সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: ০১৭১১৫৭৬৬০৩
  • সকাল ১১:৫৮ | ২৮শে মে, ২০২০ ইং , ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৫ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী

Monthly Archive :ডিসেম্বর ২০১৯

নূরনবী হিরোর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে মিলাদ দোয়া ও কম্বল বিতরণ

নিজস্ব সংবাদদদাতা:  সম্প্রতি রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক নূরনবী হিরোর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে মিলাদ, দোয়া ও কম্বল বিতরণ করা হয়।দাগনভূঞার কৃতিসন্তান দাগনভূঞা থানা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক ও সমাজসেবক পরোপকারী মরহুম নূরনবী হিরোর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে মরহুমের গ্রামের বাড়ি নিজ মসজিদে মিলাদ মাহফিল দোয়া শেষে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়. উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইকবাল মেমোরিয়াল কলেজের ভিপি মনজুরুল আলম টিপু. ব্যাংকার ও সংগঠক মিজানুর রহমান হিরো. যুবনেতা শামসুল আরেফিন রাজু. মরহুম এর ছোট ভাই স্বপন ও হেলাল সাবধান ও এলাকার গণ্যমান্য ও মুসল্লী গণ মরহুম নূরনবী হিরো একজন মুজিব আদর্শের প্রকৃত সৈনিক ছিলেন তিনি ছাত্রলীগের দায়িত্বে ছিলেন এবং যুবলীগের থানা আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন এছাড়াও তিনি থানা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটিতে যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এর দায়িত্বে ছিলেন এলাকায় একজন পরোপকারী ও সাদা মনের নির্লোভ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন সকলে তার জন্য দোয়া করেন আল্লাহ যেন তাকে জান্নাত দান করেন।

পলিথিনে মোড়ানো নবজাতকের লাশ

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
একপাশে আড়াইশ’ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল
হাসপাতাল, অপরপাশে হাসপাতালের কোয়ার্টার। এর মাঝখান দিয়েই চলমান শহরের প্রধান সড়ক। আর ওই সড়কের পাশেই মিললো পলিথিনে মোড়ানো নবজাতকের মরদেহ! গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধারের পর এ নিয়ে শহরময় চলছে নানান কানাঘুষা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানাধীন ১ নং শহর ফাঁড়ির ইনচার্জ প্রভাস চন্দ্র দাস এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘পথচারীদের মাধ্যমে জানতে পারি সদর হাসপাতালের কোয়ার্টারের সামনে পলিথিনে মোড়ানো এক নবজাতকের মরদেহ পড়ে রয়েছে। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।’

 

 

 

আমায় মেরে ফেললেও হাসিমুখে বিনয় দেখাব: আসিফ

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের পূর্ণ্যদৈর্ঘ্য মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘গহীনের গান’। নয় ধরনের নয়টি গানের ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে এর চিত্রনাট্য। সিনেমাটির গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। আগামী ২০ ডিসেম্বর সিনেমাটি মুক্তি পাবে। এরই মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সাঁটানো হয়েছে পোস্টার।

এদিকে মিউজিক্যাল ফিল্মটির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা ও হুমকি দেয়ার অভিযোগ তুলেছেন সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। এ বিষয়ে তার ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো—

‘ক্ষমতার মোহে মোহগ্রস্ত ক্ষমতাধরদের আংশিক দাপট এই পোস্টার ছেঁড়া, পাশাপাশি হুমকিদাতা ভাইদের একাংশের ভূমিকার চিত্র এটা। আমার মালিকানাধীন অফিসের নীচতলার পার্কিংয়ে তাদের হেডম শো চলছে। সকালে বাকি পোস্টার ছেঁড়ার হুমকি দিয়েছে। আমি যা কিংবা তা, সর্বজন শ্রদ্ধেয় হাসান ইমাম স্যারও রক্ষা পাননি। আমরা আবারো পোস্টার লাগাব, তারা ক্ষমতার মোহে আক্রান্ত রোগী হিসেবে শুধু ছিঁড়তেই পারবে, এটাই তাদের যোগ্যতা। হয়তো আমাকেও মেরে ফেলবে, এটাও তাদের ক্ষমতার অংশ, এতে আমিও খুশী হবো।

আমি শিল্পী হিসেবে বিনয়ী, তাই মেরে ফেললেও হাসিমুখে বিনয় দেখাব। অভিযোগ করব না। কারণ গহীনের গান জীবনের গল্প বলবে। আর মানুষ চায় শিল্পীরা বিনয়ী থাকুক, মানসম্মান কিংবা প্রাণ মুখ্য বিষয় নয় এখানে। পর্দার ভিতরে বাইরে অনেক ক্লাইমেক্স নিয়ে আসছে গহীনের গান। রাত ২টা ৩৫ মিনিটে আমার অফিসের নীচতলা থেকে তোলা ছবি। ভালোবাসা অবিরাম।’

বাংলাঢোল প্রযোজিত এই সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন ও পরিচালনা করেছেন সাদাত হোসাইন। ‘গহীনের গান’-এ আসিফের সহশিল্পীরা হলেন— হাসান ঈমাম, তমা মির্জা, তানজিকা আমিন, আমান রেজা, কাজী আসিফ, তুলনা প্রমুখ।

সিনেমার ৯টি গানের বেশির ভাগই লিখেছেন, সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন তরুণ মুন্সী। দুটি গান লিখেছেন রাজীব আহমেদ এবং একটি লিখেছেন পরিচালক নিজে। ‘বন্ধু তোর খবর কি রে’ গানটির সুর করেছেন পল্লব স্যানাল ও সংগীত পরিচালনা করেছেন পার্থ মজুমদার।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন

 

গাজীপুরের কাপাসিয়ার ঘোসের কান্দি গ্রামের ৯০ বছরের বৃদ্ধা  আছিয়া খাতুনের সম্পত্তি দখলের জন্য ভূমি দস্যুরা বাসভবন ভাঙচুর ও গাছকেটে লুটপাট করেছে

নাজিমুদ্দিন আহমেদ: গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানার ঘোসেরকান্দি গ্রামের আছিয়া খাতুন ভূমি দস্যু সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলাা করার পর চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আছিয়া খাতুন ঘোসেরকান্দি গ্রামের তার তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি ১৯৮৭ সনের ৩ ডিসেম্বর পিতার নিকট হতে হেবা দলিল মূলে প্রাপ্ত হয়ে ভোগ দখল করছেন। ঐ সম্পত্তিতে তিনি বৃক্ষরোপন করেছেন। এদিকে আছিয়া খাতুনের হেবা দলিল মূলে প্রাপ্ত সম্পত্তি দখল করার জন্য প্রায় হুমকি দিতে থাকে রমিজ, মাইনুদ্দিন, হাসমত, পিতা-মৃত সিরাজ উদ্দিন। নাদিম-পিতা-রমিজ উদ্দিন, সবুজ-পিতা-মৃত হযরত আলী, লিটন, শওকত, খোকন-পিতা-মৃত হযরত আলী, শাহিদুল্লাহ-পিতা-মৃত কর্জ্জত আলী, মাহমুদা-স্বামী শাহিদুল্লাহ ঘোসেরকান্দি (ঈদগাহ বাজার) থানা-কাপাসিয়া, জেলা-কাপাসিয়াসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জন। জানা গেছে, আছিয়া খাতুন তার নিজস্ব সম্পত্তি থেকে সরে না যাওয়াতে গত ২০১৯ সনের ১৩ ডিসেম্বর ভূমি দস্যুরা ঢাকা থেকে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে মূল্যবান গাছ কাটা এবং বাড়ির জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। ঐ সময় সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা এ ধরনের ভাঙচুরের এবং গাছ কাটার প্রতিবাদ করলে তারা মধ্যযুগীয় বর্বরতায়  নির্মমভাবে আছিয়া খাতুন ও বিল্লাল হোসেনের উপর হামলা চালায়। হামলার শেষে সন্ত্রাসীরা আছিয়া খাতুন এবং বিল্লাল’কে হুমকি দেয় সম্পত্তি না ছাড়লে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হবে। আছিয়া খাতুনের  অতর্কিত হামলা হওয়াতে চিকিৎসার জন্য এলাকাবাসী তাকে কাপাসিয়া স্বাস্থ্য  কমপ্লেক্স এ ভর্তি করায়।

এবিষয়ে আছিয়া খাতুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি আমাদের প্রতিবেদককে জানান আমি কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর রমিজ, মাইনুদ্দিন, হাসমত, পিতা-মৃত সিরাজ উদ্দিন। নাদিম-পিতা-রমিজ উদ্দিন, সুবজ-পিতা-মৃত হযরত আলী, লিটন, শওকত, খোকন-পিতা-মৃত হযরত আলী, শাহিদুল্লাহ-পিতা-মৃত কর্জ্জত আলী, মাহমুদা-স্বামী শাহিদুল্লাহ ,তাদের বিরুদ্ধে কাপাসিয়া থানায় মামলা করতে গেলে আসামী পক্ষের প্রভাবের কারণে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা নেননি। আছিয়া খাতুন আমাদের প্রতিবেদককে বলেন, থানা কর্তৃপক্ষ মামলা না নেওয়াতে ২০১৯ সনের ১৯ ডিসেম্বর গাজীপুর আদালতে গিয়ে  আমি বাদীনি হয়ে মামলা করতে বাধ্য হয়। মামলার ধারা ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩৭৯/৩২৫/৩০৭/৫০৬/৪২৭/৩৪ দন্ডবিধি। আছিয়া খাতুন আমদের প্রতিবেদককে বলেন আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ন্যয় বিচার পাব। যাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছি তারা দুপুর ১.০০টা থেকে ৫.০০ টা পর্যন্ত আমার মূল্যবান গাছ কেটে ফেলে ও ভাঙচুর করে। আমার বসত বাড়ির গাছপালা কেটে ফেলার সময় প্রশাসনের কেউ এগিয়ে আসেনি। আবার যারা এগিয়ে আসতে চেয়েছিল তারা সন্ত্রাসীদের ভয়ে এগিয়ে  আসার সাহস পায়নি।

আছিয়া খাতুনের নাতি মোঃ বিল্লাল হোসেন আমাদের জানান, সেদিন আসামীরা আমার উপরেও অতর্কিত হামলা চালায়। আমিও সেদিন তাদের হামলায় আহত হয়ে কাপাসিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হই। নানী ও আমি একই হাসপাতালে চিকিসাধীন ছিলাম। ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। আশা করি  আদালতের মাধ্যমে আমরা ন্যায় বিচার পাবো।  এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন ঘোসেরকান্দিস্থ ৭৮ নং  খতিয়ানের মোট  জমি ৮ শতাংশ, হেবারকৃত জমি ৫.২৫ শতাংশ।

আমাদের প্রতিবেদক সরজমিনে আছিয়া খাতুনের বাসায় গিয়ে দেখতে পায় সন্ত্রাসীরা মূল্যবান গাছ কেটে  নিয়ে যায়। টয়লেট ভাঙচুর করে,বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করে। বিদ্যুৎ মিটার ভেঙে ফেলাতে এখন বিল্লাল’কে তার পরিবার নিয়ে রাতের অন্ধকারে বসবাস করতে হচ্ছে। বিল্লালের খালা মরিয়ম এধরনের ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। মরিয়ম আরও বলেন, প্রায় ৬০ জন সন্ত্রাসী অবৈধভাবে জমি দখলের জন্য ভাঙচুর করলেও পুলিশ এগিয়ে আসেনি।

এ বিষয়ে কাপাসিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি আমাদের জানান, আছিয়া খাতুনের বাসায়  হামলার ঘটনা আমি জানি না। ঘোসেরকান্দি গ্রামের বাসিন্দারা জানান ঘটনার সময়  এলাকার লোকজন সন্ত্রাসীদের ভয়ে এগিয়ে আসেনি। এ ধরনের ঘটনার আমরা বিচার চাই। বিচার হলে সন্ত্রাসীরা এ ধরনের অপরাধ করার সাহস পাবে না। এখানে উল্লেখ্য যে, বিল্লালের মা রাজিয়া বেগম কাতারে চাকুরি করছেন। ৪ বছর চাকুরি করে যে  অর্থ উপার্জন করেছেন সবই তিনি ঘোসেরকান্দি গ্রামের বাড়ি নির্মানের কাজে খরচ করেছেন। ঘটনা জানার পর রাজিয়া বেগম মানষিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। জানা গেছে, অর্থ খরচ করে রাজিয়া বেগম ঘর নির্মাণ করলে  ভূমি দস্যুরা এখন তা দখল করার পায়তাঁরা করছে। রাজিয়া বেগম আশা করেন যারা তার মা আছিয়া খাতুন এবং আমার ছেলে বিল্লাল ও গোলাপের উপর হামলা করে ভাঙচুর লুটপাট করেছে আদালতের রায়ে আমরা ন্যায় বিচার পাবো।

মন্তব্য:- চার ঘন্টা যাবৎ ভূমি দস্যুদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা লুুটপাট,ভাঙচুর গাছ কাটলেও কাপাসিয়া থানার পুলিশকে দেখা যায়নি। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় যারা এ ধরনের ঘটনার জন্য দায়ী তাদের বিরুদ্ধে আছিয়া খাতুন মামলা করতে গেলেও থানা কর্তৃপক্ষ মামলা নেননি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি যাতে না ঘটে এ জন্য পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে। যেখানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটার সময় থানা কর্তৃপক্ষ এগিয়ে আসেন না, এমনকি অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা করতে চান না। তাহলে আমরা কিভাবে বলবো আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হবে না। সুশীল  সমাজ মনে করছেন এই ধরনের নিরীহ পরিবারের নিরাপত্তার জন্য প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। কারণ এ পরিবারটি ভূমি দস্যুদের কবলে পড়ে চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন।

এডঃ আব্বাস স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত

সুজিত কুমার চক্রবর্তী, নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধিঃ  জেলার নাসিরনগর উপজেলার গোকর্ণ ইউনিয়নের জেঠাগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা এডঃ মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন বিনা প্রতিযোগিতায় স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে।
জেঠাগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে গত ১১ ডিসেস্বর ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে ৬ জন পুরুষ ও ২ জন মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশ নেয়। তাদের মধ্যে অভিভাবকের ভোটের মাধ্যমে ৪ জন পুরুষ  ও ১ জন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হয়। আজ ১৫ ডিসেম্বর রবিবার সকাল ১১ ঘটিকায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অফিস কক্ষে  মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আজাহারুল ইসলাম ভূইয়ার সভাপতিত্বে  বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচনের  অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত নির্বাচনে সর্বসম্মতিক্রমে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা এডঃ মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন বিনা প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত হয়। নির্বাচন পরিচালনা করেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৈয়দ শওকতুল ইসলাম। উক্ত নির্বাচনের সময় উপস্থিত ছিলেন, দাতা সদস্য এডঃ মোঃ মাহফুজ মিয়া, অভিভাবক সদস্য মোঃ মিজানুর রহমান, মোঃ জাহের মিয়া, মোঃ আলমগীর মিয়া, মোঃ মাহফুজ মিয়া, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য কুলছুমা আক্তার, মহিলা শিক্ষক শিউলী আক্তার, শিক্ষক প্রতিনিধি মোঃ মিজানুর রহমান, মোঃ জাহাঙ্গীর আলমসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিগণ।
সুজিত কুমার চক্রবর্তী
নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আশুগঞ্জে দু’পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত অর্ধশত-নয়জন আটক

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া,  পূর্ব বিরোধের জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দু’পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ অর্ধশত লোক আহত হয়েছেন। ঘটনার সাথে পুলিশ নয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের বারোঘইরা ও নজারবাড়ির লোকজন সংঘর্ষে জড়ালে পুলিশ দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে টিয়ারগ্যাস-রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের হাসপাতালসে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার নজারবাড়ি গোষ্ঠীর ফজলু মিয়ার ছেলে সিএনজি চালক সুমনের সঙ্গে বারোঘইরা গোষ্ঠীর কাশেম মিয়ার ছেলে মহরমের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এর জেরে শুক্রবার উভয় গোষ্ঠীর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনার জেরে গতকাল রোববার উভয় পক্ষের লোকজন পুনরায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যাপক লাঠেপেটা করাসহ ৩৩ রাউণ্ড টিয়ারগ্যাস ও ২০৯ রাউণ্ড রাবার বুলেট ছুড়ে দেড় ঘন্টার মাথায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এসময় পুলিশসহ অন্তত অর্ধশত লোক আহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয় নয়জন দাঙ্গাবাজকে। এদিকে সংঘর্ষে আহতদেরকে উপজেলা হাসপাতাল, বিভিন্ন ক্লিনিক ও জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করা হয়েছে মামলা। এলাকায় বিরাজ করছে চাপা উত্তেজনা।

আশুগঞ্জ থানার পরিদর্শক (ওসি) জাবেদ মাহমুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘শুক্রবারের ঘটনায় ওই দিন রাতে পুলিশ একটি মামলা করেছে। এ ঘটনায় নয়জনকে আটক করা হয়েছে।’

শিশুর জন্য কারনিটিন

ফ্যাট বা চর্বি একটি শক্তি উৎপাদনকারী খাদ্য উপাদান। এই ফ্যাট বা চর্বি কতগুলো ফ্যাটি এসিডের সমন্বয়ে গঠিত। ফ্যাট এসিডগুলো লিভার (যকৃত) এবং শরীরের অন্যান্য কোষ বা কলার মাইটোকন্ড্রিয়ায় ভেঙে মূলত শক্তি উৎপাদন করে। কিন্তু লং চেইন ফ্যাটি এসিড মাইটোকন্ড্রিয়ায় অনুপ্রবেশের জন্য কারনিটিন (বিটা হাইড্রক্সি-গামা-ট্রাই মিথাইন অ্যামোনিয়াম বিউটারেট) নামক একটি জৈব পদার্থ অত্যাবশ্যক। কারনিটিন শরীরে বিশেষ করে মাংসে প্রচুর পরিমাণ বিদ্যমান। মাইক্রোজোম ও মাইটোকন্ডিয়ার বহিঃপর্দায় লং চেইন ফ্যাট এসিড অ্যাসাইল কো-এ-তে সক্রিয় হয়। এই লং চেইন অ্যাসাইল কো-এ কারনিটিন ছাড়া মাইটোকন্ড্রিয়ায় প্রবেশ করতে পারে না। কারনিটিন অ্যাসাইন ট্রান্সফারেজ-১ নামক জারকরস কারনিটিনের অনুপ্রবেশ প্রক্রিয়াতে সাহায্য করে। ফলে এটা অ্যাসাইল কারনিটিন হিসেবে মাইক্রোকন্ড্রিয়ায় প্রবেশ করে বিটা অক্সিডেশনে যায়। ফ্যাটি এসিড ভাঙা বা জারন ক্রিয়ার জন্য যে কারনিটিন প্রয়োজন তা সাধারণত খাবার থেকে আসে। কিন্তু কোনো কৃত্রিম খাদ্যে তথ্য ফ্যাটি এসিড সংবলিত খাদ্যে প্রয়োজনীয় পরিমাণ কারনিটিন একই সঙ্গে না থাকলে সেই ফ্যাটি এসিড (ফ্যাট বা চর্বি) শরীরে তেমন কাজে আসে না। শিশুর জন্য মায়ের দুধের বিকল্প নেই। তবুও যেসব শিশু কোনো না কোনো কারণে মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত এবং পরে কৃত্রিম দুধ বা কৌটায় শিশুখাদ্য পান করে, তাদের (এক বছর বয়সের ওপর) সেই কৌটার দুধ বা শিশুখাদ্যে কারনিটিন সরবরাহ করা একান্তভাবে প্রয়োজন। বাজারে প্রচলিত কৌটার শিশুখাদ্যে পেডিয়াসিউর ছাড়া সাধারণত কারনিটিন থাকে না। কারনিটিনের অভাবে হৃৎপিন্ডের মাংসের অক্ষমতা, মাংসপেশির দুর্বলতা, অলস অলসভাব, খিঁচুনি, কর্মক্ষমতা হ্রাস, শিশুদের ধীরে দেহ বৃদ্ধি এবং বিলম্ব মানসিক বিকাশ ঘটে। যেসব কারণে কারনিটিনের অভাব ঘটার সম্ভাবনা থাকে, সেগুলো হচ্ছে- ফ্যাটি এসিড জারন ক্রিয়ার এটি, মাইটোকন্ড্রিয়াল মাইওপ্যাথি, ডায়ালাইসিস, পূর্ণতা প্রাপ্তির আগেই জন্ম নেয়া শিশু, কারনিটিন ছাড়া টিপিএন (এনএভিপি) প্রদান ইত্যাদি। সুতরাং এসব বিবেচনায় আনলে শরীরে কারনিটিনের প্রয়োজনীয়তা যে কত ব্যাপক তা সহজেই অনুমেয়।

য় সুস্বাস্থ্য ডেস্ক

আখাউড়ায় ৯ রোহিঙ্গা আটক।

শিশু-মহিলা-পুরুষসহ ওরা ৯ জন। সকলেই রোহিঙ্গা, মিয়ানমারের নাগরিক। সেখানকার সামরিক জান্তার নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ওই ৯ রোহিঙ্গা ভারতে যাওয়ার ব্যর্থ চেষ্টাকালে আটক করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থানা পুলিশ।

গতকাল বুধবার ভোররাতে আখাউড়া রেলওয়ে জংশনের সামনে থেকে আটককৃতরা হলেন সৈয়দ আলম (৩০), মো. ইউনুছ মিয়া (১৮), আমেনা খাতুন (৫০), মাজেদা খাতুন (২৫), ছেনরা খাতুন (২২), ময়ূরা বেগম (৬), আয়েশা বিবি (৩), জান্নাত আক্তার (৫) এবং আজিজুর রহমান (১)। ভোররাত পৌণে তিনটার দিকে তাদের আটক করা হয়।

থানা সূত্র জানায়, একজন রোহিঙ্গা নাগরিকের মাধ্যমে কক্সবাজারের কুতুপালং রেহিঙ্গা ক্যাম্প ও চট্টগ্রাম থেকে আসা ৯ জন রোহিঙ্গা পুরুষ, নারী ও শিশু মঙ্গলবার রাতে অবৈধভাবে আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সীমান্ত এলাকায় গিয়ে সুবিধা করতে না পেরে তারা ফের আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনের দিকে যাচ্ছিলেন। তখন স্টেশন এলাকায় চেকপোস্টে দায়িত্বরত থাকা পুলিশ সদস্যরা তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে নিশ্চিত হন সবাই রোহিঙ্গা। এরপর তাদের সকলকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

আখাউড়া থানার পরিদর্শক (ওসি) রসুল আহমেদ নিজামী বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়নি। তাদেরকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হবে।’
#

 

 

বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদকারী হারু-তিব্বল-অশোকের মেলেনি সরকারী কোন সম্মান

 

জনি পারভেজ (গুরুদাসপুর-নাটোর) প্রতিনিধি..১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একদল বিপথগামী সেনা সদস্যের হাতে স্বপরিবারে নিহত হন। শুরু হয় সামরিক শাষন। দেশব্যাপী ১৪৪ ধারা জারি করে সবধরনের সভা,সমাবেশ,মিছিল,মিটিং-এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এমন বিভিষীকাময় মুহুর্তে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার টগবগে তিনবন্ধু ছাত্রলীগকর্মী ভয়ভীতি উপেক্ষো করে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসেন। “রক্তের বদলে রক্ত চাই, মুজিব হত্যার বিচার চাই” শ্লোগান সম্বলিত দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার সেটে দেন। একইসাথে তিনবন্ধু বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নেমে শ্লোগান দিয়ে লিফলেট বিতরণ করতে থাকেন। এই অপরাধে তিনজনই পুলিশের হাতে ১৯৭৫ সালের ৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ১৬(৩)এমএলআর+ ১০ জরুরী আইনে আটক হন। জেলখানায় নেমে আসে নির্মম নির্যাতন। বিশেষ আইনে আটক করে তাদের নির্মমভাবে অত্যাচার করা হয়েছিল। তিন বন্ধুকে দুই বছর ডিটেনশন ও ছয় মাস সশ্রম কারাদন্ডও ভোগ করতে হয়। টানা ২৯ মাস কারাভোগের পর ১৯৭৮ সালে তারা মুক্তি পান। পরবর্তীকালে রাজশাহী ডিষ্ট্রিক্ট জজকোর্ট থেকে তারা মামলা সংক্রান্ত নথি সংগ্রহ করে সযতেœ সংরক্ষন করেন। বীরচিত এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট তিনবন্ধু প্রবীর কুমার বর্মন হারু, নির্মল কর্মকার তিব্বল ও অশোক কুমার পাল। তিনজনেই বসবাস নাটোরের গুরুদাসপুর পৌরসদরের চাঁচকৈড় বাজারপাড়া মহল্লায়। তিনবন্ধুর বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদ,গ্রেফতার,কারাদন্ডের কারনে তিনপরিবারে নেমে আসে অমানিষার অন্ধকার। পরিবারের বাকি সদস্যরা পরিবার পরিজন নিয়ে খেয়ে-নাখেয়ে বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে বেড়িয়েছেন। একইসাথে প্রিয় সন্তানদের জেলখানা থেকে মুক্ত করতে স্বর্নালংকার,হালের বলদ বিক্রি করেছেন। খরচ করেছেন কষ্টার্জিত সমুদয়অর্থ। বঙ্গবন্ধুর হত্যার ৪৩ বছর পরেও ওই তিনবন্ধু প্রবীর কুমার বর্মন, নির্মল কর্মকার ও অশোক কুমার পালের মেলেনি কোন সরকারী স্বীকৃতি কিংবা সহযোগীতা। বঙ্গবন্ধুর দল ও তার কন্যা রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় থাকলেও তাদের দৈন্যতার ছেঁড়াপালে সুখের বাতাস লাগেনি। অর্থকষ্টে তিনবন্ধু তাদের সন্তানদের শিক্ষিত করলেও তাদেরও জুটেনি সরকারী চাকরী। নিদারুন অর্থকষ্টে থাকা প্রতিবাদী তিনবন্ধু জীবনসায়ান্নে এসে সরকারের সুদৃষ্টি প্রত্যাশা করেন। বঙ্গবন্ধুর হত্যার সাথে যারা সরাসরি জড়িত,যারা আড়ালে থেকে হত্যায় ইন্ধন জুগিয়েছেন তাদের বিচার শুরু হয়েছে। এটাতে তারা সন্তোষ প্রকাশ করে জানান,বাকি পলাতক আসামীদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় দ্রুত কার্যকর জীবদ্বশায় দেখে যেতে পারলেই তাদের প্রতিবাদ আর জেলখাটা সার্থক হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার তমাল হোসেন জানান,বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদকারী তিনবন্ধুর জেল খাটার ঘটনা আমি জানার পর সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে সরকার ও দেশবাসীর কাছে তুলে ধরার ব্যবস্থা করেছি। একইসাথে আগামীতে তাদের যোগ্য সম্মান ও সরকারী সহযোগীতা পেতে সরকারের উর্ধতন মহলে বিষয়টি অবহিত করা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সকল সহযোগীতার ব্যবস্থার আশ্বাসও দেন তিনি। এব্যাপারে গুরুদাসপুর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের একাধীক মুক্তিযোদ্ধার সাথে কথা বললে জানান,বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদে তিনবন্ধুর প্রতিবাদ মিছিল,লিফলেট বিতরন,পোষ্টারিং,গ্রেফতারের ঘটনা সঠিক। মুক্তিযোদ্ধাগন তিনবন্ধু প্রবীর কুমার বর্মন, নির্মল কর্মকার ও অশোক কুমার পালকে সরকারীভাবে সহায়তা করতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার প্রতি আহবান জানান।

 

নাসিরনগরে আমন ধান সংগ্রহের শুভ উদ্ভোধন

সুজিত কুমার চক্রবর্তী, নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ  জেলার নাসিরনগর উপজেলা খাদ্য বিভাগের উদ্যোগে ৯ ডিসেম্বর সকাল ৯ ঘটিকায় খাদ্য গুদামে কৃষকের নিকট থেকে অভ্যন্তীন আমন ধান প্রতি কেজি ২৬ টাকা ধরে ১ টন করে সংগ্রহের শুভ উদ্ভোধন করেন নাসিরনগর উপজেলা  নির্বাহী কর্মকর্তা  নাজমা আশরাফী। উদ্ভোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সুলাইমান মিয়া, ব্যবসায়ী ইকবাল চৌধুরী, কৃষক প্রতিনিধি তপন রায় চৌধূরী, কৃষক মোঃ সফি উল্লা, কৃষক মোঃ সিরাজুল ইসলাম ভূইয়া, সাব্বির আহমেদসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিগণ।
সুজিত কুমার চক্রবর্তী
নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

Attachments area
Play
Play
previous arrow
next arrow
Slider

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে একটি বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। এই ধারার কারণে বহু সাংবাদিককে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অনেক মামলা হয়েছে। অনেককে কারাগারেও যেতে...

    ১৭ই মার্চ, ১৯২০ সালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শেখ লুৎফুর রহমান এবং সায়রা বেগমের ঘরে জন্ম নেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। গোপালগঞ্জ...

previous arrow
next arrow
ArrowArrow
Slider

সমাজ ও রাষ্ট্রে অশান্তির মূল কারণ হচ্ছে নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় …..ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী নেসারুল হক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বরাট জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন, রাজবাড়ী।   জীবনের ক্ষুধা, তৃষ্ণা ছাড়াও, মানুষ এক কাল্পনিক জগতের চাহিদায়...

Archives

Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
Jan0 Posts
Feb0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Nov0 Posts
L0go

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি