের স্মার্টফোনের দাম কমেছে

বাংলাদেশের মোবাইল ফোন বাজারে নকিয়ার দুইটি মডেলের স্মার্টফোন সেটের দাম কমেছে। সেট দুটি হলো নকিয়া ২ এবং নকিয়া ৬। এর মধ্যে নকিয়া ২ এর দাম কমেছে দুই হাজার একশ টাকা এবং নকিয়া ৬ পূর্বের চেয়ে সাত হাজার টাকা কমে কেনা যাবে।

এইচএমডি গ্লোবাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নকিয়া ২ এর দাম পূর্বে ছিল ৯ হাজার ৬০০ টাকা। এখন তা পাওয়া যাবে মাত্র ৭ হাজার ৪৯৯ টাকায়। নকিয়ার এই ফোনটির ৫ ইঞ্চির পর্দা এলটিপিএস এলসিডি প্যানেল দ্বারা নির্মিত। এতে করে ব্যবহারকারীরা দিনে বা রাতে নিঁখুত রঙের উজ্জ্বল ও ঝকঝকে ছবি দেখতে পাবেন।

ফোনটির প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে এর ৪১০০ এমএএইচের শক্তিশালী ব্যাটারি যা কিনা টানা দুইদিন সেটটিকে সচল রাখতে সক্ষম। অ্যালুমিনিয়ামের মূল বডির ফোনটির পেছনে আছে ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, সামনের ক্যামেরাটি ৫ মেগাপিক্সেল। মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে রম ১২৮ জিবি পর্যন্ত বর্ধন করা যাবে। পাশাপাশি থাকছে গুগল ফোটোজে আনলিমিটেড ফটো স্টোর করার সুবিধা। ফোনটির ১.৩ গিগাহার্টজ সিপিইউকে প্রয়োজনীয় গতি প্রদান করছে ১ জিবি র‌্যাম। ফোনটিতে যুগপৎভাবে দুটি ৪জি এলটিই সিম ব্যবহার করা যাবে।

নকিয়া ৬ এর দাম ছিল ২২ হাজার ৫০০ টাকা, মূল্যহ্রাসের পর ফোনসেটটির দাম ১৫৫০০ টাকা নির্ধারণ করেছে এইচএমডি গ্লোবাল কর্তৃপক্ষ। আ্যান্ড্রোয়েড ওরিও ৮.১ অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা পরিচালিত শক্তিশালী। নকিয়া ৬ সেটে হালের প্রায় সকল সফ্টওয়্যার, গেম ইনস্টল করতে পারবেন। সংস্করণ ভেদে সেটটিতে ৩/৪ জিবি র‌্যাম এবং ৩২/৬৪ জিবি রম আছে।

মাইক্রো এসডির মাধ্যমে রম ১২৮ জিবি পর্যন্ত বর্ধনযোগ্য। ৫.৫ ইঞ্চির এফএইচডি আইপিএস পর্দার জন্য কড়া রৌদ্রের আলোতে বা স্বল্প আলোতেও স্পষ্ট ছবি দেখতে পাবেন ব্যবহারকারীরা। নকিয়া ৬ এর অন্যতম আকর্ষণ এর পেছনের ১৬ মেগাপিক্সেল পিএডিএফ ক্যামেরা ও ডলবি এটিএমওএস প্রযুক্তির দ্বৈত স্পিকার। পেছনের ক্যামারাটি সচল বস্তুর নিঁখুত ছবি তুলতে বিশেষভাবে কার্যকরী। ফোনসেটটির ৩০০০ এমএএইচ ব্যাটারি অত্যন্ত কার্যকর, আরো থাকছে দুটি ৪জি এলটিই সিম ব্যবহারের সুযোগ।

আগামী মাসের ভেতর নকিয়া ৬ আ্যান্ড্রোইড ৯ পাই অপারেটিং সিস্টেমে আপগ্রেডেড হবে। এতে করে গ্রাহকেরা গ্রহণযোগ্য দামে আ্যান্ড্রোইডের সর্বশেষ সংস্করণটি ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। দেশের বর্তমান বাজারে এই মূল্যে আর কোন স্মার্টফোনে পাই অপারেটিং সিস্টেম নেই।

‘ভ্যালেন্টাইন’ যেন এক আত্মচিৎকার

একটি ঘটনা আমূল বদলে দিয়েছে পরিবারটাকে, সঙ্গে গোটা জেলা সদরের পরিবেশও। অন্ধকার সেই রাস্তায় এখন আলো জ্বলেছে। বিশাল একটি থানা ভেঙে চারটি থানা হয়েছে। কমেছে অপরাধ। তবু আট বছর পরেও ‘ভ্যালেন্টাইন’ শব্দটা শুনলেই কেঁপে ওঠেন তিনি। আঁতকে ওঠে মহল্লা।

২০১১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি। কলকাতা থেকে ট্রেনে বারাসত স্টেশনে নেমেছিলেন রিঙ্কু দাস। দিদিকে সাইকেলে বসিয়ে অন্ধকার পথ ধরে বাড়ি ফিরছিল রাজীব। মত্ত দুষ্কৃতীরা ভাই-বোনকে ভেবেছিল প্রেমিক-প্রেমিকা। এর পরেই শুরু করেছিল অসভ্যতা। দিদির সম্ভ্রম বাঁচাতে গিয়ে ওই রাতেই হাতে খুন হয় সে বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী রাজীব দাস। ২০১৫ সালে আর এক ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র আগের দিন রাজীব খুনের ঘটনায় তিন অপরাধীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় বারাসত আদালত।

বুধবার বারাসতের গেঞ্জিমিলের বাড়িতে বসে ‘ভ্যালেন্টাইন’ শব্দটা শুনেই দু’কানে হাত চাপা দেন রিঙ্কু। কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘ও যে আমার ভাই, হাতে পায়ে ধরেও সে দিন কিছুতেই বোঝাতে পারিনি।’ ঘটনার পর থেকে ৫-৬ বছর বাড়ি থেকে বিশেষ বেরোতেন না রিঙ্কু। এখন নবম শ্রেণিতে পড়ে তাঁর মেয়ে। তাকে পড়াতে নিয়ে যাওয়ার জন্য বেরোতে হয়। রাত ৯টা নাগাদ মেয়েকে নিয়ে ফেরেন। বললেন, ‘এখন আর রাস্তাঘাটে সে সব সমস্যা নেই। আলো জ্বলেছে। সে দিনও এমন থাকলে ভাইটা কত বড় হয়ে যেত!’

সে বারই মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল রাজীবের। সেই রাতে বাড়ি ফেরার পথে শহরের যে-এলাকায় বিভিন্ন জেলা সদর অফিস, সেই রাস্তাতেই তিন মত্ত যুবক তাঁদের থামায়। রিঙ্কুকে উত্ত্যক্ত করতে থাকে, গায়ে মদ ঢেলে দেয়। রাজীব রুখে দাঁড়ানোয় তাকে পেটাতে থাকে। চিৎকার করে সাহায্য চেয়ে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের বাংলো সংলগ্ন পুলিশ কর্তার বাংলোর গেট ধরে ঝাঁকাতে থাকেন রিঙ্কু। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেন না। দুষ্কৃতীরা কুপিয়ে খুন করে রাজীবকে।

সেই ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা রাজ্য। তার পরেও একের পর এক নারী নিগ্রহ, ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটতেই থাকে বারাসতে। কামদুনির গণধর্ষণ নিয়ে ফের গোটা দেশ উত্তাল হওয়ার পরে বারাসত থানা ভাগ করে মধ্যমগ্রাম, শাসন, দত্তপুকুর থানা করা হয়। যেখানে রাজীব খুন হয়েছিল তার চারদিকে আলো লাগিয়ে শুরু হয় পুলিশি টহলদারি।

পরিসংখ্যান বলছে, পরপর ঘটে যাওয়া সে সব অপরাধ যে এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। শেষ এক বছরে বারাসত থানায় ইভটিজিং নিয়ে একটি অভিযোগ হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ‘‘অভিযুক্তকে সঙ্গে সঙ্গে ধরাও হয়েছে।

জার্মানির পথে প্রধানমন্ত্রী

ছয়দিনের সফরে জার্মানি ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ সকাল ৮টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-০০১ ভিভিআইপি ফ্লাইটে সরাসরি জার্মানির উদ্দেশ্যে রওনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ১৫-১৭ ফেব্রুয়ারি ৫৫তম মিউনিক নিরাপত্তা কাউন্সিলের বৈঠকে অংশ নিতে জার্মানি যাবেন। সেখান থেকে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করবেন।

বুধবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এ তথ্য সাংবাদিকদের জানান।

মিউনিখে পৌঁছার কয়েক ঘন্টা পর প্রধানমন্ত্রী হোটেল শেরাটনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেয়া একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজক জার্মানির বাংলাদেশ মিশন।

এই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করবে। উজ্জ্বল হবে দেশের ভাবমূর্তিও।

আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

নবীনগর মিরপুর শিশু কিশোর মডেল একাডেমীর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও র‍্যাফেল ড্র

মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ্ নবীনগর ব্রাহ্মণবাগীয়া থেকে: ব্রাহ্মণবাড়ীয়া নবীনগর উপজেলার শিবপুর  ইউনিয়ন,মিরপুর শিশু কিশোর মডেল একাডেমীর, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও র‍্যাফেল ড্র- অনুষ্টান বুধবার দুপুরে মিরপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে অত্র
 শিশু কিশোর মডেল একাডেমীর প্রধান শিক্ষক রুমান সরকার এর সভাপতিত্বে
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সৌদি আরব প্রবাসী শরিফুল ইসলাম শরিফ ।
এছাড়া বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়েরর প্রধান শিক্ষক বাবু কৃষ্ণ কান্ত দেবনাথ, বিটঘর রাধানাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক  জাহাঙ্গীর আলম,  বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কাইয়ুম সরকার, ফারুকুল ইসলাম বিল্লাল মাস্টার।
অনুষ্ঠান পরিচালনা ও র্সাবিক তত্বাবধানে ছিলেন উক্ত মডেল একাডেমি সদস্য  মুহাম্মদ আল আমিন সরকার ও মোঃ সজিব।
Play
Play
previous arrow
next arrow
Slider

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে একটি বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। এই ধারার কারণে বহু সাংবাদিককে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অনেক মামলা হয়েছে। অনেককে কারাগারেও যেতে...

মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণ’ কিংবা ‘মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর রাস্তায় সন্তান প্রসব’ কিংবা ‘আবারো মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণ’ অথবা ‘আবারো মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সন্তান প্রসব’ শিরোনামে প্রায়ই পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।...

previous arrow
next arrow
ArrowArrow
Slider

  ফারা মাহমুদা চৌধুরী (শিল্পী) মানবদরদী ও মানবহিতৈষি ব্যক্তিত্ব হিসেবে অতিথিদের হাত থেকে সম্মাননা পদক গ্রহণ করছেন।   ইমদাদুল হক তৈয়বঃ ‘মানুষ মানুষের জন্য’ এই নৈতিকতাবোধ থেকেই বুকে নীতি আদর্শ...

Archives

Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
Jan0 Posts
Feb0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Nov0 Posts
L0go

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি