সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: ০১৭১১৫৭৬৬০৩
  • সকাল ১১:০৭ | ২৯শে মার্চ, ২০২০ ইং , ১৫ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ৫ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

Monthly Archive :জানুয়ারি ২০২০

নাসিরনগরে বেকার মহিলাদের প্রশিক্ষণের উদ্ভোধন

সুজিত কুমার চক্রবর্তী, নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ  জেলার নাসিরনগর উপজেলা যুব ও ক্রীড়া উন্নয়ন কমিটির বাস্তবায়নে উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্প,স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং জাপান ইন্টারন্যাশনাল  কো- অপারেশন এজেন্সী ( জাইকা)এর অর্থায়নে বেকার মহিলাদের পুথি দিয়ে ব্যাগ, মালা ও শোপিছ তৈরি বিষয়ক প্রশিক্ষণের শুভ উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মিলনায়তনে ২৯ জানুয়ারি বুধবার সকাল ১১ ঘটিকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান রাফি উদ্দিন আহম্মদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুবিনা আক্তার, প্রেস ক্লাবের সভাপতি সুজিত কুমার চক্রবর্তী, গৌর মন্দির কমিটির সভাপতি কাজল জ্যোতি দত্ত। মোঃ ইব্রাহীম ভূইয়ার সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মাতুব্বর রফিকুল ইসলাম। প্রশিক্ষক শিউলী আক্তার এর মাধ্যমে ৩০ জন বেকার মহিলাদেরকে ১০ দিন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

পুত্রের পোস্টার বুকে নিয়ে মায়ের বিলাপ : হত্যাকারীদের শাস্তির দাবী

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
রিমন হত্যার বিচার দাবীতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ মিছিল করছিলো এলাকাবাসী। এসময় একমাত্র ছেলের হত্যাকারীদে বিচারের দাবীতে বুকে পোস্টার জড়িয়ে বিলাপ জুড়েন মা বাছিয়া পারভীন। গতকাল সোমবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সামনে এমন হৃদয়বিধারক দৃশ্য প্রত্যক্ষকারীদের বিবেককে নাড়িয়ে দেয়।
জেলা শহরের সরকারপাড়া মহল্লার যুবক মাহফুজুর রহমান রিমন (২৪) হত্যাকারীদের শাস্তির দাবীতেই মানববন্ধন-বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শরীফ ভাণ্ডারি, নিহত রিমনের বোন বিউটি বেগম, ছাত্রলীগ নেতা জিদনী ইসলাম, আয়াত আলী সরদার, শামছু মিয়া, জসিম সরকার, আবদুল আজিজ অনিক ও মোবারক মিয়া প্রমুখ। এসময় তারা রিমন হত্যায় জড়িত কোনো আসামিকে ধরতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিনা অপরাধে দিন-দুপুরে রিমনকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অথচ নারকীয় এই হত্যা ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রায় এক মাস হতে চললেও কোনো আসামিকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।অবিলম্বে রিমন হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সকল আসামীদের গ্রেফতার করাসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। মানবন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি সকালে সরকারপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে রিমন কাজের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর স্থানীয় মোবারক মিয়ার বাড়ির সামনে টিকিট কালোবাজারি খেলু মিয়া ও তার সহযোগীরা এলোপাথারিভাবে কোপায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ জানুয়ারি রিমন মারা যান। এ ঘটনায় নিহত রিমনের মা বাছিয়া পারভীন বাদী হয়ে খেলু মিয়াসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

” স্বপ্নের যাত্রা “মানব কল্যাণ সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে গুণীজন সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

সুজিত কুমার চক্রবর্তী, নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ         জেলার নাসিরনগর উপজেলায় ” স্বপ্নের যাত্রা” মানব কল্যাণ সংগঠনের চতুর্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গুণীজন সংবধর্না, শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও মাদক বিরোধী সভা ২৭ জানুয়ারি বেলা ৩ ঘটিকায় ফান্দাউক পন্ডিত রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হাবিবুর রহমান শেখ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি  আল আমিন শাহীন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার দৈনিক কুরুলিয়া পত্রিকার সম্পাদক ইব্রাহিম খান সাদাত, নাসিরনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সুজিত কুমার চক্রবর্তী, পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি হরিপদ পোদ্দার, ইউ/পি সদস্য মিজানুর রহমান, সহকারি প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার দেবনাথ,

অভিভাবক সদস্য কাজী ইয়ার খান। স্বপ্নের যাত্রা মানবকল্যাণ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সায়মন ওবায়েদ (শাকিল) এর সঞ্চালনায় বক্তব্য  রাখেন, জাবির আহমেদ, সুমন আহমেদ, পার্থ গোপ, মুনতাসির আহমেদ, তাহমিদ আলম অর্ণব, একরাম আহমেদ প্রমূখ। গুণীজন সংবর্ধনা, পুরস্কার বিতরণ, শিক্ষা উপকরণ বিতরণের পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পন্ডিত রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের   শিক্ষক / শিক্ষিকা, ছাত্র/ছাত্রী, অভিভাবক, সংগঠনের সদস্য ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিগণ।

এক বস্তা ধানে ১ সেট গাইড বই

ফাইদুল ইসলাম : পীরগঞ্জ,(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের গাইড বই কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এতে সর্বস্বান্ত হচ্ছে অভিভাবকরা। শিক্ষার্থী ও অভিভাবদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পীরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষক সমিতি সহায়ক পাঠ্যপুস্তকের (গাইড বই) একটি তালিকা করে উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয় ২য় শ্রেণি থেকে শুরু করে মাধ্যমিক ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি শিক্ষার্থীদের হাতে ধরিয়ে দেয় চলতি বছরের শুরুর দিকে। এরপর সেই তালিকা অনুযায়ী গাইড বই কিনতে বাধ্য করা হয় তাদের।

বর্তমান সরকার বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, গণিত, ব্যাকরণ, বিজ্ঞানসহ পাঠ্যসূচি অনুযায়ী সব ধরনের বই জানুয়ারি মাসে সরবরাহ করলেও স্কুল শিক্ষক ও কোচিং শিক্ষকদের চাপে সে সব বইয়ের সহায়ক বই কিনতে বাধ্য হতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। এসব শিক্ষক সমিতির সরবরাহ গাইড বইয়ের তালিকা অনুযায়ী লাইব্রেরির নাম উল্লেখ করে দেয়া আছে। যেখান থেকে ওইসব বই কিনতে বলা হচ্ছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

এতে হাজার হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে অভিভাবকদের। মোটা অঙ্কের বিনিময়ে ওইসব প্রকাশনী ও লাইব্রেরির নাম বইয়ের তালিকায় সংযোজন করা হয়েছে বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করে। পুস্তক তালিকার নাম অনুযায়ী লাইব্রেরিগুলোতে সরজমিন খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পাঞ্জেরী, অনুপম, লেকচার,কম্পিউটার পাবলিকেশনসহ আরও কয়েকটি গাইড বই বাজারে এসেছে। এতে ষষ্ঠ শ্রেণীর এক সেট গাইড বইয়ের দাম ৬শ’৫৫ টাকা, সপ্তম শ্রেণীর ৬শ’৭০ টাকা,অষ্টম শ্রেণির ১হাজার টাকা,নবম শ্রেণির ৩ হাজার টাকার উপরে বিক্রি করে বলে জানান লাইব্রেরির মালিকরা।

এদিকে সব শ্রেণির সব বইয়ের সেট ছাড়া পৃথকভাবে কোনো বই বিক্রি করছেন না বিক্রেতারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানায়, সে এবার জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবে। তাই সহায়ক বইগুলো কিনতে স্কুল থেকে বলা হয়েছে। এতে পরীক্ষায় কমন পাওয়ার কথা জানিয়েছে তার স্কুল শিক্ষক। এজন্যই তাকে বইগুলো কিনতে হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, সহায়ক বইয়ের নামে শিক্ষার্থীদের গাইড কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে। এসব সহায়ক বই আদৌ কোনো প্রয়োজন আছে কিনা, জানা নেই তার। ৬ষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া ছেলের একসেট বই কিনতে হাজারের উপরে টাকা লাগছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ ছেলেকে কিনতে বলেছে, তাই কিনে দিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

আরেক অভিভাবক বলেন, এই সহায়ক বইগুলোর দামও খুব বেশি। আমরা কৃষক, বাজারে ধানের দাম কম। এক বস্তা ধান বিক্রি করে ১ সেট বই হয় না। বড় সমস্যায় আছি। কয়েক জন শিক্ষার্থী জানান, সহায়ক বইগুলো তাদের কাছে এক ধরনের বোঝা। বোর্ড বইয়ের পাশাপাশি সেগুলো পড়তে অতিরিক্ত চাপ হচ্ছে। কিন্তু কোনো করার নেই, স্কুলের স্যাররা কিনতে বলেছে। প্রশ্নপত্র নাকি এই বইগুলো থেকেই হবে। অনেক শিক্ষার্থীর অভিভাবক চলতি বছরের শুরুর দিকে বই কিনতে ব্যর্থ হলে স্কুলে তাদের ছেলেমেয়েদের নানাভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

তারা বাধ্য হয়েই ছেলেমেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই গাইড বই কিনে দিয়েছেন। অনেক অভিভাবক এখনো গাইড বই কিনে দিতে পারেননি। যে কারণে তাদের ছেলেমেয়েদের স্কুলে শিক্ষকরা নানাভাবে বকাঝকা করছেন এমন অভিযোগও কম নয়। তবে শিক্ষকরা এ অভিযোগ মানতে নারাজ। তাদের বক্তব্য শিক্ষার্থীদের ভালোর জন্যই তারা চাপ নয়, সৎ পরামর্শ দেন। শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, এ উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ১৮৮টি এতে প্রায় ৪৫ হাজার ছাত্র ছাত্রী আছে ।মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৮২টি আর এগুলোর ৬ষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার। সরকার কর্তৃক গাইড বই বিক্রি নিষিদ্ধ তবুও এ উপজেলায় শিক্ষক সমিতির ছত্রছায়ায় দেদার এ ব্যবসা চলছে। যেন দেখার কেউ নেই।

মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাউসার আলম জানান, শিক্ষার্থীরা বোর্ড বইয়ের পাশাপাশি সহায়ক বইয়ের সহযোগিতা নিলে ফলাফল ভালো করবে। তবে এসব বই শিক্ষার্থীদের কিনতে বাধ্য করার কথা তিনি অস্বীকার করেন তিনি। এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ বলেন, বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান তিনি।

” স্বপ্নের যাত্রা “মানব কল্যাণ সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে গুণীজন সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

সুজিত কুমার চক্রবর্তী, নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ  জেলার নাসিরনগর উপজেলায় ” স্বপ্নের যাত্রা” মানব কল্যাণ সংগঠনের চতুর্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গুণীজন সংবধর্না, শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও মাদক বিরোধী সভা ২৭ জানুয়ারি বেলা ৩ ঘটিকায় ফান্দাউক পন্ডিত রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হাবিবুর রহমান শেখ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি  আল আমিন শাহীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার দৈনিক কুরুলিয়া পত্রিকার সম্পাদক ইব্রাহিম খান সাদাত, নাসিরনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সুজিত কুমার চক্রবর্তী, পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি হরিপদ পোদ্দার, ইউ/পি সদস্য মিজানুর রহমান, সহকারি প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার দেবনাথ, অভিভাবক সদস্য কাজী ইয়ার খান। স্বপ্নের যাত্রা মানবকল্যাণ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সায়মন ওবায়েদ (শাকিল) এর সঞ্চালনায় বক্তব্য  রাখেন, জাবির আহমেদ, সুমন আহমেদ, পার্থ গোপ, মুনতাসির আহমেদ, তাহমিদ আলম অর্ণব, একরাম আহমেদ প্রমূখ। গুণীজন সংবর্ধনা, পুরস্কার বিতরণ, শিক্ষা উপকরণ বিতরণের পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পন্ডিত রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের   শিক্ষক / শিক্ষিকা, ছাত্র/ছাত্রী, অভিভাবক, সংগঠনের সদস্য ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিগণ।

পুত্রের পোস্টার বুকে নিয়ে মায়ের বিলাপ : হত্যাকারীদের শাস্তির দাবী

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
রিমন হত্যার বিচার দাবীতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ মিছিল করছিলো এলাকাবাসী। এসময় একমাত্র ছেলের হত্যাকারীদে বিচারের দাবীতে বুকে পোস্টার জড়িয়ে বিলাপ জুড়েন মা বাছিয়া পারভীন। গতকাল সোমবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সামনে এমন হৃদয়বিধারক দৃশ্য প্রত্যক্ষকারীদের বিবেককে নাড়িয়ে দেয়।
জেলা শহরের সরকারপাড়া মহল্লার যুবক মাহফুজুর রহমান রিমন (২৪) হত্যাকারীদের শাস্তির দাবীতেই মানববন্ধন-বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শরীফ ভাণ্ডারি, নিহত রিমনের বোন বিউটি বেগম, ছাত্রলীগ নেতা জিদনী ইসলাম, আয়াত আলী সরদার, শামছু মিয়া, জসিম সরকার, আবদুল আজিজ অনিক ও মোবারক মিয়া প্রমুখ। এসময় তারা রিমন হত্যায় জড়িত কোনো আসামিকে ধরতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিনা অপরাধে দিন-দুপুরে রিমনকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অথচ নারকীয় এই হত্যা ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রায় এক মাস হতে চললেও কোনো আসামিকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।অবিলম্বে রিমন হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সকল আসামীদের গ্রেফতার করাসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। মানবন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি সকালে সরকারপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে রিমন কাজের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর স্থানীয় মোবারক মিয়ার বাড়ির সামনে টিকিট কালোবাজারি খেলু মিয়া ও তার সহযোগীরা এলোপাথারিভাবে কোপায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ জানুয়ারি রিমন মারা যান। এ ঘটনায় নিহত রিমনের মা বাছিয়া পারভীন বাদী হয়ে খেলু মিয়াসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া,  রাজধানী ঢাকার ব্যবসায়ী আব্দুল হান্নান বাহারকে তার পাওনা টাকা পরিশোধের কথা বলে ডেকে এনে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় চারজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল ৬ জানুয়ারি সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা ও দায়রা জজ এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. নুরু মিয়া, মো. জিয়াউল হক, লোকমান খান এবং মো. কাদির হোসেন। রায় ঘোষণাকালে একমাত্র জিয়াউল হক আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপরাপর আসামীরারয়েছেন পলাতক।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি উপজেলার অম্বরনগর গ্রামের আব্দুল লতিফের পুত্র আব্দুল হান্নান বাহার (৪৫) রাজধানী ঢাকার চকবাজারে কসমেটিক ও ইমিটেশনের ব্যবসা করতেন। বাহারের দোকান থেকে মালামাল কিনে নিতেন দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকাররা। প্রত্যেক বছর ঈদশেষে বাহার পাইকারদের কাছ থেকে বকেয়া টাকা আদায় করে ঢাকায় ফিরতেন। বিগত ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দের ৪ আগস্ট দুপুর তিনটার দিকে বাহার কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা এলাকায় পাইকার লোকমান খানের কাছে বকেয়া আদায় করতে যান। বাহারকে তার পাওনা টাকা পরিশোধ করবেন বলেই লোকমান বাঙ্গরা বাজারে ডেকে  আনেন । চারদিন পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এলাকার তিতাস নদী থেকে পুলিশ উদ্ধার করে ব্যবসায়ী বাহারের মরদেহ।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা জানিয়েছে, বাহার বাঙ্গরা বাজারে যাওয়ার পর লোকমান তার শ্বশুর বাড়িতে বেড়ানোর নাম করে বাহারকে ইঞ্জিনের নৌকায় তুলে নিয়ে যান। নৌকায় আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায়ের জন্য বাহারের আত্মীয়-স্বজনদের কাছে টাকা দাবী করেন। লোকমান গংরা টানা দুদিন পর্যন্ত হাত-পা বেঁধে বাহারকে নির্যাতন করেন। কিছু টাকা আদায়ের পর আরও টাকার জন্য বাহারকে হত্যার হুমকি দেন তারা।

৬ আগস্ট রাত অনুমান সাড়ে নয়টার দিকে লোকমান গংরা বাহারকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উজানচর লঞ্চঘাটের বিপরীত দিকে তিতাস নদীতে ফেলে দিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। দু’দিনের মাথায় ৮ আগস্ট বিকেল তিনটার দিকে পুলিশ নদী থেকে উদ্ধার করে বাহারের মরদেহ।

পরদিন ৯ আগস্ট বাহার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার ছোট ভাই বেলাল হোসেন বাদী হয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যার ঘটনা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামীদের বিরুদ্ধে ওই বছরের ১০ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) আদালতে দাখিল করেন অভিযোগপত্র।

ছয় বছরের মাথায় গতকাল ৬ জানুয়ারি সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ সফিউল আজম চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার রায়ে চারজনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এস.এম ইউসুফ চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন,’এই রায় বিচার নিশ্চিত হয়েছে।’ আসামী পক্ষের নিযুক্তিয় আইনজীবী জসিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় রায়টি সঠিক হয়নি। আমরা উচ্চ আদালতে আপীল করবো।’

আশুগঞ্জ রেল স্টেশনে বি-গ্রেডের সুযোগ সুবিধার দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া,  ব্র্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ রেলস্টেশনকে বি-গ্রেডের সকল সুযোগ সুবিধা নিশ্চিতকরনের দাবীতে অবস্থান ধর্মঘট ও প্রতিবাদ সভা হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে আশুগঞ্জ রেল স্টেশনের ১ নং প্লাটফর্মে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পালনকৃৃত অবস্থান ধর্মঘটে একাত্মতা পোষন করেন আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হানিফ মুন্সি।

জাগ্রত আশুগঞ্জবাসী সংগঠনের আহবায়ক হাজী মো. ছফিউল্লাহ মিয়ার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিমা সুলতানা, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা হেবজুল বারী, সংগঠনের সদস্য সচিব মো. মোবারক আলী চৌধুরী প্রমূখ। বক্তারা বলেন, স্টেশনটি বি-গ্রেড থাকলেও মান অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেনা যাত্রীরা। অনতিবিলম্বে স্টেশনটিতে বি-গ্রেডের সকল সুযোগ সুবিধা বাস্তবায়িত না হলে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষনার কথা জানান বক্তারা।

Attachments area

অনুমতি না থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে শিক্ষা কর্মকর্তার সহায়তা

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া,  অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারি বই দিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার ‘বগইর মডেল স্কুল এণ্ড কলেজ’ নিয়ম বহিভূর্তভাবে প্রাথমিকের শাখা চালু এবং বই দিয়ে সহায়তার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল আলিম   রানার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, সরকারি প্রাথমিকের কেসমেন্ট এরিয়ার ভেতরে প্রাথমিকের শাখাটি চালু করা করার পর পাশ্ববর্তী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সঙ্কট দেখা দেয়। এবছর মাত্র অাট জন ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়েছে বগইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

কিন্তু ওই স্কুল এণ্ড কলেজে প্রাথমিকের শাখা খোলা এবং পাঠদানের অনুমতি যাতে না দেয়া হয় সে ব্যাপারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. আব্দুল হাফিজ ভুইয়া আগেই আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর আবেদন জানিয়েছিলেন।
তাছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে নতুন কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যাতে গড়ে উঠতে না পারে এব্যাপারে গত ২৪ জুলাই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে উপজেলা এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নজরদারি বাড়ানোরও নির্দেশ দেয়া হয়। তথাপিও গত ১ জানুয়ারি ওই স্কুল এণ্ড কলেজে প্রাথমিকের শাখায় ভর্তি হওয়া ৩০জন শিক্ষার্থীর জন্যে বই সরবরাহ করেছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল আলিম রানা। তার দাবী, ‘প্রাথমিকের ওই শাখাটি বই পাওয়ার দাবী রাখে।’

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেসমেন্ট এরিয়ার ভিতরে নূতন করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শাখা বা প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের অনুমতি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই জানালেও বিদ্যালয়টি কিভাবে বই পেল সেটি তার অজানা বলে জানান। তিনি বলেন, ‘তাদের বই পাওয়ার কোন সুয়োগ নেই। কেন বই দেয়া হলো, সেটি আমি জানবো।’

বহুল সমালোচিত ডা. ডিউককে রক্ষায় চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ‘ভুল চিকিৎসায়’ স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যুর অভিযোগে করা মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বহুল আলোচিত-সমালোচিত চিকিৎসক ডিউক চৌধুরী ও তার হাসপাতালের দুই চিকিৎসককে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করেছেন চিকিৎকরা। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) ডাকে ৪ জানুয়ারি শনিবার সকাল আট্টা থেকে বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ রাখেন চিকিৎসকরা।
তবে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা প্রদান অব্যাহত থাকে।রোগীদের কষ্ট দিয়ে চিকিৎসকদের এহেন প্রতিবাদকে অমানবিক হিসেবে দেখছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘ভুল চিকিৎসায়’ জেলা শহরের মুন্সেফপাড়া এলাকার স্কুলশিক্ষিকা নওশীন আহমেদ দিয়ার মৃত্যু হয়েছে- অভিযোগে একই এলাকার খ্রিস্টিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ডা. ডিউক চৌধুরী এবং তারই মালিকানাধীন হাসপাতালের দুই চিকিৎসক অরুনেশ্বর পাল অভি ও শাহাদাত হোসেন রাসেলের বিরুদ্ধে গত বছরের ১৩ নভেম্বর আদালতে মামলা হয়। মৃত দিয়ার বাবা শিহাব আহমেদ গেন্দুর করা ওই মামলায় উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের জামিন নেন ওই তিন চিকিৎসক।

জামিন শেষে গত ১৮ ডিসেম্বর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন তারা। কিন্তু আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মো. হাসানুল ইসলাম মামলাটি অধিকতর শুনানির জন্য ১ জানুয়ারি ধার্য করেন। এরপর ১ জানুয়ারি আবার ওই তিন চিকিৎসক জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে শুনানি শেষে বিচারক মোহাম্মদ সফিউল আজম জামিন নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তিন চিকিৎসককে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় বিএমএ এবং বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক মালিক সমিতির যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ওই সভায় তিন চিকিৎসককে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদ এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির দাবিতে শনিবার দিনব্যাপী সকল চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সে মোতাবেকই চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করেন।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আবু সাঈদ বলেন, ‘চিকিৎসকরা জেলে গেলে নিরাপত্তহীনতার কারণেই চিকিৎসা করতে পারবে না। আমরা চাই চিকিৎসার বিষয়ে সন্দেহ থাকলে সে বিষয়ে অভিজ্ঞ কারোর মতামত এবং তদন্ত, তারপর মামলা হোক। ডা. ডিউকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত হয়নি। আজকের কর্মসূচি পালনের পর আলোচনা করে আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করবো।

Play
Play
previous arrow
next arrow
Slider

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে একটি বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। এই ধারার কারণে বহু সাংবাদিককে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অনেক মামলা হয়েছে। অনেককে কারাগারেও যেতে...

    ১৭ই মার্চ, ১৯২০ সালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শেখ লুৎফুর রহমান এবং সায়রা বেগমের ঘরে জন্ম নেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। গোপালগঞ্জ...

previous arrow
next arrow
ArrowArrow
Slider

  …..ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী নেসারুল হক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বরাট জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন   জীবনের ক্ষুধা, তৃষ্ণা ছাড়াও, মানুষ এক কাল্পনিক জগতের চাহিদায় যেন সদা ব্যাকুল। কল্পনা যখন বাস্তবে শিল্পসম্মতভাবে প্রকাশ পায় তখন...

Archives

Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
Jan0 Posts
Feb0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Nov0 Posts
L0go

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি