সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: ০১৭১১৫৭৬৬০৩
  • সকাল ১০:৩৬ | ২৮শে মে, ২০২০ ইং , ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৫ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী

Monthly Archive :ফেব্রুয়ারি ২০২০

মালয়েশিয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এসোসিয়েশনের উদ্যোগে নৈশভোজ ও সংবর্ধনা

মালয়েশিয়া প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কমিউনিটি সংগঠন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এসোসিয়েশনের উদ্যোগে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা,

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শিক্ষক কর্মচারী কল্যান ট্রাস্ট এর সচিব এবং স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ এর সাধারন সম্পাদক অধ্যক্ষ মোঃ শাহজাহান আলম সাজু কে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। এবং তিনি মালয়েশিয়া আগমন উপলক্ষে এক মত বিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল ইসলাম বাবুল এর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মোঃ রাহাদ উজ্জামানের সঞ্চালনায় , মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন,

প্রধান অতিথি অধ্যক্খ মোঃ শাহাজাহান আলম সাজু, বিশেষ অতিথি শ্রীপুর টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্খ মোঃ মোকসেদূর রহমান, মহানগর টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সেলিম রহমান, এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা, জাকিরুল ইসলাম, সিনিয়র সহ- সভাপতি সাঈদ সরকার, সহ-সভাপতি কবি আলমগীর হোসেন, আশফাকুল ইসলাম সোহেল, রিপন মিয়া, বাচ্চু মিয়া, বিশিষ্ট গায়ক সজিবুল ইসলাম, মাসিক মানবজীবনের সম্পাদক ইমদাদুল হক তৈয়ব সহ আর ও অনেকে। শিক্ষা সচিব শাহজাহান আলম সাজু প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন,

বঙ্গবন্ধুর আদর্শে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় বর্তমান শিক্ষা ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে, সারাদেশে শিক্ষার হার আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে, এক্ষেত্রে প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ এর কৃতি সন্তান অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু কে প্রবাসীরা বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা দেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক দৌলত হোসেন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান, সদস্য ফরহাদ হোসেন, সালাম মিয়া সহ আরও অনেকে। সভা শেষে উনার সম্মানে নৈশভোজের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি হয়।।

ব্যাপক পাঠক জনপ্রিয়তায় লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ সাইফুল ইসলাম (LPR)এর সংগতি অসংগতির মেরুকরণ

নূরুল ইসলাম নয়ন:

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অংশগ্রহণকারী সেনা অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ সাইফুল ইসলাম (LPR) একজন সমাজ সচেতন মানবদরদী লেখক।

এবারের বইমেলায় তাঁর লেখা একটি জীবনমুখী বই বের হয়েছে । মানুষ মাত্রই সামাজিক জীব, সমাজের বিভিন্ন অসংগতি  নিয়ে খুব সময় উপযোগী একটা বই রচনা করেছেন, যে বই পড়ে মানুষের মাঝে সমাজের ও ব্যক্তি জীবনের বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা তৈরি হবে  এবং এর মাধ্যমে একটি নৈতিক সমাজ গড়ে উঠবে।

জনাব সাইফুল ইসলাম আমাদের সমাজের মৌলিক সংগতি অসংগতি নিয়ে আলোচনা করেছেন যা প্রতিনিয়ত অনেক মানুষের মনে দোলা দেয়, যেমন অনৈতিক টিভি বিজ্ঞাপনের প্রভাব,  মোবাইল ফোনের অপব্যবহার , খাদ্যে ভেজাল, ইয়াবার প্রভাব ইত্যাদি লিখেছেন।

 বৃদ্ধ পিতা-মাতার পিতা-মাতার পারিবারিক গুরুত্ব ও বৃদ্ধাশ্রম এর আত্মকাহিনী লিখেছেন “যে মানুষগুলো তোমাকে তোমাদেরকে এত কষ্ট, শ্রম ও অর্থ খরচ করে বড় করে তুলল আর তুমি তোমার মূল্যবান এই সম্পদকে আমার কাছে রেখে নিঃস্ব হয়ে গেলে ”

খাদ্যের ভেজাল নিয়ে তিনি অনেক তথ্যনির্ভর লিখেছেন,

DDT একটি মারাত্মক রাসায়নিক পদার্থ, DDT মিশ্রিত  খাদ্যদ্রব্যকে আমরা যতই ধুয়ে রান্না করে খাই না কেন , এটা আমাদের দেহে ঢুকে যায় এবং তা  প্রতিনিয়ত আমাদের শরীরের ক্ষতি সাধন করে থাকে।

 

সংগতি অসংগতি মেরুকরণ এই বইটি বইমেলার Pdulum publisher 171 নং স্টলে পাওয়া যাচ্ছে 

আশুগঞ্জ প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত অর্থনৈতিক শিল্পাঞ্চলে অন্তর্ভূক্ত : শিল্প প্রতিমন্ত্রী

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
মুজিববর্ষ উপলক্ষে সরকার নতুন নতুন শিল্প কারখানা চালু করতে যাচ্ছে। অনেকগুলো শিল্প কারখানা বন্ধ ছিলো। ইতোমধ্যে সেগুলোকে নতুনভাবে চালু করে শ্রমিক-কর্মচারীদেরকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দেশের যেসব জায়গায় সার কারখানা নেই, সেসব জায়গায় নতুন সার কারখানা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ
ফার্টিলাইজার অ্যাণ্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানিয়েছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার এম.পি।
শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা দেয়া নতুন ১০০টি অর্থনৈতিক শিল্পাঞ্চলের মধ্যে আশুগঞ্জও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই আশুগঞ্জ সার কারখানার পুরোনো যন্ত্রপাতিগুলো নতুনভাবে সংযোজন করার পরও যদি কাজ না হয় তাহলে নতুর সার কারখানা স্থাপন করা হবে। সেজন্য  ‘এই কারখানার যন্ত্রপাতি আর চলবে না’ বিসিআইসি থেকে এমন প্রস্তাব দিতে হবে।
শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার আরো বলেন, এখন যথাসময়ে কৃষকদের কাছে সার পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। যার কারণে কৃষকদের ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি। আমরা চেষ্টা করবো আমাদের দেশের চাহিদা মিটিয়ে যেনো বিদেশে সার রফতানি করতে পারি। সে ধরণের পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। যার প্রেক্ষিতেই আমরা কারখানাগুলো আধুনিকায়ন করছি।
সার কারখানা পরিদর্শেনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান হাইয়ুল কাইয়ূম, আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যাণ্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান, মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) এ.টি.এম. বাক্কী ও আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজিমুল হায়দার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সৃজন মিউজিকহারমোনিকা শিল্পী সোহমের বিশ্বরেকর্ড

 

শাহজাহান আকন্দ শুভ :

সোহম্ মুখোপাধ্যায় ওপার বাংলার একজন জনপ্রিয় হারমোনিকা শিল্পী। যিনি মুখের পাশাপাশি নাক দিয়েও হারমোনিকা বাজান। সাংস্কৃতিক পরিবারে জন্ম সোহম হারমোনিয়াম , অ্যকোর্ডিয়ান, কী-বোর্ড.. মেলোডিকা, গিটার, ঢোল, আন্দলহরী ও বাঁশি বাজাতেও পারদর্শী। শ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে হারমোনিকা, মেলোডিকা বাজাতে বাজাতেই একসময় সোহম্ মুখোপাধ্যায়ের পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে। এখন তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একজন দক্ষ হারমোনিকা শিল্পী। এ পর্যন্ত ৮টি আন্তর্জাতিক পূরুস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
সৃজনমিউজিকবিডি ডটকমের সঙ্গে আলাপচারিতায় সোহম্ মুখোপাধ্যায় তার হারমোনিকা শিল্পী হয়ে ওঠার গল্প বলেছেন।

আপনি হারমোনিকা শিল্পী হলেন কেন :

সোহম্ মুখোপাধ্যায় : বাল্যকাল থেকেই সাংস্কৃতিক বাতাবরণে বেড়ে ওঠা। বাবা সতীনাথ মুখোপাধ্যায় আবৃত্তিকার।মা পূর্ণিমা মুখোপাধ্যায় সঙ্গীতচর্চা করতেন।বাবার কাছে আবৃত্তি আর মায়ের কাছে গান শিখতে শিখতে হঠাৎ মনে হয়েছিল সুরের ব্যপ্তি দেশ কাল সীমানার ঊর্দ্ধে। কোথাও কোনো বাধা নেই। তারপর থেকেই যন্ত্রসঙ্গীতের প্রতি আকর্ষণ। হারমোনিকা এক এমন যন্ত্র যা অতি সহজেই সব জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়। যন্ত্র হতে নির্গত সুরের মিষ্টতা প্রথম থেকেই মগ্ন করে রাখত আমাকে। তাছাড়া হারমোনিকা ভীষণভাবে একাকীত্ব দূর করে। তাই শৈশবে হারমোনিকার প্রেমে পড়ার পর থেকে আর তাকে ভুলতে পারিনি।

কবে থেকে শুরু করেছেন :

সোহম্ মুখোপাধ্যায় : ১০ বছর বয়সে হাতেখড়ি।প্রসঙ্গত বলি, আমি প্রায় বে‌শ কিছু যন্ত্রসঙ্গীত বাজাতে জানি.. ( হারমোনিয়ম , অ্যকোর্ডিয়ান, কী-বোর্ড.. মেলোডিকা, গিটার, ঢোল, আন্দলহরী, বাঁশি ইত্যাদি)।

আপনার গুরু কে ..

সোহম্ মুখোপাধ্যায় : হারমোনিকায় আমার হাতেখড়ি হয় শ্রী সন্দীপন বাবুর কাছে। তারপর প্রথাগতভাবে আরো শিক্ষালাভ করি গুরু সুজয় নন্দের কাছে।এছাড়াও অনবরত শিখে চলেছি। সেদিক থেকে বলতে ল্যরি অ্যডলার, অ্যান্ড্রু ,হার্পোলির ভিডিও.. ব্রূনো মার্শ থেকে নবীনতম হারমোনিকা বাদক সবার আমি ছাত্র।

কী কী পুরুস্কার পেয়েছেন এ পর্যন্ত : 

সোহম্ মুখোপাধ্যায় : আমার একটি বিরল ক্ষমতা, তা হলো আমি শ্বাস প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে হারমোনিকা/মাউথ অরগ্যানকে ঘন্টার পর ঘণ্টা অক্লেশে বাজাতে পারি।এই বিরল শ্বাস নিয়ন্ত্রণ ও সম্পূর্ণ অন্য মাত্রায় সঙ্গীতে বিশেষ পারদর্শিতার জন্য আমি এ পর্যন্ত আটটি বিশ্বরেকর্ডে ভূষিত হয়েছি। যা আজ পর্যন্ত কারও নেই। এমনকী সম্প্রতি গত ২২ ফেব্রুয়ারি , মেলোডিকা নামে একটি যন্ত্র নাক দিয়ে বাজানোর জন্য অতি সম্প্রতি আমার আরো একটা বিশ্বরেকর্ড হয়েছে। নাক দিয়ে হারমোনিকা /মাউথ অরগ্যান বাজানোর মতো প্রক্রিয়া সর্বো প্রথম আবিষ্কার করার জন্য ইউ আর এফ রেকর্ড ফোরাম আমাকে “ফাদার অফ নোসমোনিকা (নোস হারমোনিকা) এই সম্মানে ভূষিত করেছে। সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশের অন্যতম সেরা পুরষ্কার.. “ভারত শিরোমণি আন্তর্জাতিক পুরস্কার “পেয়েছি।এছাড়াও বেশ কিছু গুণি মানুষের প্রশংসা।এগুলো আমার কাছে পুরষ্কার।যেমন MTV এর একটা অনুষ্ঠানে Benny dayal এর আমার সুর শুনে বিহ্বল হয়ে যাওয়া, মাননীয় শ্রী প্রতুল মুখোপাধ্যায়.. যিনি “আমি বাংলায় গান গাই ..আমি বাংলার গান গাই ” এই গানটি লিখে এবং সুর দিয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে আছেন।সেই জীবন্ত কিংবদন্তির কাছ থেকে আশীর্বাদ আমার চলার পথে পাথেয়। খুব ভালো লাগে তিনি যখন আমার মাউথ অরগ্যানে গানটি শুনতে চান।এসব আমার কাছে পুরষ্কারের থেকে কম কিছু নয়। পরম পাওয়া।

হারমোনিকা নিয়ে আপনার স্বপ্ন কী :

সোহম্ মুখোপাধ্যায় : স্বপ্ন অনেক.. সফল হলে জানাব.. স্বপ্নগুলোকে বাস্তব পটভূমিতে যদি আনতে পারি… তখন অবশ্যই আবার মুখোমুখি বসার জন্য অপেক্ষমান হবো।

সোহম্ মুখোপাধ্যায়

সোহম্ মুখোপাধ্যায়

হারমনিকা বাজাতে গিয়ে আপনি কারও অনুসরণ করেন কিনা : 

সোহম্ মুখোপাধ্যায় : না.. যেহেতু ঘরানা/ প্রক্রিয়াটা আমার সৃষ্টি.. তাই কখনো অনুসরণ করিনি। আমার গান ,সুর আমার নিজস্ব স্বকীয়তা ধরে রেখে এগিয়ে চলেছে। তবে সেটা মূল সুরকে অমর্যাদা দান করে কখনই নয়।
সোহম্ মুখোপাধ্যায় সৃজনমিউজিকবিডিকে জানান, বাংলাদেশি শ্রোতা-দর্শকের জন্য তার প্রবল ইচ্ছা অনুষ্ঠান করার। সুযোগ পেলে বাংলাদেশে গিয়েও পারফর্ম করবেন বলে জানান সোহম্ মুখোপাধ্যায়।

বিসিএস পরীক্ষায় সফল হওয়ার জন্য সুর্নিদিষ্ট গাইড লাইন প্রয়োজন 

নুরুল ইসলাম নয়ন: দেশের স্বনামধন্য B,C,S কোচিং সেন্টার কনফিডেন্স’র এম ডি লায়ন তসলিমা গিয়াস গতকাল মানবজীবনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, B, C, S পরিক্ষায় সফল হওয়ার জন্য সুর্নিদিষ্ট গাইড লাইন প্রয়োজন।

 

মানবজীবন২৪ : কবে থেকে আপনি এ প্রতিষ্ঠানের হাল ধরেছেন ?

তাসলিমা:  ১৯৯১ সালে বিসিএস কনফিডেন্স লায়ন মোঃ গিয়াস স্যার হাতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৪ সালে তাঁর মৃত্যুর পর আমি ২০১৫ সাল থেকে

পরিচালনায় আছি।

মানবজীবন ২৪:  আমরা দেখছি আরো একটি প্রতিষ্ঠানে আপনার প্রতিষ্ঠানের নামে  চলছে এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কি?

 তাসলিমা:  আমাদের প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে সাধারন ছাত্রছাত্রীদের প্রতারিত করছে । আমি আইনী প্রক্রিয়ায় আছি এটা বন্ধ করার জন্য, আশা করছি খুব শীঘ্রই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ নামের অপব্যবহার বন্ধ হবে।

মানবজীবন২৪ : বিসিএস পরীক্ষায় সফলতার ক্ষেত্রে কোচিং এর ভূমিকা সম্পর্কে একটু বলুন।

তাসলিমা:  সুনির্দিষ্টভাবে সুশৃঙ্খল মোটিভেশনের মাধ্যমিক প্রস্তুতি নিলে সফলতা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব, যদি কোন ষ্টুডেন্ট নিজে নিজকে পরিচালনা করে প্রস্তুতি নিতে পারে তাতেও সফল হওয়া সম্ভব ।

মানবজীবন২৪:  আপনার পরিচালিত কতটা শাখা আছে ?

 তাসলিমা:  লায়ন স্যার  থাকতে ২২ টি শাখা ছিল,  এখন আমার পরিচালনায়  ৫৭ টি শাখা আছে।

 মানবজীবন:  আপনার প্রতিষ্ঠান স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য কি?

 তাসলিমা: আমাদের প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে অন্যদের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন, যেমন আমরা নিয়মিত মক টেষ্ট ব্যবস্থা করি , এখানে যে কেউ ফি দিয়ে মক টেষ্টে অংশ নিতে পারে।

 মানবজীবন: আপনাকে ধন্যবাদ।

তাসলিমা: আপনাকেও ধন্যবাদ। মানবজীবনের উত্তোরত্তোর সফলতা কামনা করি।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলণ কক্ষে জেলা প্রশাসক হায়াৎ-উদ-দৌলা খানের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহআলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর দপ্তর) মো. আবু সাঈদ, কসবা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদুল কায়সার ভূইয়া জীবন। সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে সকল সরকারি দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের বিভিন্ন কর্মসূচা সমন্বয় করে আনন্দঘন পরিবেশে জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপনে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। এসময় জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরাকারি দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ জনপ্রতিনিধিগন উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ের (গ্রেড-৪ থেকে গ্রেড ১০) ক্যাটাগরিতে চারজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কাজের দক্ষতায় মূল্যায়ন সূচক শুদ্ধাচার পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হয়।

প্রতিবেশী মহিলার গায়ে ছ্যাকা-মাথার চুল কর্তনকারী ১৬ মামলার্য়আসামি ফয়সাল গ্রেপ্তার

এইচ.এম.সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
দু’একটি নয়, ১৬ মামলার আসামী মোস্তাক আহেমদ ফয়সাল। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ, বিজয়নগর এবং হবিগঞ্জের বিভিন্ন থানায় হত্যা, ডাকাতি, চুরি, ছিতাই, অস্ত্রসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১৬ মামলায় অভিযুক্ত ওই ফয়সাল এবার খোশনাহার অাক্তার নামীয় প্রতিবেশীর উপর চালালেন নৃশংস নির্যাতন। ওই মহিলার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লোহা গরম করে ছ্যাকা দিয়ে জ্বলসে দেয়াসহ কেটে দিয়েছেন মাথার চুলও।
১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের কাউতলী এলাকায় পৈশাচিকতার শিকার খোশনাহার হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার ধর্মনগর ইউনিয়নের শিয়ালহুড়ি গ্রামের মৃত সোনাব আলীর মেয়ে। পুলিশ তাকে উদ্ধধার করেছে। অপরদিকে নারকীয় এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফয়সালকে করা হয়েছে গ্রেপ্তার।
 নির্যাতনের শিকার হওয়া খোশ নাহার জানান, একজন প্রতিবেশী হিসেবেই ফয়সালের সাথে তার পরিচয়। সেই সুবাধেই ফয়সাল তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গাড়িতে তুলে কাউতলীস্থ তার ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। তারপর সেখানে হাত-পা বেঁধে আমার কাছে টাকা দাবি করে। আমি টাকা দিতে অনীহা প্রকাশ করলে আমার উপর চালায় পাশবিক নির্যাতন। তার সঙ্গে কয়েকজন মিলে মারধর করতে শুরু করে। পরে আমার হাত, পা ও গলায় গরম লোহা দিয়ে ছ্যাকা দেয় এবং মাথার চুলও কেটে দেয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ নির্যাতিতাকে উদ্ধার এবং ফয়সালকে আটক করা হয়েছছে। তার বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ, বিজয়নগর থানায় হত্যা, চুরি, ডাকাতি, ছিতাই, অস্ত্রসহ ১৬ টি মামলা রয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন দিনব্যাপী আর্ট প্রশিক্ষণ কর্মশালা

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
‘প্রকৃতির সান্নিধ্যে শিশুরা’- এই শ্লোগানে প্রত্যেক বছরের ন্যায় এবারও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু নাট্যমের আয়োজনে শীতকালীন আর্ট কর্মশালা শুরু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে জেলার নবীনগর উপজেলার রসুলপুর গ্রামে শতাধিক শিশুর অংশগ্রহণে তিন দিনব্যাপী এই শীতকালীন আর্ট কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। এতে শিশুরা নদী মাতৃক বাংলাদেশের অপরূপ সৌন্দর্য্য তাদের অঙ্কনের মাধ্যমে ফুঁটিয়ে তুলছে।
কর্মশালার উদ্বোধন করেন সিভিল সার্জন ডাক্তার মো. শাহ আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজয়নগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম ভূইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন জামি, প্রেস ক্লাবের পাঠাগার সম্পাদক মোশারফ হোসেন বেলাল, কার্যনির্বাহী সদস্য মজিবুর রহমান খান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমের সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মো. খান বিটু, জেলা সরকারী কর্মচারী কল্যান পরিষদের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ প্রমূখ।
প্রসঙ্গত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমের ছবি আঁকা বিভাগের ছাত্রছাত্রীদের প্রকৃতির সাথে পরিচিত ও ছবি আঁকার প্রশিক্ষণ দিতে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়ে থাকে। এ বছর শিশু নাট্যমের ১৮৫ জন ছাত্রছাত্রী কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন।

নাসিরনগর উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়নে শুভ উদ্বোধনে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

সুজিত কুমার চক্রবর্তী, নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা শুভ উদ্বোধন করার পর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১২ ফেব্রুয়ারি  বিকাল ৩ ঘটিকায় এক  বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলা প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদের নতুন ভবন সংলগ্নে নাসিরনগর উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়নে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা শুভ উদ্বোধনের ফলক উন্মোচন করেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ সাংসদ বদরুদ্দোজা মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম এম পি।  ফলক উন্মোচনের সময় ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান রাফি উদ্দিন আহম্মদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমা আশরাফী, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) তাহমিনা আক্তার,পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম প্রকৌঃ মোঃ শাহজাহান তালুকদার,  মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুবিনা আক্তার, ভাইস চেয়ারম্যান রুবিনা আক্তার, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নাসিরনগরের ডিজিএম মোঃ  সামছু  উদ্দিন, এ জি এম হিমেল কুমার সাহা, প্রেস ক্লাবের সভাপতি সুজিত কুমার চক্রবর্তী , ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ, যুবলীগের নেতৃবৃন্দ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক, ছাত্র/ছাত্রী।
উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নাসিরনগরে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতায় ১৫২ কোটি ৬২ লক্ষ টাকা ব্যায়ে ৯৫৪ কিলোমিটার এলাকায়  বিদ্যূৎ লাইন নির্মাণ  করে ২০ এমভিএ ক্ষমতা সম্পন্ন উপকেন্দ্রের মাধ্যমে ১৩০ টি গ্রামে ৬০ হাজার ৮০১ টি সংযোগ প্রদানের মাধ্যমে জনগণকে বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে বলে  সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

নাসিরনগরে একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পালন উপলক্ষে  প্রস্তুতিমূলক সভা

সুজিত কুমার চক্রবর্তী, নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতাঃ  জেলার নাসিরনগর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নাসিরনগর অফিসার্স ক্লাবে আজ ৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার সকাল ১০ ঘটিকায়  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান রাফি উদ্দিন আহম্মদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুবিনা আক্তার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ অভিজিৎ রায়, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সুমন ভৌমিক। উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) তাহমিনা আক্তার এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাক্কী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আজাহারুল ইসলাম ভূইয়া, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার উম্মে সালমা, প্রেস ক্লাবের সভাপতি সুজিত কুমার চক্রবর্তী, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আলমগীর হোসেন, আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম,নাসিরনগর সরকারি ডিগ্রী মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক মোঃ মাঈন উদ্দিন শান্ত, কাজল জ্যোতি দত্ত,মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজিত কুমার দাস, সরকারি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু সালেম প্রমূখ। উক্ত প্রস্তুতিমূলক সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক  উপস্থিত ছিলেন।

Play
Play
previous arrow
next arrow
Slider

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে একটি বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। এই ধারার কারণে বহু সাংবাদিককে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অনেক মামলা হয়েছে। অনেককে কারাগারেও যেতে...

    ১৭ই মার্চ, ১৯২০ সালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শেখ লুৎফুর রহমান এবং সায়রা বেগমের ঘরে জন্ম নেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। গোপালগঞ্জ...

previous arrow
next arrow
ArrowArrow
Slider

সমাজ ও রাষ্ট্রে অশান্তির মূল কারণ হচ্ছে নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় …..ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী নেসারুল হক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বরাট জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন, রাজবাড়ী।   জীবনের ক্ষুধা, তৃষ্ণা ছাড়াও, মানুষ এক কাল্পনিক জগতের চাহিদায়...

Archives

Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
Jan0 Posts
Feb0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Nov0 Posts
L0go

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি