সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: ০১৭১১৫৭৬৬০৩
  • রাত ১:৫৩ | ১৬ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ২রা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৭ই সফর, ১৪৪১ হিজরী

Monthly Archive :জুন ২০১৯

শিবপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্বাচন হাইকোর্ট কর্তৃক স্হগিত আদেশ হওয়া প্রতিদন্ধীদের সভা

মোহাম্মদ হেদায়েতউল্লাহ্ নবীনগর খেকে:  নবীনগর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন হাইকোর্ট কর্তৃক স্হগিত আদেশ। ২৯ই জুন রোজ শনিবার বিধি মোতাবেক নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল,কিন্তু মহামান্য হাইকোর্ট নির্বাচন ছয় মাসের জন্য স্হগিত আদেশ দিয়েছে, ফলে এই রায় নিয়ে হাজী মুছা প্যানেল এবং শাহীন সরকার প্যানেল দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে,শাহীন সরকার প্যানেল বলছে আগামী ছয় মাসের জন্য স্কুল নির্বাচন স্হগিত করেছে হাইকোর্ট, অপরদিকে হাজী মুছা প্যানেল নির্বাচন স্হগিত হওয়ায় শিবপুর হাই স্কুল মাঠে (২৯/৬) শনিবার বিকালে এক বিশাল সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিবপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাজ্বী শামছুল হকের সভাপতিত্ব করেন । উক্ত সভার সভাপতি স্বাগতিক বক্তব্য বলেন – ” দুইজন আজীবন দাতা ভোটার কর্তৃক জজকোর্ট ব্রাক্ষণবাড়িয়ার বিজ্ঞ আদালতে মামলা করেন। প্রকাশ থাকা নামধারী দুইজন দাতা ভোটার বিধি মোতাবেক না হওয়ায় বর্তমান কমিটি সর্বসম্মতক্রমে ১৮/০৫/২০১৯ইং রোজ বুধবার রেজুলেশনের মাধ্যমে তাদেরকে দাতা ভোটার হইতে বাতিল করা হয়। এমতাবস্থায়, দুইজন দাতা নামধারী জজকোর্ট ব্রাক্ষণবাড়িয়ার মহামান্য আদালতে একটি মামলা দাখিল করেন এবং নির্বাচনের উপর ইন্জেকশন জারি করার জন্য মহামান্য আদালতে প্রার্থনা করেন। বিজ্ঞ আদালত দশদিনের মধ্য শুনানির জন্য দিন ধার্য্য করেন। ২৬/০৬/২০১৯ইং মহামান্য আদালত দাতা ভোটার পক্ষকে ব্যাংকের স্টেইটমেন্ট দাখিলের জন্য আদেশ প্রদান করেন। ইতিমধ্য দাতা ভোটারগন মামলাটি গোপনে উঠাইয়া হাইকোর্টে রিট দাখিল করে উক্ত নির্বাচন স্হগিত করে দেন। এরই প্রেক্ষিতে নির্বাচনে অভিভাবক প্রতিনিধি পরিষদে প্রতিদন্ধীকারীগন দাতা ভোটার নামধারীগনের জঘন্য আচরণ বিষয়ে জনগণকে অবহিত করার জন্য এই সভার আহবান করেছেন বলে ব্যক্ত করেন “। বক্তরা বক্তব্য তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বলেন,” আবার যখনই নির্বাচন হয় আমরা সকলে মিলে এক্যবদ্ধ থেকে নির্বাচন করব, ইনশাআল্লাহ আমাদের প্যানেল জয়ী হবে। আমাদের বিজয় নিশ্চিত জেনে অপরপক্ষ এই ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। আমরা ন্যায়ের পথে আছি। স্কুলের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এতে আতংকিত হওয়ার কোন কারন নেই, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে একটু সময় আমাদের সকলকে ধর্য ধরতে হবে”। শিবপুর ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সামসুল হক এর সভাপতিত্বে , আলহাজ্ব মোঃ সিরাজ সর্দারের সঞ্চালনায় , বক্তব্য রাখেন শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অলিউর রহমান ভূইয়া , শিবপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মনসুর , মোঃ শহিদ মাষ্টার , মোঃ হোসেন খাঁন , শহিদ মেম্বার , গোলাম রব্বানী , আবুল ফায়েজ প্রমুখ। এছাড়াও এই দূর্নীতি বিরুধী জনসভায় উপস্থিত ছিলেন এলাকার সর্দার মাতব্বর, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

কামরাঙ্গীরচরে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

গ্রেপ্তার সিরাজুল ইসলাম (৫৫) আলীনগরের ঢাকা মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক।

কামরাঙ্গীরচর থানার ওসি শাহিন ফকির বলেন, “শিক্ষক সিরাজুল ওই ছাত্রীকে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেবে এবং নম্বর কম দেবে এ রকম ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে।”

মেয়েটিকে একাধিকবার ‘ধর্ষণ করা হয়’ জানিয়ে তিনি বলেন, সর্বশেষ গত ২৪ জুন ওই ছাত্রীর এক বান্ধবীর বাসায় তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ছাত্রীর মা শনিবার রাতে মামলা করার কিছুক্ষণের মধ্যেই কামরাঙ্গীরচরের নবীনগর এলাকা থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়।

এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মান যাচাই প্রয়োজন: শিক্ষামন্ত্রী

“কোনো কোনো প্রভাবশালী মন্ত্রী তার নিজের এলাকায় প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করেছেন, যেগুলো নিয়মবিরুদ্ধ এবং মান যাচাই না করে নিয়মবিরুদ্ধভাবেই সেগুলোকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। কোথাও কোথাও ছাত্র নেই, শিক্ষক নেই- কিছুই নেই। কাজেই আমরা এখন সারা দেশে অতীতে যত এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের মান যাচাই করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।”

রোববার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে প্রস্তাবিত দায়যুক্ত ব্যয় ব্যতীত অন্যান্য ব্যয় সম্পর্কিত মঞ্জুরি দাবির ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

এর আগে বিরোধীদল জাতীয় পার্টি ও বিএনপির ১০ জন সংসদ সদস্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বরাদ্দের বিরুদ্ধে ছাঁটাই প্রস্তাব দেন।

ছাঁটাই প্রস্তাব দেওয়া সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে দীপু মনি বলেন, “যারা ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন তাদের দলগুলো দীর্ঘদিন এদেশে ক্ষমতায় ছিল। আমরা তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার দেখেছি। তখনকার শিক্ষাখাতে বরাদ্দ, শিক্ষার মান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান সম্পর্কেও আমরা অবগত আছি।”

বিএনপির সরকারের আমলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “নতুন এমপিওভুক্তির জন্য তালিকা যখন দেখছি, দেখতে পাচ্ছি কোথাও কোথাও বৈষম্য হচ্ছে। কয়েকটি এলাকায় দেখছি যতগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকার প্রাপ্যতা রয়েছে তার থেকে বেশি সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত। সেই এলাকাগুলো দেখলে এবং কখন এমপিও হয়েছে তা দেখলে দেখা যাবে বিএনপি-জামায়াতের সময়ে এগুলো এমপিওভুক্ত।

নয় বছর বন্ধ থাকার পর নতুন করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমিপওভুক্ত করার কার্যক্রম আবার শুরুর কথা এবারের বাজেটে (২০১৯-২০) উল্লেখ করেছে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। গত ১৩ জুন সংসদে উত্থাপিত বাজেটে তিনি নতুন অর্থবছরে এমপিওভুক্তির জন্য বরাদ্দ রাখার কথা বললেও তার পরিমাণ জানাননি।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিও নতুন আড়াই হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমিপওভুক্ত করার কথা বলেছিলেন। যোগ্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার কথা তিনি আবারও গত ২৫ জুন সংসদে বলেন।

সবশেষ ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করে সরকার। এরপর থেকে এমপিওভুক্তির দাবিতে শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলন করে আসছেন। আন্দোলনের মুখে গত বছরের জুলাইয়ে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গত অগাস্টে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন আহ্বান করলে নয় হাজার ৬১৪টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে। এর মধ্যে দুই হাজার ৭৬২টি প্রতিষ্ঠান এমপিওর যোগ্য বিবেচিত হয়। তবে অর্থের অভাবে সেগুলোকে এমপিও দিতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করতে এক হাজার ২৪৭ কোটি টাকা দরকার বলে এক চিঠিতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

কপি: বিডি নিউজ 24. কম

অপপ্রচার ও হুমকি প্রদানকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে হেযবুত তওহীদের সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার: হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে সীমাহীন অপপ্রচার, হত্যার হুমকি, হামলার উস্কানি ও ফতোয়া প্রদান, গুজব রটিয়ে দাঙ্গা সৃষ্টির লক্ষ্যে ষড়যন্ত্রকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে সংগঠনটি। রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে শনিবার (২৯ জুন ২০১৯) সকাল দশটায় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সংগঠনটির সর্বোচ্চ নেতা ও এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে হেযবুত তওহীদের পক্ষে ছয়দফা দাবি উপস্থাপন ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে দেশের জনপ্রিয় প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

হেযবুত তওহীদের শীর্ষ এ নেতা বলেন, ‘হেযবুত তওহীদ আইন মান্যকারী সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক একটি আন্দোলন। টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী পন্নী পরিবারের সন্তান এমামুয্যামান মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী কর্তৃক ১৯৯৫ সালে এ আন্দোলন প্রতিষ্ঠিত হয়। হেযবুত তওহীদ মানবতার কল্যাণে সম্পূর্ণ নিঃস্বার্থভাবে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষাকে মানুষের সামনে তুলে ধরার মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ-জঙ্গিবাদ-ধর্মব্যবসা-অপরাজনীতি-মাদক ইত্যাদির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ উপায়ে আদর্শিক সংগ্রাম করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এ আন্দোলনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে সেই শ্রেণিটি যারা ইসলামকে তাদের রুটি-রুজির মাধ্যম বানিয়ে নিয়েছে এবং যারা অপরাজনীতিতে ধর্মীয় সেন্টিমেন্টকে ব্যবহার করে এ পর্যন্ত বিভিন্ন জাতিবিনাশী কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে। এ শ্রেণিটি জনগণের কাছে হাজারো বিভ্রান্তিমূলক অসত্য তথ্য, গুজব, বানোয়াট বক্তব্য প্রচার করে হেযবুত তওহীদের মতো মহান একটি আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এ পর্যন্ত তারা সংগঠনটির চারজন সদস্যকে নির্মমভাবে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেছে। বহুজনকে আহত করেছে, বহু বাড়িঘর ভস্মীভূত করেছে, লুটপাট-ভাঙচুর চালিয়েছে, বহু সদস্যকে বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ করে দিয়েছে। সম্প্রতি এই শ্রেণিটি আরও ব্যাপক পরিসরে তাদের এই হীন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, এই ধর্মব্যবসায়ী শ্রেণিটি সুপরিকল্পিতভাবে তাদের ওয়াজ-মাহফিলে হেযবুত তওহীদকে মুরতাদ, কাফের, বাতিল, খ্রিষ্টান, গোমরাহ, ধর্ম অবমাননাকারী, কোর’আন-হাদিস অস্বীকারকারী ইত্যাদি ফতোয়া প্রদান করে। এসব ফতোয়ায় প্ররোচিত হয়ে তাদের অন্ধ অনুসারীরা আমাদেরকে- প্রকাশ্যে জবাই করে হত্যা করা হবে, মাথা কাটা হবে, বিনা জানাজায় দাফন করা হবে, কবর দেওয়া হবে, পুড়িয়ে হত্যা করা হবে ইত্যাদি ভাষায় হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আইসিটি আইন লঙ্ঘনকারী এবং মসজিদ-মাদ্রাসা ও ওয়াজ-মাহফিলের মতো যেসব স্থানে ধর্মপ্রাণ মানুষ ধর্মীয় কর্তব্য পালনার্থে যায়, সেসব দায়িত্বপূর্ণ স্থানকে অপব্যবহারকারী যে কোনো ব্যক্তিকে যেন আইনের আওতায় আনা হয় এবং ইতঃপূর্বে দায়েরকৃত মামলায় আসামীদের যেন গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়।’ এ বিষয়ে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপও কামনা করেন।

এসময় এক প্রশ্নের জবাবে হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম সাম্প্রতিক সময়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদানকারী কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে বলেন, ‘এরা ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে, গোপনে বৈঠক করে আমাকে হত্যার জন্য তাদের অনুসারীদের ক্ষেপিয়ে তুলছে। আমি আজ এই সংবাদ সম্মেলনে বলে যাচ্ছি, আমি যদি কখনো আক্রান্ত হই তাহলে আপনারা জানবেন এর জন্য তারাই দায়ি।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সর্বশেষ তারা আদর্শিকভাবে ব্যর্থ হয়ে এখন আমার ব্যক্তিগত চরিত্রে কালিমা লেপনের হীন চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। আমি যা বলিনি, যা আমি করিনি কিংবা যে বিষয়ের সাথে আমার দূরতম সম্পর্ক পর্যন্ত নেই সেইসব নিয়ে সম্প্রতি তারা বিকৃতভাবে, খণ্ডিত আকারে প্রচার করছে।
সংবাদ সম্মেলনে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ধর্মব্যবসায়ীদের করা বিভিন্ন অপপ্রচারের জবাব দেওয়ার পাশাপাশি এ সংক্রান্ত কয়েকটি ভিডিওচিত্রও প্রদর্শন করা হয়। সেই সাথে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হেযবুত তওহীদকে দেওয়া বিভিন্ন হুমকির ‘স্ক্রিনশট’ প্রদর্শন করা হয়।

মোটরসাইকেলে ইয়াবা পাচারকালে তিন মাদক কারবারি আটক

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মোটরসাইকেল দিয়ে ইয়াবা পাচারকালে তিন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব সদস্যরা। এসময় তাদের কাছ থেকে ৪৫৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার রাতে উপজেলার বীরপাশা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার পশ্চিম মাধবপুর উপজেলা এলাকার মো. কাজল মিয়া (৩৫), জাহিদ মিয়া (২৮) এবং মো. লিটন মিয়া(২২)।

র‌্যাব-১৪ ভৈরব ক্যাম্প সূত্র জানায়, তিন মাদক ব্যবসায়ী মোটরসাইকেল যোগে হবিগঞ্জের মাধবপুর থেকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দিয়ে ইয়াবা পাচার করছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজয়নগর উপজেলার বীরপাশার বারঘড়িয়াস্থ আলহাজ্ব ফরিদ মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে তল্লাশি চালানোর সময় মোটরসাইকেলের তিন আরোহীর দেহ তল্লাশি করে ৪৫৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বিজয়নগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Attachments area

নিখোঁজের ৪৮ ঘন্টা পর হাত-পা বাঁধাবস্থায় অচেতন যুবক উদ্ধার

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: গ্রামের নৌকাঘাট থেকে মাসুদ রানা বাবু (৩৮) নামের যুবক নিখোঁজ।  তাকে গুম করার অভিযোগে স্ত্রী বাদী হয়ে জিডি এবং মামলা করলে পুলিশ একই গ্রামের দু’জনকে গ্রেপ্তার করে।  ঘটনার ৪৮ ঘন্টা পর হাত-পা বাঁধা এবং অচেতন অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে নয়টায় সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক সড়কের পাশে সরাইল ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এলাকায় নির্জন স্থান থেকে উদ্ধারকৃত বাবু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের পরমানন্দপুর গ্রামের জহির মিয়ার পুত্র।  পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

জানা যায়, গত বুধবার সন্ধ্যা ছ’টার দিকে পরমানন্দপুর নৌঘাট এলাকা থেকে বাবু নিখোঁজ হন।  পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনায় নিখোঁজ বাবুর স্ত্রী প্রমনী বেগম তাঁর স্বামীকে গুম করা হয়েছে দাবীতে থানায় প্রথমে জিডি ও পরে গুমের মামলা দায়ের করেন।  পুলিশ অভিযান চালিয়ে একই গ্রামের জবর আলীর পুত্র জাকির হোসেন ও আবজর আলীর পুত্র বাছির ভুইয়াকে গ্রেপ্তার করে। এদিকে ঘটনার ৪৮ ঘন্টা সরাইল থানা পুলিশ হাত-পা বাঁধাবস্থায় সড়কের পাশ থেকে বাবুকে জীবিত উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করে। কর্তব্যরত চিকিৎসক কাজী শামসুল আরেফিন বলেন, ‘অচেতন অবস্থায় রাত নয়’টায় তাকে জরুরি বিভাগে আনা হয়।  প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা যায় রোগীকে চেতনানাশক কোনো স্প্রে’র মাধ্যমে অজ্ঞান করা হয়েছে। শরীরের বিভিন্ন অংশে সামান্য ফুলা জখমও রয়েছে।  বর্তমানে রোগী অজ্ঞান অবস্থায় থাকলেও ঝুঁকিমুক্ত।  চিকিৎসা চলছে। ‘ এদিকে বাবুর স্ত্রী প্রমনী বেগম বলেন, ‘পূর্ব বিরোধের জেরে তারা আমার স্বামীকে গুম করতে চেয়েছিলো। ‘

সরাইল থানার পরিদর্শক (ওসি) মফিজ উদ্দিন ভুইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে হাত-পা বাঁধা এক ব্যক্তিকে উদ্ধারের পর তা নিখোঁজ বাবু বলে শনাক্ত করা হয়।  বাবুর জ্ঞান ফিরলে তার জবানবন্দিতে সকল বিষয় জানা যাবে।  এদিকে এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দু’জনকে আদালতের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে জেলহাজতে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাকচাপায় বৃদ্ধা নিহতসহ পুত্র-বেয়াই আহত

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
পুত্রের শ্বশুরবাড়ি থেকে বাড়ি ফিরছিলেন বৃদ্ধা পারভীন বেগম। পথিমধ্যে বেপরোয়া গতির ট্রাকচাপায় হন নিহত। এসময় আহত হন তার পুত্র ও বেয়াই। পুলিশ আটক করেছে ঘাতক ট্রাকটিকে। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা এলাকার।

গতকাল বুধবার (২৬.০৬) দুপুরে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নন্দনপুরস্থ বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় ঘটে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত পারভীন বেগম (৬০) সদর উপজেলার মজলিশপুর ইউনিয়নের মজলিশপুর গ্রামের রেনু মিয়ার স্ত্রী। এ ঘটনায় আহত পারভীন বেগমের ছেলে মাসুম মিয়া (২৫) ও ছেলের শ্বশুর মুজিবুর রহমানকে (৬৫) জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা নিহতের ছেলে মাসুম মিয়া জানান, সরাইল উপজেলা সদরের কুট্টাপাড়াস্থ শ্বশুরবাড়ি থেকে মা পারভীন বেগম ও শ্বশুর মুজিবুর রহমানকে নিয়ে ব্যাটারিচালিত রিকশা করে নিজ বাড়ি ফিরছিলেন। দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের নন্দনপুর এলাকায় পৌঁছার পর বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রতগামী একটি ট্রাক রিকশাটিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই পারভীন বেগম নিহত হন। আহত হন ছেলে মাসুম মিয়া ও তার শ্বশুর মুজিবুর রহমান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় এলাকাবাসীর সহায়তায় হতাহতদের উদ্ধার করে পাঠায় জেলা সদর হাসপাতালে।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার পরিদর্শক (ওসি) মোহাম্মদ হোসেন সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানোসহ আহতদের চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক ট্রাকটিকে করা হয়েছে আটক।’

ঘুমন্ত ব্যক্তিকে হতাশেষে কাটা মুণ্ড নিয়ে ঘাতক থানায়

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
শ্রমজীবী লিটন রায় বেড়াতে আসে ভগ্নিপতির বাড়ি। ভরদুপুরে প্রচণ্ড তাপদাহে স্বস্থি পেতে ঘুমিয়েছিলো মন্দিরে। ঘুমন্তাবস্থায় লিটনকে কুপিয়ে হত্যার পর তার খণ্ডিত মুণ্ডু ব্যাগে পুরে সোজা থানায় গিয়ে হাজির হন ঘাতক লবু দাস। পুলিশ তাকে আটক করাসহ নিহতের মরদেহ পাঠায় মর্গে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা এলাকার।

গতকাল মঙ্গলবার (২৫.০৬) দুপুরের দিকে নাসিনগর উপজেলা সদরের গৌর মন্দিরের নাট মন্দিরে ঘটে লোমহর্ষক এই ঘটনা। নিহত লিটন ঘোষ (৫৫) কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর উপজেলা এলাকার মতি ঘোষের পুত্র। অপরদিকে ঘাতক লবু দাস (৪৬) নাসিরনগর উপজেলা সদরের পশ্চিমপাড়ার প্রয়াত পরমানন্দ দাস পুত্র। তবে সে মানসিক প্রতিবন্ধী বলে তার পরিবারের দাবী।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় এলাকাবাসী এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী কুলিয়ারচর এলাকার বাসিন্দা শ্রমজীবী লিটন ঘোষ নাসিরনগর উপজেলা সদরের ঘোষপাড়াস্থ তার ভগ্নিপতি নেপাল ঘোষের বাড়িতে বেড়াতে আসে। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে প্রচণ্ড তাপদাহ থেকে স্বস্থি পেতে লিটন স্থানীয় গৌর মন্দিরের নাট মন্দিরের মেঝেতে ঘুমাচ্ছিলো। এসময় ঘাতক লবু দাস একটি ধারালো দা দিয়ে লিটন ঘোষকে কুপিয়ে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন  করে ফেলে। পরে লিটনের খণ্ডিত মুণ্ডু একটি ব্যাগে পুরে থানায় গিয়ে হাজির হয় ঘাতক লবু দাস। পুলিশ তাকে তৎক্ষণাতই আটক করাসহ লিটনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, গৌর মন্দির এলাকায় নিত্য দিনই বসে গঞ্জিকাসেবীদের জমজমাট আড্ডা। ঘাতক লবু দাসও একজন নিয়মিত গঞ্জিকাসেবী। সে সবসময় মন্দির এলাকাতেই থাকে। বিগত কতেক বছর অগে অনেকটা এমনি কায়দাতেই সে প্রাক্তন মেম্বার মতিলাল দাসকে খুন করেছিলো। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে জেলা সদর থেকে পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন খান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলমগীর হোসাইনসহ প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেন। লিটন ঘোষকে হত্যার দায়ে আটককৃত লবু দাস একজন মানসিক প্রতিবন্ধী বলে দাবী করছেন তার পরিবার।

নাসিরনগর থানার পরিদর্শক (ওসি) সাজেদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘাতক লবু দাসকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

নোংরা প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় যৌন হেনস্তার শিকার বারড্যান্সার

ইন্দ্রানী, কলকাতা প্রতিনিধি:  এখনকার বিভিন্ন পানশালা গুলিতে ড্যান্সার সিঙ্গারদের নিরাপত্তা নেই বললেই চলে। তাই ড্যান্সারদের সহ্য করতে হয় বহু নির্যাতন। মুম্বাইয়ের পরে আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল হায়দ্রাবাদ। রবিবার এই শহরের একটি পানশালার ক্রেতাদের নোংরা ইঙ্গিতে সারা না দিয়ে গড়রাজি হওয়ায় এক বারড্যান্সার বা নর্তকীর সাথে বদসুলুকি করল ওই পানশালারই এক অতিথি। মহিলার পরণের পোশাক ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগও ওঠেছে ওই অতিথি স্বজনের বিরুদ্ধে। পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তারও করেছে বলে জানা গেছে।

সূত্রের খবর, হায়দ্রাবাদের বেগমপেট এলাকার একটি পানশালায় মাস কয়েক আগে কাজ শুরু করেছিলেন ওই আক্রান্ত মহিলা। প্রথম দিন থেকেই তাঁকে প্রায় কারণে অকারণে হেনস্তা করা হত বলে অভিযোগ। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, পানশালার অতিথিদের সঙ্গে নোংরা সম্পর্কে জড়ানোর জন্যও তাঁর উপর রীতিমতো মানসিক চাপ দেওয়া হত।

যা তিনি কোনওভাবেই মেনে নেয়নি, আর তারই ফলস্বরূপ রবিবার ওই মহিলার উপর চড়াও হয় পাঁচ অভিযুক্ত। মহিলার উপর হামলা চালিয়ে জামা-কাপড় ছিঁড়ে নেওয়ার পরে তাঁকে মারধর করা হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে চারজন মহিলা ও একজন পুরুষ। মহিলারা অবশ্য তারই সহকর্মী ছিলেন। তাদেরকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। যদিও অভিযুক্ত ব্যক্তি এখনও পলাতক। তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে হায়দ্রাবাদ পুলিশ।

হাজারো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত আবদুল জব্বার চৌধুরী

চন্দনাইশ প্রতিনিধি :

সদ্য সমাপ্ত ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চন্দনাইশ উপজেলা থেকে টানা তৃতীয়বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবদুল জব্বার চৌধুরী তৃতীয় মেয়াদের জন্য শপথ গ্রহণ শেষে চট্টগ্রাম থেকে চন্দনাইশে ফিরে হাজারো মানুষের ফুলেল শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন। রবিবার (২৩ জুন) বিকালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে শপথ গ্রহণ শেষে চন্দনাইশে ফেরার সময় উপজেলার উত্তর সীমান্ত বিজিসি ট্রাস্ট সংলগ্ন এলাকা থেকে গাছবাড়িয়া পেট্রল পাম্প পর্যন্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দুই পার্শ্বে দাঁড়িয়ে থেকে হাজারো জনতা তাঁদের প্রাণপ্রিয় নেতা আলহাজ্ব আবদুল জব্বার চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করেন, এবং তাঁদের উচ্ছ্বাস, ভালোবাসা, অভিনন্দন জানান। হুডখোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে জনগনের সেই ভালোবাসার জবাব দেন আবদুল জব্বার চৌধুরী। আনন্দে উদ্বেলিত নেতাকর্মীরা পাঁচ শতাধিক মোটরসাইকেল ও গাড়ী বহর নিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে আনন্দ শোভাযাত্রা করে। পরে খাঁনহাট আজিজ সেন্টার চত্বরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন আবদুল জব্বার চৌধুরী। উপজেলা আওয়ামী লীগ সিনিয়র সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবুল বশর ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য আলহাজ্ব আবু আহমদ চৌধুরী জুনু। উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন শিবলীর সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন নবনির্বাচিত উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান মাওলানা সোলাইমান ফারুকী, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান এডভোকেট কামেলা খান রুপা, উপজেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সম্পাদক এডভোকেট নজরুল ইসলাম সেন্টু। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ.লীগ সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক এম. বাবর আলী ইনু, আরিফুল ইসলাম খোকন, প্রচার সম্পাদক হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, গাছবাড়ীয়া সরকারি কলেজের প্রাক্তন ভিপি ও আ.লীগ নেতা শেখ টিপু চৌধুরী, আক্তারুজ্জামান স্মৃতি ফাউন্ডেশন চন্দনাইশ শাখা সভাপতি আমজাদুল হক চৌধুরী দুলাল, উপজেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি মাহমুদুল হক বাবুল, উপজেলা আ.লীগ সদস্য ফেরদৌসুল আলম খান, কর আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি জয় শান্ত বিকাশ বড়ুয়া, উপজেলা আ.লীগ কার্যকরী সদস্য ও জোয়ারা ইউ.পি চেয়ারম্যান আমিন আহমদ চৌধুরী রোকন, কাঞ্চনাবাদ ইউ.পি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, বৈলতলী ইউ.পি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল মোস্তফা চৌধুরী দুলাল, উপজেলা আ.লীগ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক নাসির উদ্দিন মাহমুদ, সদস্য আবুল কাশেম বাবুল, সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা লোকমান হাকিম, শহীদ আলী, আজাদ হোসেন টিপু, আব্দুল হাকিম রাজু, তমিজ উদ্দিন, এমডি শফিউর রহমান, দক্ষিণ জেলা প্রজন্ম লীগ সাধারণ সম্পাদক নেতা নাজিম উদ্দীন, নুরুল আমজাদ চৌধুরী, মোজাম্মেল হক তালুকদার, কাজী শিমুল, নয়ন, সায়েম চৌধুরী সহ উপজেলা আ.লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এতো সুন্দর নির্বাচন অতীতে আর কোন সময় দেখেনি চন্দনাইশবাসী। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য জলকামান থেকে শুরু করে ৫০০ পুলিশ দিয়ে ২টি কেন্দ্রের উপনির্বাচন সম্পন্ন করা হয়েছে। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সাংসদ, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং চন্দনাইশবাসীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।” সমগ্র দক্ষিণ জেলার মধ্যে একমাত্র চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁকে টানা তৃতীয়বার নির্বাচিত করায় জনসাধারণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আগামী পাঁচ বছর আপনাদের সেবক হিসেবে কাজ করবো। চন্দনাইশ হবে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, অস্ত্রবাজ ও মাদকমুক্ত মডেল উপজেলা।” কিছু কুচক্রী মহল তাঁর বিরুদ্ধে এখনও ষড়যন্ত্র করছে উল্লেখ করে চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সাংসদ নজরুল ইসলাম চৌধুরী এম.পিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আওয়ামী নামধারী কিছু সুযোগ সন্ধানী কর্নেল অলির সাথে আঁতাত করে আ.লীগের ক্ষতি করার ষড়যন্ত্র করছে। আপনাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষ বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে। সুুুযোগ সন্ধানীদের কথায় বিভ্রান্ত হবেন না।” তিনি আরো বলেন, “আমি যেদিন আ.লীগে যোগদান করেছি সেদিন ১০ হাজার মানুষের সামনে ওয়াদা করেছিলাম চন্দনাইশে নৌকা ছাড়া অন্য কোন প্রতিক জয়ী হবে না। স্বাধীনতার পর থেকে চন্দনাইশে প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে কোন সময় নৌকা প্রতিক জয়ী হয় নাই। আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম এবং আ.লীগের প্রতি আমার যে কমিটমেন্ট ছিলো সেভাবেই কাজ করেছি, এবং নৌকাকে বিজয়ী করেছি। পরে অনুষ্ঠানে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন তিনি।

কপি: সি প্লাস

Play
Play
previous arrow
next arrow
Slider

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে একটি বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। এই ধারার কারণে বহু সাংবাদিককে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অনেক মামলা হয়েছে। অনেককে কারাগারেও যেতে...

চন্দনাইশ প্রতিনিধি : সদ্য সমাপ্ত ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চন্দনাইশ উপজেলা থেকে টানা তৃতীয়বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবদুল জব্বার চৌধুরী তৃতীয় মেয়াদের জন্য শপথ গ্রহণ শেষে চট্টগ্রাম থেকে চন্দনাইশে ফিরে...

previous arrow
next arrow
ArrowArrow
Slider

  ফারা মাহমুদা চৌধুরী (শিল্পী) মানবদরদী ও মানবহিতৈষি ব্যক্তিত্ব হিসেবে অতিথিদের হাত থেকে সম্মাননা পদক গ্রহণ করছেন।   ইমদাদুল হক তৈয়বঃ ‘মানুষ মানুষের জন্য’ এই নৈতিকতাবোধ থেকেই বুকে নীতি আদর্শ...

Archives

Jan0 Posts
Feb0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Nov0 Posts
L0go

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি