সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: ০১৭১১৫৭৬৬০৩
  • সকাল ১১:৪৫ | ২৮শে মে, ২০২০ ইং , ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৫ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী

Monthly Archive :মার্চ ২০২০

নাসিরনগর ১৩ টি ইউনিয়নে জিবানূনাশক ওষুধ বিতরণ

 নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়নে করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধ জিবানুনাশক ওষুধ বিতরন। আজ ২৮ মার্চ শনিবার নাসিরনগর আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (সাংসদ) বদরুদ্দোজা মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম এম পি মহোদয়ের নির্দেশনায় ও ব্যক্তিগত হতবিল থেকে নাসিরনগর বাসীর জন্য  ১৩ টি ইউনিয়নে জিবানূনাশক ওষুধ দেয়া হয়।  উপজেলা দায়িত্বে  মনিটরিং টিম  ১৩ টি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি /সাধারন সম্পাদকের হাতে জিবানূনাশক ওষুধ তুলে  দেন। প্রতিটি ইউনিয়নে জিবানূনাশক ওষুধ দেয়ার পরে নাসিরনগর উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ  উপজেলা সদর বাজারে ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্থানে জিবানূনাশক স্প্রে ছিটায়ে কার্যক্রমে শুভ সূচনা করেন । উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোঃ জিতু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ কুমার রায়, উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক সুজিত কুমার চক্রবর্তী, প্রচার সম্পাদক মোঃ লতিফ হোসেন , সাংস্কৃতিক সম্পাদক অরুন জ্যোতি ভট্টাচার্য্য,উপজেলা যুবলীগের সভাপতি অঞ্জন কুমার দেব,আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম,  যুবলীগ নেতা মোঃ রায়হান আহম্মেদ ভূইয়া, যুবলীগ নেতা মোঃ হাকিম রাজা, যুবলীগ নেতা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, যুবলীগ নেতা নির্মল চৌধুরী, স্বরজিত দাস, উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মোঃ নাছির উদ্দিন রানা প্রমূখ। উল্লেখ্য, ১৩ টি ইউনিয়নে  বাজার, মসজিদ, মন্দিরসহ বিভিন্ন স্থানে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃত্বে জিবানূনাশক ওষুধ ছিটানো হবে।

নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্মে  মাক্স, পিপিইসহ সকল উপকরণাদী প্রদান করেন -সংগ্রাম এম পি

নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্মে করোনা চিকিৎসার মোকাবেলার জন্য মাক্স, পিপিইসহ সকল উপকরণাদী প্রদান করা হয়।
এ উপলক্ষে আজ ৩১ মার্চ সকাল ১১.৩০  ঘটিকায়  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্মে রোগীদের হাত ধুয়ার বেসিন ফিতা খেটে উদ্ভোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১(সাংসদ) বদরুদ্দোজা মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম এম পি।  তারপর পরই প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস মোকাবেলার জন্য এম পি মহোদয়ের  নিজ উদ্যোগে ও সহায়তায় উপজেলা  স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ অভিজিত রায়ের হাতে পিপিই, হ্যান্ড স্যানিটারি, মাক্স, গাউন, গোগন্স গ্লাস, ক্যাপ, হ্যান্ড গ্লোবসসহ চিকিৎসদের পরিধান উপকরণাদী তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্মের সকল মেডিকেল অফিসার,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ লিয়াকত আব্বাস টিপু, উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রেস ক্লাবের সভাপতি সুজিত কুমার চক্রবর্তী, আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অরুন জ্যোতি ভট্টাচার্য্য,  প্রভাষক নির্মল চৌধূরী , মোঃ হাকিম রাজা, মোঃ সাখাওয়াত হোসেনসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্মের কর্মকর্তা / কর্মচারীগণ। এ সময় বি এম সংগ্রাম এম পি  বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবেলার নাসিরনগর বাসীর জন্য যা যা করার প্রয়োজন তাই করা হবে,  সেই সাথে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকারি সকল নির্দেশনা মেনে চলার জন্য সকলকে অনুরোধ করেন।

গুরুদাসপুরে করোনা দুর্যোগে কর্মহীন অতিদরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরন

গুরুদাসপুর-নাটোর প্রতিনিধি: নাটোরের গুরুদাসপুরে করোনা দুর্যোগে কর্মহীন সাড়ে ৩ শত দরিদ্র পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত খাদ্যসহায়তা প্রদান করেছেন গুরুদাসপুর পৌরসভা। পৌরসদরের ৯টি ওয়ার্ডে করোনা প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন চা বিক্রেতা,স-মিল শ্রমিক, নরসুন্দর,কাঠ মিস্ত্রি ভ্যান চালকদের মাঝে ১০কেজি চাল বিতরন করা হয়।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে গুরুদাসপুর পৌরসদরের জন্য ৯ মে.টন চাল বরাদ্দ আসে। ওই বরাদ্দ থেকে গত মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে পৌরসদরের চাঁচকৈড় বাজারের স-মিল পট্টি,পুরাতন খাসি হাটা,আমজাদ শেখ স্মৃতি গেট চত্তরে ট্রাকযোগে ওই সহায়তা বিতরন করা হয়। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, নির্বাহী অফিসার তমাল হোসেন, পৌর মেয়র শাহনেওয়াজ আলী,কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পৌর মেয়র শাহনেওয়াজ আলী বলেন, পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের কর্মহীন অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। তিনি জাতির এ মহাদুর্যোগে সরকারের পাশাপাশি বিত্তবানদের কর্মহীনদের সহযোগীতায় এগিয়ে আসার আহবান জানান।

দুই মেম্বারের লোকদের সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

[ টিয়ার শেল-রাবার বুলেট নিক্ষেপ, এলাকায় পুলিশ মোতায়েন]
এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বাড়ির পানি নিষ্কাশন নিয়ে দুই ইউপি মেম্বারের লোকদের মধ্যেকার ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক মানুষ। ৩১ মার্চ মঙ্গলবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের ভূইশ্বর গ্রামের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মলাই মিয়া এবং সাবেক মেম্বার নাছির উদ্দিনের লোকজনের মধ্যে ঘটে এই সংঘর্ষের ঘটনা।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় এলাকাবাসী এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাবেক মেম্বার নাছির উদ্দীনের ভাই শাহাবুদ্দিনের বাড়ির পানি যাওয়াকে কেন্দ্র করে বর্তমান মেম্বার মলাই মিয়া’র সাথে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ৩৮ রাউণ্ড রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ইটপাটকেল ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে উভয় পক্ষের অর্ধশত লোক আহত হয়। আহতদের সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
সরাইল থানার পরিদর্শক (ওসি) শাহদাত হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পরবর্তী সংঘাত এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’

সমাজ ও রাষ্ট্রে অশান্তির মূল কারণ হচ্ছে নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়

সমাজ ও রাষ্ট্রে অশান্তির মূল কারণ হচ্ছে নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়

…..ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী নেসারুল হক

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বরাট জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন, রাজবাড়ী।

 

জীবনের ক্ষুধা, তৃষ্ণা ছাড়াও, মানুষ এক কাল্পনিক জগতের চাহিদায় যেন সদা ব্যাকুল। কল্পনা যখন বাস্তবে শিল্পসম্মতভাবে প্রকাশ পায় তখন তা হয় সাহিত্য। কারণ মন একান্তে যা গড়ে তোলে তা তার নিজের জন্য এবং মনের কথা ভাব, রস, রূপক, অলঙ্কার, ছন্দ ইত্যাদি আভাস-ইঙ্গিতের আশ্রয় গ্রহণ করে অন্যের মনে প্রবেশ করাই সাহিত্য। মানব হৃদয় ও মানব চরিত্রের মাঝে সাহিত্য বিরাজমান। তাই শুধু নিজের আনন্দের জন্য লেখা কোনো বিষয় সাহিত্য নয়। নিজেকে প্রকাশ করার প্রবল ইচ্ছা, চারদিকের অবস্থার সাথে সংযোগ স্থাপনের ইচ্ছা, কাল্পনিক ও বাস্তব জগতের সাথে মেলবন্ধন এবং রূপ বা রসপ্রিয়তার সংস্পর্শে সাহিত্য সংস্কৃতি সুন্দর রূপ লাভ করে। তেমনই বিরল কৃতিত্বের অধিকারী একজন দক্ষ-বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার, কৃতি  খেলোয়াড় সাহিত্যিক, গীতিকার, সুরকার, মিষ্ঠি কন্ঠের সংগীত শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে আজ কিছু সময়ের আলাপচারিতায় ফুটে ওঠে তাঁর জীবনের নানা রুপ, রং ও ছন্দে ভরা দুর্লভ সোনালী অতীত।

১৯৪৬ সালে গোয়ালন্দ খানাধীন তৎকালীন রাজবাড়ী মহকুমা অধীনস্থ ফরিদপুর জেলার চর কাঁচরন্দ গ্রামের স্বনামধন্য বরাট চৌধুরী পরিবারে তার জন্ম। বাবা- প্রয়াত চৌধুরী আব্দুল হামিদ(ক্যালকাটা ইউনিভারর্সিটি  থেকে ইংরেজীতে ডিস্টিংশন প্রাপ্ত) ইংরেজী বিশেষজ্ঞ, সরকারি রেলপথ কর্মকর্তা এবং বিশিষ্ট ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজ হিতৈষী ও সুকন্ঠধারী সঙ্গীতজ্ঞ। মা, মরহুমা চৌধুরী হাসমতুন্নাহার, সুগৃহিনী, সু-অভিভাবক ও সমাজ হিতৈষী। এমনই এক আদর্শ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী নেসারুল হক (কনক, যে নামটি ভারতের বিখ্যাত লেখক শ্রী সমরেশ বসু এবং কন্ঠ শিল্পী শ্যামল মিত্রের রাখা)। তিনি প্রথমে পড়াশুনা শুরু করেন নিকটস্থ বরাট-ভাকলা প্রাইমারী ও হাইস্কুলে। অতঃপর চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যালিটি মডেল হাইস্কুলে এবং পরে ফরিদপুর জেলা স্কুল থেকে ১৯৬২ সালে মেট্রিকুলেশন ও ১৯৬৪ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এইচ এস সি পাশ করেন। অতঃপর তিনি ১৯৬৯ সালে রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (রুয়েট) হতে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

মানবজীবন পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক দেশের বিদ্যুৎ সেক্টরে অনন্য অবদানকারী বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী, সমাজসেবক, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, মেধাদীপ্ত লেখক এর সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপচারিতায় ফুটে ওঠে সমাজের নানান দিক-সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, খান লিপিকা। সুপ্রিয় পাঠকদের উদ্দেশ্যে এখানে তা উপস্থাপন করা হলো-

 

মানবজীবন: আপনার কৈশরের কিছু স্মৃতিময় মুহূর্তের কথা জানতে চাই।

ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী নেসারুল হক: আমার শিশুকাল শুরু হয় কলকাতার নৈহাটিতে। তখন আমাদের বাসায় বিখ্যাত লেখক শ্রী সমরেস বসূ থাকতেন ও সঙ্গীতজ্ঞ শ্যামল মিত্র সবসময় আসা যাওয়া করতেন। আব্বা ছিলেন রেল কর্মকর্তা ও সঙ্গীতজ্ঞ। তিনিই আমার গানের গুরু। তাই রক্তের ধারাতেই সঙ্গীত ভূবনে আমার পথ চলা। পার্টিশন পরবর্তীতে আমরা আমাদের রাজবাড়ীর বরাট গ্রামে চৗধুরী বাড়িতে চলে আসি। সেখানে কিছুদিন পড়াশুনা করে চট্টগ্রামে ছোট খালার বাসায় চলে আসি। খালাম্মা অনেক আদর করতেন। ওখানেই স্কুলে সঙ্গীত প্রতিযোগীতায় গান গেয়ে প্রথম হই এবং একাধিক সঙ্গীতজ্ঞের দৃষ্টি আকর্ষণ করি। ১৯৬২ সালে ঢাকা কলেজে আই এস সিতে ভর্তি হই এবং ১৯৬৪ সালে আই এস সি পাশ করেই রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (রুয়েট) এ ভর্তি হই। রাজশাহীর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষ প্রয়াত আবুল মহসীন স্যার, যিনি মুসলমান ছাত্রদের জন্য অভাবনীয়ভাবে ৫ (পাঁচ) ওয়াক্ত নামাজ অত্যাবশকীয় করে ছিলেন। যেহেতু আমি ছোট বেলা থেকেই নামাজ রোজায় অভ্যস্ত ছিলাম, ফলে আমার জন্য পরিবেশটা ছিল খুবই অনুকূলে। আসলে ছাত্রজীবন মানেই উৎফুল্লচিত্তে বেড়ে ওঠা। আমি সব খেলাধুলাতেই পারদর্শি ছিলাম, বিশেষ করে ফুটবল, হকি, সাইক্লিং ও টেবিল টেনিসে। উল্লেখ্য ১৯৭০ সালে ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাবের পক্ষে খেলে ইষ্টপাকিস্তান টেবিল টেনিসে চ্যামপিয়ান হই। ১৯৬৭ সালে ফরিদপুর শেরে বাংলা গোল্ড কাপ ফাইনাল খেলায় ফরওয়ার্ড পজিশনে খেলে প্রসংশিত হই। মনে পড়ে সে খেলায় আমার সতীর্থ রাইট ইন ও লেফট ইন পজিশনে খেলে ছিলেন তখনকার স্বনামধন্য পা মাকরাণী দুই সহোদর আবিদ এবং মুসা ।

মানবজীবন: আপনার সাংস্কৃতিমনা জীবন সম্পর্কে কিছু বলুন।

ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী নেসারুল হক: আমি ছাত্র জীবন থেকেই স্কুল ও কলেজের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান লিখে সুর করতাম এবং গাইতাম। ১৯৭৬ সালে ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় এ্যাথলেটিকস ক্রীড়া  প্রতিযোগিতায় ম্যরাথন ও ওয়াকথন কমিটিদ্বয়ের প্রেসিডেন্টের গুরুদায়িত্ব অত্যন্ত সফলতার সাথে পালন করে ভূয়ুষী প্রশংসিত হই। ১৯৬৬ সাল  থেকে রেডিওতে এবং ১৯৮০ এর দশকে টেলিভিশনে সঙ্গীত পরিবেশন করি। ১৯৭৭সালে ‘বেদ্বীন ছায়াছবি’ এবং ১৯৭৮ সালে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ‘সঙ্গীনি ছায়াছবিতে’ অতিথি অভিনেতা হিসেবে অভিনয় করে প্রসংশিত হই। সঙ্গীত সাধনায় বৈশিষ্টপূর্ণ অবদানের জন্য প্রবীণ সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘নাট্য সভা  দেশবরেণ্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের সহিত আমাকে ‘নাট্যসভা ২০১৪’ সম্মাননা’ পদকে ভূষিত করে।

বিদ্যুৎ বিষয়ে   ইঞ্জিনিয়ারিং টিমের দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে আমি বহুবার বিদেশে সফর করে বিদ্যুৎ বিষয়ক বিভিন্ন উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করি। ২০০২ সালের ৬ হতে ৮ই মার্চ ইউ,এস,এইড পরিচালিত শ্রীলংকার কলম্বতে অনুষ্ঠিত সার্ক সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে সফল প্রতিনিধিত্ব করি এবং বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিষয়ক প্রতিবেদন উপস্থাপন করে প্রশংসিত হই।

মানবজীবন: আপনি কি কোন রাজনৈতিক মতাদর্শের সাথে যুক্ত ছিলেন?

ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী নেসারুল হক: আমি প্রত্যক্ষভাবে কোন রাজনৈতিক দল করিনা। তবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে খুব কাছ থেকে দেখার ও জানার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় আমি মুগ্ধ হয়েছি। পুরো বাঙ্গালী জাতি তার বজ্রকন্ঠের প্রেরণায় উদ্বীপ্ত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পরেছিল। বঙ্গবন্ধুর অঙ্গুলী হেলনে বাঙালী জাতি মন্ত্রমুগ্ধের মত, নির্ভয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামে লিপ্ত হয়ে এ দেশকে স্বাধীন করেছে। তাই তখন থেকেই আমি বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসি, তার আদর্শকে ভালোবাসি। বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, স্থপতি এবং সর্ব কালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর মমত্ববোধ-ভালোবাসায় তাঁর আর্দশকে চিরজীবন লালন করে যাবো, ইনশাআল্লাহ।

মানবজীবন: আপনি কি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেছেন?

ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী নেসারুল হক:  আমি মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখ সমরে অংশ গ্রহণ না করলেও ময়মনসিংহ শহরে অত্যাচারী বিডিয়ারদের খতম সংগ্রামে আমি অংশ গ্রহণ করেছি। অত্যাচার জর্জরিত ময়মনসিংহের বাঙ্গালীরা অ¯্রহাতে তাদের ঘিরে ফেলে এবং আমিও তার মধ্যে সক্রিয় ছিলাম। তাদের অনেকের ক্ষত বিক্ষত লাশ আমি নিজ হাতে ব্রম্মপুত্র নদে ফেলেছি এবং রক্তাক্ত শরীরে বাসায় ফিরেছি, ভয়ে রাতভর আমি ঘুমাতে পারিনি। বিহারীরা আমাকে দেখে ফেলায় সর্বদা ভয়ংকর আতংঙ্কে ছিলাম। হঠাৎ ঢাকায় ট্রেনিং করতে হবে টেলিগ্রাম পেয়ে ময়মনসিংহ থেকে কৌশলে ঢাকায় ও নিজ গ্রামের বাড়ীতে চলে আসি। রাজবাড়ীর আমাদের বরাট চৌধুরী বাড়িতেই্ প্রায় দুইশতাধিক মুক্তিবাহিনীর বড় ক্যাম্প ছিল। বাড়ীর মস্ত বড় উঠানেই তাদের সবার ট্রেনিং হতো। আমার ছোট ভাই নঈমুল হক চৌধুরী নিজেও ভয়ংকর সাহসী এক মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। আমিও তাদের  ট্রেনিং এ সহায়তা করি। আমাদের গোটা  চৌধুরী পরিবার মুক্তিযোদ্ধের সময় সার্বিক সমর্থন ও সহযোগীতা অব্যাহত রেখেছে মুক্তিযোদ্ধাদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করেছে। আমার প্রয়াত আব্বাজান চৌধুরী আব্দুল হামিদ ও ছিলেন বঙ্গবন্ধুর মতাদর্শের দৃঢ় সমর্থক এবং মুক্তিযুদ্ধের সাথী।

মানবজীবন: ‘স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন’ এর সাথে আপনি একমত হলে বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতার স্বাদ কতটুকু উপভোগ করছেন?

ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী নেসারুল হক:  স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর অবদান শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্ব স্বীকৃতি দিয়েছে। তাকে পশ্চিম পাকিস্তানে ধরে নিয়ে গিয়ে, অত্যাচার করেও শেখ মুজিবকে দমাতে পারেনি। বরং তিনি দৃঢ় কন্ঠে বলেছেন, ‘আমি মানুষ, আমি বাঙ্গালী, মুসলমান, মৃত্যুকে ভয় পাইনা

 

মুসলমান একবারই মরে মরনে আমি ভীত নই। তোমরা আমার লাশটা বাংলাদেশে  ফেরত দিও’। তবুও তিনি নরপশু পাকজান্তার কাছে নতি স্বীকার করেন নাই। যেখানে পশ্চিম পাকিস্তান তাকে হত্যা করতে সাহস পায়নি বরং স্ব-সম্মানে তার স্বপ্নের বাংলাদেশ ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছে, বঙ্গবন্ধু ফিরে এসেছেন তাঁর স্বপ্নের স্বাধীন বাংলায়। তিনি যখন ফিরে এসে যুদ্ধবিদ্ধস্ত বাংলাদেশ গড়ার কাজে  হাল ধরলেন তখন পাকিস্তান অনুসারী ঘৃন্য ক্ষমতালোভী কিছু বিপথগামী সৈন্যরা আকর্ষিক ও অকল্পনীয়ভাবে নির্মমভাবে তার পরিবারসহ সবাইকে হত্যা করে। ভাগ্য ভালো তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ  রেহেনা তখন দেশে ছিলেননা। পরবর্তিতে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসেন এবং বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে সার্বিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশে কিছু খারাপ স্বার্থান্বেষী মহল সবসময়ই ছিল,আছে থাকবে। তবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পিতার মতই দুর্জয় সাহস নিয়ে এ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষে অটল রয়েছেন এবং থাকবেন। কোনো মানুষ ভুলের উর্দ্ধে নয় তারপরেও আল্লাহপাকের ইচ্ছায় যারা সহজ-সরল বাঙ্গালী এবং মাতৃভূমি বাংলাদেশকে ভালোবাসেন, তাদের দোয়া ও ভালবাসায় জননেত্রী, মানবতার মা শেখ হাসিনা এ দেশকে দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। দেশে এখন সার্বিক উন্নয়নের জোয়ার বইছে এবং দেশে ধর্ম নিরপেক্ষতা উত্তম পর্যায়ে রয়েছে। দেশের মানুষ এখন অনেক ভালো অবস্থানে আছে।

মানবজীবন: বর্তমানে নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটছে প্রতিনিয়ত এ সম্পর্কে আপনার অভিমত কি?

ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী নেসারুল হক: সদা সত্য কথা বলা, সহজ-সরল সৎপথে চলা সকল প্রকার নোংরামী ও দুর্নীতি থেকে মুক্ত জীবনই আদর্শ সুন্দর জীবন। সামাজিক ও ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে চলা, সত্য-সঠিক পথের অনুসারী হওয়া, অপরের কোন ক্ষতি না করা, মানব কল্যাণ সাধন করা ইত্যাদি গুণের সমন্বয়েই নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ হয়। এসব মানবিক গুণে সমৃদ্ধ জীবন ও চরিত্রই  নৈতিক মূল্যবোধের সুফল। নৈতিক মূল্যবোধ ব্যক্তি জীবনকে মহান করে এবং তাকে উচ্চ মর্যাদার আসনে সুপ্রতিষ্ঠিত করে। সেই সঙ্গে সমাজ হয় কলুষমুক্ত। যাদের জীবন নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত, তারা সমাজে আদর্শ। মিথ্যাকে ঘৃণা করা ও বর্জন করা এবং সকল অন্যায়-অনাচার থেকে মুক্ত থাকা নৈতিক মূল্যবোধেরই সুন্দর ফসল। নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন ব্যক্তি সব সময় চরিত্রবান, সত্যবাদী, দৃঢ়কল্প, আন্তরিক ও উদার  হয়।

খুব লজ্জার কথা যখন শুনি ও দেখি ছাত্রীরা স্কুলে নিরাপদ নয়, ছোট বাচ্চারা আজ নিরাপদ নয়। শিশুদের ওপরেও যৌন নিপীড়ন চালানো দৈনন্দিন ব্যপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।যার বড় কারন বিকৃত মানসিকতা।ধর্ষণ বেড়েই চলছে। এমননি মাদরাসায় অনেক ভন্ড মাওলানারা ঘৃণ্য ধর্ষণের সাথে জড়িত। যা মেনে নেওয়া অসম্ভব। ধর্ষণ বন্ধ করতে হলে পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে দায়িত্বশীলতা বাড়াতে হবে এবং একই সাথে কঠোর আইন প্রয়োগ করে ঘৃণ্য অপরাধীদের ত্বড়িৎ উপযুক্ত কঠোর শাস্তি জনসমুক্ষে দিতে হবে। মা-বাবা, অভিভাবকদের অবশ্যই তাদের সন্তানের ওপর সর্বদা খেয়াল রাখতে হবে যে, তারা কোনো অস্বাভাবিক জীবন যাপন করছে কিনা? কেমন বন্ধু বান্ধবের সাথে সন্তানেরা মিশছে?  আর সমাজ থেকে নগ্নতা, বেহায়াপনা দূর করতে হবে। পর্নগ্রাফি দেখা নিষিদ্ধ করতে হবে। অশ্লীল পত্রপত্রিকা ও বইয়ের ব্যবসা বন্ধ করতে হবে। সবাইকে ধর্মীয় অনুশাসন অবশ্যই মেনে চলতে হবে। এই সব জঘন্য অপরাধের একটি অন্যতম মুল কারন হচেছ নেশা জাতিয় দ্রব্যের আধিপত্য বিস্তার। মাদকসেবীদের মধ্যে দেশের মূল প্রাণশক্তি যুব সমাজের আধিক্য জাতির জন্য খুবই দুর্ভাগ্য জনক এবং হতাশার বিষয়। যুব সমাজ মাদকের দিকে ঝুঁকছে, মূলত হতাশা থেকে। মাদকের এই ভয়ানক থাবা থেকে যুব সমাজ তথা দেশের মানুষকে অবশ্যই মুক্ত করতে হবে। নতুবা তার নেতিবাচক প্রভাব সমগ্র জাতিকে যে অচিরেই গ্রাস করবে, তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। যদিও মাননীয় সরকার কিছু কিছু ব্যবস্থা নিচ্ছে, প্রয়োজনের তুলনায় যা অপ্রতুল। আমি আশা করব মাননীয় বিজ্ঞ সরকার এর বিরুদ্ধে ত্বরিৎ আরো কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তাছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী অনন্য শেখ হাসিনা, যিনি দেশকে প্রান দিয়ে ভালোবাসেন, দেশের প্রতি যার গভীর মমত্ববোধের কারনে সব ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছেন এবং আরো গঠনমূলক কঠোর পদক্ষেপ নিবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

মানবজীবন: সমাজে যে নৈতিক অবক্ষয়ের  জোয়ার বইছে এর থেকে সাধারন জনগন কতটুকু প্রতিকার পাচ্ছে বলে আপনি মনে করেন?

ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী নেসারুল হক: পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে অশান্তির মূল কারণ হচ্ছে  নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়। সত্যিকার অর্থে এর থেকে জনসাধারণের যতটুকু প্রতিকার পাওয়া উচিত ঠিক ততটা পাচ্ছে বলে আমি মনে করিনা। তবে আমি মনে করি, সরকারের আইনের শাসন বাস্তবায়নের পাশাপাশি জনগনকেও সচেতন হতে হবে। আমাদের নিজেদের প্রথমে প্রকৃত নীতিবান হতে হবে। দারিদ্র্য বিমোচনে পরিশ্রমী হতে হবে, শিক্ষার প্রসারে সরকারের সাথে সার্বিক সহযোগিতা করতে হবে। এছাড়া বিদেশী সংস্কৃতির প্রসার রোধ, সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার সর্বদা সজাগ দৃষ্টি, গ্রাম উন্নয়ন, সেশনজট নিরসন,  ধর্মীয় প্রকৃত শিক্ষার ব্যাপক প্রসারসহ  সুস্থ রাজনীতি চর্চা করতে হবে। মহিলাদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, যৌতুক প্রথা অবশ্যই বন্ধ, নারী পুরুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা, পারিবারিক শান্তি স্থাপন এসব বিষয়গুলোর উপর যথাযথ তদারকিসহ মুল্যায়ন হলে, জনগন অনেকটা প্রতিকার পাবে বলে দৃঢ়ভাবে মনে করি।

মানবজীবন: সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার  প্রেক্ষাপটে আপনার কোন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আছে কি?

ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী নেসারুল হক: সততা, নিষ্ঠা ও আদর্শকে সম্বল করে এ যাবৎ পথ চলেছি এবং বাকিটা জীবনও এই একই আদর্শ নিয়েই ইনশাল্লাহ এগিয়ে যাবো বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আমার গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ী জেলা শহর সংলগ্ন বরাট পদ্মা নদীর পাড়ে। ওখানে আগে মাছ, ফসল ইত্যাদি সম্পদে ভরপুর ছিল। কিন্তু পদ্মা নদী ভাঙ্গনের ফলে র্দীঘদিন যাবৎ সর্বস্বহারা হয়ে গ্রামের মানুষ অনেক কষ্টের সম্মুক্ষীন হচ্ছে। যারা এক সময় হাজার হাজার মন চাল অন্যদের দিত তারাই আজ না খেয়ে মরছে, যা দেখে আমার খুব কষ্ট হয়। এই সব অসহায় সুবিধা বঞ্চিত মানুষের কথা চিন্তা করে তাদের পাশে দাঁড়াতে নিজ গ্রামে ‘বরাট জনকল্যান ফাউন্ডেশন’ গড়ে তুলেছি। এই ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দীর্ঘ একযুগ যাবৎ ত্যাগী কিছু গুণী নিঃস্বার্থ সৎজন সমন্বয়ে বৃহত্তর বরাট অঞ্চলের নদীভাঙ্গা, গরীব-দু:স্থ সুবিধাবঞ্চিত, অসহায় মানুষের কল্যাণে ও সাহায্যার্থে বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করে চলেছি, মাত্র দুই চারজন জনদরদী-এর স্বল্প পৃষ্ঠপোষকতায় ও স্বীয় সীমিত সামর্থ দিয়ে। যদিও চাহিদার তুলনায় প্রাপ্ত সাহায্য সহযোগীতা খুবই অপ্রতুল।মনে বড় আশা দুস্থ-দরদী বিত্তবানেরা অনুগ্রহপূর্বক তাদের দানের হাত বাড়িয়ে দিলে, দুস্থঃ সেবা র্কাযক্রম আরো বাড়াবো ইনশাআল্লাহ। রাজনীতীতে জড়াবনা। তবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে আজীবন শ্রদ্ধাভরে ভালোবেসে যাবো।

মানবজীবন: আপনার মতো এমন বিরল গুণের অধিকারী এবং উদার মনোভাপাপন্ন মানুষের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করতে পেরে আমরা আনন্দিত। আপনার প্রতি রইল বিশেষ মঙ্গল কামনা।

ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী নেসারুল হক: আমারও ভালো লাগলো আপনাদের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন বিষয় বা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পেয়ে। দোয়া করবেন আল্লাহ পাক যেনো আমাকে র্দীঘদিন সুস্থ সবল রেখে সমাজের দুস্থ-দুখীজনের সাহায্যার্থে আমরন কাজ করার তৌফিক দান করেন। আপনাদের পথচলা সুন্দর ও  সুদীর্ঘ হোক।0

 

মানবজীবন পত্রিকার ২০১৯ সালের অক্টোবর সংখ্যায় প্রকাশিত।

এখানে আংশিক সমপ্দন করে পুনঃ প্রকাশ করা হলো।

বাল্য বিবাহে প্রাণ গেল শেফালীর

নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা সদর ইউনিয়নের নাছিরপুর গ্রামের শেফালী বেগমের বাল্য বিবাহের ফলে সন্তান প্রসবের পর প্রাণ দিতে হল।
ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, নাসিরনগর সদর ইউনিয়নের নাছিরপুর গ্রামের সৎ পিতা রফিক মিয়া মাতা রীনা বেগমের মেয়ে শেফালী বেগমের (১৪) এ বিবাহ হয় গত কয়েক বছর আগে সদর ইউনিয়নের দাঁতমন্ডল গ্রামের কামাল মিয়ার ছেলে শিপন মিয়া ( ২৫) সাথে। বিয়ে পর গত ফেব্রুয়ারি ২০২০খ্রিঃ একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। সন্তান জন্ম হওয়ার পর মুমূর্ষু অবস্থায় নাসিরনগর সদর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্মে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০খ্রিঃ ভর্তি হয়। ভর্তি করার পর চিকিৎসার খরচ সহায় সম্বলহীন মাতা জোগার করতে না পারায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ অভিজিৎ রায় সহ সকল মেডিকেল অফিসার ও নার্স  সম্পূর্ণ চিকিৎসার দায়িত্ব নেয় এবং ভর্তি হওয়ার পর থেকে সম্পূর্ণ খরচ হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ বহন করে আসছেন।  উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পূর্বেই  ১৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরে মারা যায়। মারা যাবার পর দাফন কাফনের জন্য ৯(নয়) হাজার টাকা মাতা রীনা বেগমের হাতে তুলে দেন। এ সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্মের আর এম ও    ডাঃ মোঃ সাইফুল এ প্রতিনিধিকে জানান, অল্প বয়সে বিয়ের ফলে ডেলিভারির পর “পোস্ট পারটাম ডাইলেটেড কার্ডিওমায়োপেথি ” হয়ে  মারা গেছে। মারা যাবার সময় আড়াই মাসের একটি ছেলে সন্তান রেখে গেছেন। সন্তানটি সুস্থ রয়েছে  আমরা তার দ্বায়িত্ব নিয়েছি, তার খরচ আমরাই বহন করব। তিনি আরও জানায় শেফালী হাসপাতালে ভর্তির হওয়ার পর থেকে স্বামীর পক্ষে আজ পর্যন্ত একজনও আসেনি। একদিন মেয়েটির স্বামী শিপন এসে মেয়েকে ( স্রী) হুমকি দিয়ে যায় সন্তানের কিছু হলে তাকে মেরে ফেলবে কিন্তু  শেফালীর অসুখের কোন খোজখবর নেয়নি।  অল্প বয়সে (বাল্য) বিয়ে হওয়ার ফলে অকালে শেফালী বেগমের মৃত্যু হল। মৃত্যুর পরও স্বামী/ স্বামীর পরিবারের  লোকজন আসেনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইসোলেশন সেন্টার ইউনিট প্রস্তুত

[জেলায় এখনো হয়নি কেউই আক্রান্ত – অন্তরণের শর্তভঙ্গ করায় ২৫ প্রবাসীকে চার লক্ষাধিক টাকা জরিমানা]
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:
করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রস্তুত করা হয়েছে আইসোলেশন সেন্টার ইউনিট। জেলায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত কাউকেই সনাক্ত করা হয়নি। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সদ্য প্রবাসফেরতদের গৃহে অন্তরণের (হোম কোয়ারেন্টাইন) আওতায় আনতে কাজ করে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ। প্রতিদিনই বাড়ছে অন্তরণ সংখ্যা।অপরদিকে অন্তরণের শর্তভঙ্গ করায় জেলায় ২৫ প্রবাসীকে করা হয়েছে চার লক্ষাধিক টাকা জরিমানা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সাম্প্রতিক সময়ে করোনা আক্রান্ত বিভিন্ন দেশ থেকে ফিরেছেন কেবল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলারই ৯ হাজার ২০৮ জন নাগরিক। তাদের মধ্যে অনেকেই খামখেয়ালীপনা করে জনস্বাস্থ্যকে ঝুঁকিতে ফেলতে প্রবাস থেকে ফেরার তথ্য গোপন রেখে খোলামেলা চলাফেরা করছিলো। সে সকল প্রবাসীদের প্রায়ই মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত জেলায় বিভিন্ন সময়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে গৃহে অন্তরণের আইন ভঙ্গ করায় প্রবাসফেরত ২৫ জনকে করা হয় চার লাখ ২২ হাজার টাকা জরিমানা। আজ শনিবার দুপুরে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে প্রস্তুত রাখা আইসোলেশন সেন্টার ইউনিট পরিদর্শনকালে এমন তথ্য জানান জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
জেলা প্রশাসক আরও জানান,এখন পর্যন্ত জেলায় দুই হাজার ৬৬০ জন প্রবাসীকে গৃহ অন্তরণের আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ দিনের মেয়াদ পার হওয়ায় এক হাজার ৫৩৪ জনকে স্বাভাবিক জীবন যাপনে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে এক হাজার ১২৬ জন প্রবাসীকে গৃহ অন্তরণে রাখা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত কাউকে সনাক্ত করা হয়নি। করোনা প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী, জেলা ও পুলিশ প্রশানসহ সংশ্লিষ্টারা আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। পরে তিনি আইসোলশন সেন্টার ঘুরে দেখেন এবং এর সার্বিক কার্যক্রম বিষয়ে খোঁজখবর নেন। অত:পর তিনি হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম নিয়েও সংশ্লিষ্ট  কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে হাসপাতালের পর্যাপ্ততা পর্যালোচনা করেন। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. মো. একরাম উল্লাহ, সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. শওকত হোসেন প্রমুখ।
Attachments area

করোনা নিয়ে বিভ্রান্তিকারী যুবকের বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস নিয়ে ফেবুসকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর দায়ে এক যুবকের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে মামলা হয়েছে। আজ শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
শ্রাবণ (২৫) সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের আশিকুর রহমানের পুত্র। তিনি সরাইল উপজেলার একটি বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন বলে জানা গেছে। পুলিশের ধারণা, শ্রাবণ মানসিকভাবে অসুস্থ্য। গত শুক্রবার রাতে সরাইল থানা পুলিশ শ্রাবণকে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গতকাল শনিবার (২৮মার্চ) দুপুরে সরাইল থানার সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. খলিলুর রহমান বাদী হয়ে শ্রাবণের বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা দায়ের করেন।
জানা যায়, গত তিনদিন আগে ফেসবুকে শ্রাবণের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওতে শ্রাবণ নিজেকে বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র দাবী করে বলেন, কীভাবে বাংলাদেশকে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত করতে পারবেন, সেটি তিনি গবেষণা করে বের করেছেন। শুধু বাংলাদেশই নয়, গোটা বিশ্বকে তিনি করোনা ভাইরাস মুক্ত করতে পারবেন বলেও তিনি ওই ভিডিওতে দাবী করেন। ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশকে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত করার বিনিময়ে ২৫ হাজার কোটি টাকা এবং সারা বিশ্বকে মুক্ত করার জন্য এক লাখ কোটি টাকা দাবি করেন শ্রাবণ। তিনি এটিকে ‘ডিল’ উল্লেখ করে যোগাযোগ করার জন্য নিজের মোবাইল ফোন নম্বরও দেন। তার ওই ভিডিওটি ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপেও ভাইরাল হয়। অনেকেই তাকে গ্রেপ্তারের দাবী জানান। এরই প্রেক্ষিতে শুক্রবার রাতে শ্রাবণের নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সরাইল থানা পুলিশ তাকে আটক করে।
সরাইল থানার পরিদর্শক (ওসি) সাহাদাত হোসেন জানান, ‘শ্রাবণ মানসিকভাবে অসুস্থ বলে মনে হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে এলোমেলো তথ্য দিয়েছে, যেসব তথ্য গ্রহণযোগ্য নয়। বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোয় তার বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সহকারি পুলিশ সুপার (সরাইল সার্কেল) মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘ভিডিও বার্তায় বলা কথাগুলোই আমাদের বলেছে শ্রাবণ। তার মানসিক সমস্যা আছে বলে মনে হচ্ছে। হয়তোবা তার সঙ্গে কিছু মানুষ মজা করে এটি করিয়েছে। তার বাবার সঙ্গেও আমরা কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, শ্রাবণ ভবঘুরে টাইপের। আরও কিছু লোককে আমরা খুঁজছি। তাদের পেলে বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারবো।’

 মেয়র জাহাঙ্গীর আলম দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন

৫০হাজার পরিবারের খাদ্য, ২০ হাজার কিট ও ৭ হাজার ড্রেস বিতরণ

 

গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুর সিটি মেয়র এডভোকেট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম একের পর এক মহানুভবতার স্বাক্ষর রেখে চলছেন।  তিনি সারা বাংলাদেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রেখে সুনাম কুড়িয়েছেন। শুধু তাই নয় তিনি নিজেকে সৎ, নিষ্ঠাবান, পরোপকারী ও নিঃস্বার্থ জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সম্প্রতি করোনা মোকাবেলায় তিনি প্রসংশনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করে দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন, যা অতীতে কোনো মেয়র দেখাতে পারেননি।

চলমান করোনার আক্রমন মোকাবেলার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে জনগনের পাশে দাঁড়াতে গাজীপুর মহানগরে ৫০ হাজার পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ, সরকারী বেসরকারী হাসপাতালে ২০ হাজার কিট ও ডাক্তারদের জন্য ৭ হাজার পোষাক বিতরণ করছেন গাজীপুর সিটি মেয়র এডভোকেট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

আজ শুক্রবার নিজ বাসভবন থেকে তিনি এসব বিতরণ করেন। এসময় গাজীপুরের সংশ্লিষ্ট সরকারী বেসরকারী কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত সাংবাদিকদের মেয়র বলেন, গাজীপুরের সকল সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতালে ডাক্তারদের ড্রেস দেয়া হচ্ছে। গাজীপুর সিটিকরপোরেশনের পক্ষ থেকে চায়না থেকে আনা ২০ হাজার কিট, ৭হাজার ড্রেস বন্টন করা হচ্ছে। ডাক্তার ও নার্সদের নিরাপত্তা দিতে হবে। তাই আমরা ডাক্তারদের পা থেকে মাথা পর্যন্ত পুরো ড্রেস দিচ্ছি। সিটিকরপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে এ্যাম্বুলেন্স ঘুরছে। ডাক্তার বললেই রোগী নিয়ে যাবে হাসপাতালে। ইতোমধে তিনি নাগরিকদের হাত ধুয়ার জন্য ৫হাজার পানির ট্যাংকও মহানগরের গুরুত্বপর্ণ স্থানে স্থাপন করে।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ২০ হাজার কিট দেয়া হচ্ছে। আরো ১০হাজার কিট আসছে। মহানগরের ৫০ হাজার পরিবারকে খাদ্য দেয়া হবে। আমাদের কর্মীরা খাদ্য পৌঁছে দিবে। কারো আসতে হবে না।

মেয়র মরণঘাতি ভাইরাস করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

জুয়ার আসরেই জুয়াড়িকে পিটিয়ে হত্যা

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আশুগঞ্জ উপজেলায় জুয়ার আসরেই জুয়াড়ি জাহাঙ্গীর আলমকে (৫১) পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেল সাড়ে তিটার দিকে উপজেলা সদরের মুন্সি মার্কেটের পাশের পোড়াগুদামে ঘটে এই ঘটনা। নিহত জাহাঙ্গীর উপজেলার চরচাতলা গ্রামের মৃত ইলু মিয়ার পুত্র।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই পোড়াগুদামে জুয়ার আসর চালাচ্ছেন চরচাতলা গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম আবু ওরফে ছোট আবু। পেশায় মাছ বিক্রেতা জাহাঙ্গীর সেখানে নিয়মিতই জুয়া খেলতে যেতেন। শুক্রবার বিকেলে জুয়া খেলার সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত জুয়ার আসরে গিয়ে জাহাঙ্গীরকে বেধড়ক পেটাতে থাকে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আশুগঞ্জ থানার পরিদর্শক (ওসি) জাবেদ মাহমুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত কনে জানান, ‘হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
Play
Play
previous arrow
next arrow
Slider

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে একটি বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। এই ধারার কারণে বহু সাংবাদিককে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অনেক মামলা হয়েছে। অনেককে কারাগারেও যেতে...

    ১৭ই মার্চ, ১৯২০ সালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শেখ লুৎফুর রহমান এবং সায়রা বেগমের ঘরে জন্ম নেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। গোপালগঞ্জ...

previous arrow
next arrow
ArrowArrow
Slider

সমাজ ও রাষ্ট্রে অশান্তির মূল কারণ হচ্ছে নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় …..ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী নেসারুল হক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বরাট জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন, রাজবাড়ী।   জীবনের ক্ষুধা, তৃষ্ণা ছাড়াও, মানুষ এক কাল্পনিক জগতের চাহিদায়...

Archives

Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
Jan0 Posts
Feb0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Nov0 Posts
L0go

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি