সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: ০১৭১১৫৭৬৬০৩
  • সকাল ১১:১৪ | ২৯শে মার্চ, ২০২০ ইং , ১৫ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ৫ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

Monthly Archive :আগস্ট ২০১৯

এইচ এস সি পরিক্ষায় জিপিএ ফাইভ পেয়েছে জান্নাতুল ফেরদৌস মুন্নি

গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচ এস সি পরিক্ষায় জিপিএ ফাইভ পেয়েছে জান্নাতুল ফেরদৌস মুন্নি। তার পিতা আবদুল মোতালেব, মা আয়েশা খাতুন । গ্রাম চক পাড়া, মাওনা শ্রীপুর, গাজীপুর।২০১৯ সালের এইচ এস সি পরিক্ষায় গাজীপুর ক্যান্টনমেন্ট কলেজে  জিপিএ ফাইভ পেয়েছে সে। যাদবপুরের শিমুলতলী স্কুল গেইট বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মোঃ এনায়েত উল্লাহ সাহেবের বাড়ীতে ভাড়া থেকে পড়া লেখা করেছে। ভবিষ্যতে সে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে চায় । দেশবাসীর কাছে সে দোয়া প্রার্থনা করেছে।

-আলহাজ্ব মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরী

কিশোরীকে ছ’যুবকের পালাক্রমে ধর্ষণ, কথিত প্রেমিক আটক

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাগ ফ্যাক্টরিতে শ্রমিকের কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলো ১২ বছরের কিশোরী। তার কথিত প্রেমিকসহ ছয় যুবক মিলে তুলে নিয়ে টানা দুই দিনব্যাপী পালাক্রমে করে ধর্ষণ। মুমূর্ষু অবস্থায় ধর্ষিতা কিশোরী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় ওই কিশোরীর কথিত প্রেমিক ইমন মিয়াকে (১৫) আটক করেছে পুলিশ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার বগৈর গ্রামে ঘটে যাওয়া ঘটনায় উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের কিশোরীকে মুমূর্ষু অবস্থায় আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তার কথিত প্রেমিক  উপজেলার মৈশাইর গ্রামের কালাম মিয়ার পুত্র ইমন মিয়াকে পুলিশ আটক করেছে।

ধর্ষিতার পরিবার জানায়, উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের খড়িয়ালা গ্রামের রাইডার লেদার ব্যাগস অ্যান্ড লাগেজ ফ্যাক্টরিতে কাজ করতো ওই কিশোরী। গত ২১ আগস্ট বুধবার রাত আটটার দিকে থেকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ওই কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিক ইমন বগৈর গ্রামের একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে ইমন এবং তার পাঁচ বন্ধু মিলে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। টানা দুই দিন ধর্ষণের পর শুক্রবার সকালে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে রিকশায় তুলে দেয় ইমন। বাড়ি এসে ঘটনা জানানোর পর দুপুরে তাকে আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে  জানান, ‘বিয়ে কথার কথা বলে ওই কিশোরীকে তার কিশোর প্রেমিক ধর্ষণ করেছে। পুলিশ ধর্ষক ইমনকে আটক করেছে। ধর্ষিতার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দিলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু আজমানের মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
নানার বাড়ি থেকে উদ্ধার হলো মাত্র ১১ বছর বয়েসী শিশু আজমানের ঝুলন্ত মরদেহ। এই নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের চিলোকূট গ্রাম থেকে আজমানের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজমান জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার আড়াইসিধা ইউনিয়নের আড়াইসিধা গ্রামের ইমরান মিয়ার পুত্র। পুলিশের ধারণা ঘটনাটি আত্মহত্যা নয়। সেজন্যই মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।

নিহত আজমানের নানি মেহেরা বেগমের বরাত দিয়ে থানা পুলিশ জানায়, গত এক মাস ধরেই আজমান তার নানির সঙ্গে চিলোকূট গ্রামে থাকতেন। গত বুধবার কোনো এক জায়গায় শিশুর মাথাকাটা লোকের কথা শুনে সে ভয় পেয়েছিলো। পরে বাড়ি ফিরে দুপুরের খাবার খেয়ে নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে উচ্চ শব্দে টিভি দেখছিল। বিকেলে নানি মেহেরা বেগম ঘরের দরজা খুলেই দেখেন নিজের লুঙ্গি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় আজমান ঝুলে আছে। পরিবারের লোকজন লাশ দাফনের প্রস্তুতি নিলেও বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুলিশ রাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পরে গতকাল বুধবার দুপুরে ময়না তদন্তের পর অামজানের মরদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) অাতিকুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘আজমানের মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি নেয়া হলেও বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। লাশের আলামত দেখে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হয়নি। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’

সম্মেলনে যোগ দিতে মালদ্বীপ যাচ্ছেন এনটিভির লিনা

কায়সার হামিদ হান্নান, মালয়েশিয়া

মালদ্বীপের রাজধানী মালে ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ পিস্ এম্বাসেডর (জিওয়াইপিএ) সম্মেলনে ২০১৯-এ অংশ নিতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভির সংবাদ উপস্থাপক ও আন্তর্জাতিক যুব কমিটির বাংলাদেশের ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর শারমিন নাহার লিনা।

আগামী ২৮ অগাস্ট মালদ্বীপের রাজধানী মালে অনুষ্ঠিত রিপাবলিক অফ মালদ্বীপের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে হুলহু মালে সেন্ট্রাল পার্কে আন্তর্জাতিক যুব শান্তি  প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। পাঁচ দিনকার এই সম্মেলনটি আগামী ১ সেপ্টেম্বর শেষ হবে। এতে বিশ্বের ২৫টি দেশ থেকে তরুণ মেধা প্রতিনিধি গণ যোগ দিবেন। ইতি মর্ধে যুব কমিটি তাদের ওয়েব সাইটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মেধাবী তরুন / তরুণীদের জীবন বৃত্তান্ত প্রকাশ করেছে।

বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে  বিশ্বের যুব প্রতিনিধিরা একযোগে কাজ করবে। তাদের একজন শারমিন নাহার লীনা মাগুরার কৃতি সন্তান। এর আগেও তিনি ভারত, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও থাইল্যান্ডে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করার পর সংবাদ উপস্থাপিকা হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে সাত বছর শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।কাজ করেছেন ইন্ডিয়ান ইম্পোর্টার্স চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির যোগাযোগ উপদেষ্টা হিসেবেও। বর্তমানে তিনি এমএম গ্রুপ অফ কোম্পানির ওভারসিজ কমিনিকেশান অফিসার হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। শারমিন লিনা আগামী আগামী ২৫ অগাস্ট মালদ্বীপের উদ্যেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।

কপি: দেশ সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুর ভরাট করে বানানো আলোচিত সেই মার্কেট অবশেষে উচ্ছেদ

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুর ভরাট করে বানানো অালোচিত মার্কেট শেষতক উচ্ছেদ করলো জেলা প্রশাসন।  গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট (এডিএম) মো. শামসুজ্জামান এবং পাঁচজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই উচ্ছেদ অভিযান চালায়।  পুলিশ ছাড়াও র‌্যাবের একটি দলের উপস্থিতিতে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে শহরের পুরাতন কোর্ট রোড দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।  কয়েক ঘন্টাব্যাপী চালানে উচ্ছেদ প্রত্যক্ষ করতে শতশত সাধারণ মানুষ ভীড় জমায়। এডিএম’র নেতৃত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা হচ্ছেন মো. মনিরুজ্জামান, তনিমা আফ্রাদ, মো. জুবায়ের হোসেন, সাফফাত আরা সাঈদ ও প্রশান্ত বৈদ্য।

প্রকাশ, জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র পুরাতন কোর্ট রোড এলাকার গোলাপ রেস্ট হাউজ সংলগ্ন ওই পুকুরটি একটি প্রভাবশালী পরিবারের লোকজন গত এক মাস ধরেই ভরাট করে। এরপর সেখানে গড়ে তুলে মার্কেট। কিন্তু প্রশাসন কয়েক দফা অভিযান চালিয়েও এই ভরাট ঠেকাতে ব্যর্থ হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরও  হয়ে পড়েন অসহায়। মোদ্দাকথা প্রশাসনকে একরকম বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েই ভরাট কাজ সম্পন্ন করা হয়। একবছর আগে পুকুর থাকা অবস্থাতেই শ্রেণী পরিবর্তন করে কাগজপত্রে ভিটি বানানো হয় ওই পুকুরটিকে। ৭৬ শতক আয়তনের এই পুকুরটির মালিকানা নিয়েও কথা আছে। ভূমি রেকর্ড অনুসারে পুকুরটির দেবোত্তর সম্পত্তি বলে জানা যায়। কিন্তু বিএস রেকর্ডে পুকুরটির মালিকানা হয়ে যায় শহরের পৈরতলার বজলুর রহমানের ছেলে আনিসুর রহমান আনিস,ফারুক আহমেদ ও গোলাপ মিয়াসহ তাদের চার ভাইয়ের নামে। এই নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথেও ওই প্রভাবশালী পরিবারের বিরোধ দেখা দেয়।

দলিলপত্র ঘেঁটে দেখা গেছে, ১৯৯৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি মাঠ জরিপের ভিপি খতিয়ান ২২০ অনুসারে ৩৭৭১ দাগে ৩৭ দশমিক ২৫ শতক এবং এসএ দাগ ১৯৭২ ও বিএস ৩৭৫৬ দাগে ১৭ দশমিক ৫৬ শতক জায়গায় পুকুর রয়েছে।  জেলা শহরের কান্দিপাড়ার প্রয়াত আনন্দ বাবু ও রাধিকা মোহন ১১৩৬ নম্বর সিএস খতিয়ানের ১১৪২ সিএস দাগে ৫২.৭৫ শতক জায়গা রাধাগোবিন্দ বিগ্রহ মন্দিরের নামে দান করেন।  ১০৬৪ ও ১০৬৫ নম্বর খতিয়ানের ১৯৭২ এসএ দাগে পুকুরের ৫২.৭৫ শতক জায়গা মন্দিরের পক্ষে সেবায়েত রেবতী মোহন চৌধুরীর নামে লিপিবদ্ধ করা হয়।  রেবতী মোহন চৌধুরী পরলোকগমনের পর তাঁর নাতি আশীষ কুমার চৌধুরী সেবায়েতের দায়িত্বে রয়েছেন।  কিন্তু প্রভাবশালীরা পুরো পুকুরই ভরাট করেন। এদিকে পুকুর ভরাট করে নির্মাণকাজে বাধা দেয়ায় পুকুর সংলগ্ন এলাকার অমরেন্দ্রনাথ লাল রায়সহ ১১জন ব্যবসায়িকে গত ২৯ জুন গোলাপ মিয়া ও জাহাঙ্গীর কবীরসহ তাদের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভয় দেখান। যেকোনো সময় জায়গা জোরপূর্বক দখল করে নেয়ার হুমকি দেন। পরে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে ১৪৪ ধারা জারি করার জন্য আবেদন করেন ওই ১১ জন ব্যবসায়ী।  তারপরও পুকুরটিকে ভরাট করে যাচ্ছিলো ওই প্রভাবশালীরা। এক পর্যায়ে তারা সেখানে গড়ে তুলে মার্কেট।  অার এ বিষয়টি আলোচিত হয়ে উঠে জেলা শহরময়। এই নিয়ে জাতীয়-স্থানীয় বিভিন্ন দৈনিকে ফলাও করে সংবাদ প্রকাশিতের পর টনক নড়ে প্রশাসনের। শেষতক জেলা প্রশাসন হস্তক্ষেপ চালিয়ে পুকুর ভরাট করে গড়ে তোলা প্রভাবশালীদের বহুল অালোচিত মার্কেট উচ্ছেদ করে দেয়।

উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্বে থাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ শামসুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, ‘রাতের অাঁধারে বালু ফেলে পুকুর ভরাট করে সেখানে অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা হয়। বিষয়টি ভরাটকারীদের একাধিকবার জানানো হলেও তারা প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট না করার অাশ্বাস দিলেও তারা প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট করেই অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করেন। তাদের এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে জায়গাটিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে অানা হবে। পাশাপাশি বালু অপসারণেরও ব্যবস্থা করা হবে।’

নবীনগরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একযুগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান

মোহাম্মদ হেদায়েতউল্লাহ্ নবীনগর ব্রাহ্মণবাড়ীয়া থেকে

সারাদেশের ন্যায় মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একযুগে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ অভিযানে সমবেত হন উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা কর্মচারীরা ছাড়াও রাজনৈতিক,সামাজিক, শিক্ষক,সাংবাদিক,মুক্তিযোদ্ধা,স্কাউট, বিএনসিসি নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাসুম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জেপি দেওয়ান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোকাররম হোসেন, উপজেলা সমবায় অফিসার মহিউদ্দিন আহমেদ,সাবেক মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার- শামসুল আলম সরকার,উপজেলা সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুস সোবহান,আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক নাছির উদ্দিন, যুবলীগের সভাপতি সামস আলম, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জসিম উদ্দিন,নবীনগর বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জনি,পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য শামীম রেজা,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু কাওসার,উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আরিফুল ইসলাম রাজিব,আবু সাঈদ,সিটিভির সিইও রবিন সাইফ,মাসুম মীজা, মোঃ হেদায়েতউল্লাহ, সোহেল মিয়া,আবু সুফি ফতেহ আলী সফর আলী প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে সবাইকে যার যার অফিস,বাড়ি ও পরিত্যক্ত যায়গা পরিষ্কারের পাশাপাশি সচেতন থেকে অবস্থার মোকাবেলা করতে আহ্বান জানান। পরে উপজেলা পরিষদ থেকে এক র‌্যালি বের হয়ে র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক পদক্ষিন করে।

আখাউড়ায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে পরীক্ষা কেন্দ্রে কোরবানীর পশুর হাট

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় শহীদ স্মৃতি সরকারী কলেজ মাঠে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কোরবানীর পশুর হাট বসেছে। মঙ্গলবার ডিগ্রী পরীক্ষার ব্যবস্থাপনা ৪র্থ পত্রের পরীক্ষা ছিলো।  হাজার হাজার ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে উঠে কলেজ মাঠ।  আখাউড়া পৌর পশুর হাট ইজারাদার আলাউল করিম পশুর হাট বসিয়েছেন।  ঈদের আগের দিন পর্যন্ত হাট চলবে। তবে কলেজের একাধিক শিক্ষক কলেজ মাঠে পশুর হাট বসায় অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
আজ বেলা আড়াইটার দিকে সরেজমিনে শহীদ স্মৃতি সরকারী কলেজ মাঠে গিয়ে দেখা যায়, কলেজের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে চারজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছেন।  কলেজ মাঠে শত শত গরু-মহিষ, ছাগল নিয়ে এসেছেন বিক্রেতারা।  হাজার হাজার ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি সরগরম কলেজ মাঠ। কিছু ক্রেতা-দর্শনার্থীকে কলেজের বাড়ান্দায় বসে বিশ্রাম নিতেও দেখা যায়।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক বলেন, কলেজের অধ্যক্ষের অাপত্তি সত্বেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কলেজ মাঠে পশুর হাটের অনুমতি দিয়েছেন। এ কারণে মাঠের সৌন্দর্য যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি পশুর বর্জ্যে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। আখাউড়া শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘কলেজ গর্ভনিং বডির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিনা আক্তার রেইনা পশুর হাটের অনুমতি দিয়েছেন। এ ব্যপারে আমার কিছু করার নেই। ‘ হাটের ইজারাদার আলাউল করিম বলেন, ‘ইউএনও’র অনুমতি নিয়েই কলেজ মাঠে পশুর হাট বসিয়েছি। তাছাড়া বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিও অবগত আছেন।’
আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিনা আক্তার রেইনা বলেন, ‘কলেজ মাঠে আলাদা বেষ্টনি দিয়ে চৌহদ্দি নির্ধারণ করে পশুর হাট বসানো হবে। তাছাড়া আজকের (গতকাল মঙ্গলবার) পরীক্ষায় মাত্র চারজন পরীক্ষার্থী। পশুর হাটের জন্য পরীক্ষার্থীর কোনো অসুুুবিধা হবার কথা নয়।’

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান 

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ, এডিস মশার উৎপত্তিস্থল চিহ্নিতকরণ, প্রতিকার এবং নির্মূলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভাসহ সর্বস্তরের জনগণ। গতকাল মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খানের নেতৃত্বে শহরেরর লোকনাথ ট্যাঙ্কেরপাড়, জগতবাজার, আনন্দ বাজার, তিতাস নদীর ঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
ডেঙ্গু প্রতিরোধী এই অভিযানকালে পৌরমেয়র মিসেস নায়ার কবির, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহ আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি-স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।  এছাড়া পরিচ্ছন্নতা অভিযানে জেলা এবং উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহন করেন।

কাশ্মীরে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ মিছিল

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
কাশ্মীরে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।  গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে জেলা কওমী ছাত্র ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রসা প্রাঙ্গন থেকে মিছিলটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণান্তে প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।
মুফতি আবদুল হকের সভাপতিত্বে ও কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের মাওলানা আশরাফুল ইসলামের পরিচালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মুফতি এনামুল হাসান, মাওলানা ইউসুফ ভুইয়া প্রমূখ।  বক্তারা কাশ্মীরে ভারতীয় আগ্রাসন ও মুসলিমদের উপর নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান

গুজবে কান না দিতে শিবপুর পুলিশ ক্যাম্প এর উদ্দ্যোগে মাইকিং

ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা,নবীনগর থানাধীন :

শিবপুর পুলিশ ক্যাম্প এর আওতায়ই নবীনগর পৃর্ব ছয় ইউনিয়ন এলাকায় পুলিশের মাইকিংগুজবে বিভ্রান্ত হয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্ন না ঘটাতে মাইকিং করা হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলছে পুলিশের সচেতনতামূলক প্রচারণা। বৃহঃপতিবার (১আগস্ট) অটোরিকশা করে বিদ্যাকুট, নাটঘর,শিবপুর,বিটঘর,কাইতলা উওর, কাইতলা দক্ষিন ছয়টি ইউনিয়ন এলাকায় মাইকিং করতে দেখা যায়। শিবপুর পুলিশ ক্যাম্প এএসআই মশিউর রহমান বলেন, ‘গুজবে কান না দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়ার জন্য মানুষকে সচেতন করতে মাইকিং করে যাচ্ছি। কোনও এলাকায় অপরিচিত লোক দেখা গেলে পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।’ জেলা শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী উপ- পুলিশ কর্মকতা শিবপুর পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ আব্দুর রহিম (সাংবাদিক )কে জানান, ‘গুজবে বিভ্রান্ত হয়ে ছেলেধরা সন্দেহে কাউকে গণপিটুনি দিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে না নিতে নূরনগরবাসী কে অনুরোধ জানিয়ে পুলিশ মাইকিং করে যাচ্ছে নবীনগর পৃর্ব ছয় ইউনিয়ন এলাকায়। প্রয়োজনে পুলিশের সহযোগিতা নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। যদি ছেলেধরা হিসেবে কাউকে সন্দেহ হয় তাহলে গণপিটুনি না দিয়ে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিন।’

Play
Play
previous arrow
next arrow
Slider

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে একটি বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। এই ধারার কারণে বহু সাংবাদিককে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অনেক মামলা হয়েছে। অনেককে কারাগারেও যেতে...

    ১৭ই মার্চ, ১৯২০ সালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শেখ লুৎফুর রহমান এবং সায়রা বেগমের ঘরে জন্ম নেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। গোপালগঞ্জ...

previous arrow
next arrow
ArrowArrow
Slider

  …..ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী নেসারুল হক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বরাট জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন   জীবনের ক্ষুধা, তৃষ্ণা ছাড়াও, মানুষ এক কাল্পনিক জগতের চাহিদায় যেন সদা ব্যাকুল। কল্পনা যখন বাস্তবে শিল্পসম্মতভাবে প্রকাশ পায় তখন...

Archives

Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
Jan0 Posts
Feb0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Nov0 Posts
L0go

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি